২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে নাটোরের সিংড়া উপজেলার শীর্ষে অবস্থান করছে বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার মান উন্নয়নে দ্রুত সুনাম কুড়ানো এই প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা 'বিয়াম ফাউন্ডেশন' দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে।
চলতি বছরের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ২২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ১৬ জন শিক্ষার্থীই কৃতিত্বের সাথে বৃত্তি লাভ করেছে। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৯ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। পাসের হার ও বৃত্তির সংখ্যার দিক থেকে এটি উপজেলার মধ্যে সেরা ফলাফল।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন জানান, ২০২২ সালের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবারও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। বিরতির আগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরে তারা আনন্দিত। তিনি বলেন: "সর্বশেষ ২০২২ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১১ জনই বৃত্তি পেয়েছিল, যা ছিল শতভাগ সাফল্য। স্কুল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের প্রতি অত্যন্ত যত্নবান। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত নিবিড় পাঠদান এবং অভিভাবকদের সচেতনতা ও সহযোগিতার সম্মিলিত ফসলই আজকের এই অনন্য অর্জন। আমরা আশাবাদী, সাফল্যের এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও নিয়মিত মনিটরিং অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন: "উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ সু-শৃঙ্খল পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। পিছিয়ে পড়া বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা পরিচর্যার ব্যবস্থাও রয়েছে। আমরা সবসময়ই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করছি। এই নিয়মতান্ত্রিকতা ও কঠোর তদারকির কারণেই শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর এমন গৌরবময় ফলাফল উপহার দিতে পারছে।"
২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার মান উন্নয়নে দ্রুত সুনাম কুড়ানো এই প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা 'বিয়াম ফাউন্ডেশন' দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে।
চলতি বছরের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ২২ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ১৬ জন শিক্ষার্থীই কৃতিত্বের সাথে বৃত্তি লাভ করেছে। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৯ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। পাসের হার ও বৃত্তির সংখ্যার দিক থেকে এটি উপজেলার মধ্যে সেরা ফলাফল।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন জানান, ২০২২ সালের পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবারও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলো। বিরতির আগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরে তারা আনন্দিত। তিনি বলেন: "সর্বশেষ ২০২২ সালের বৃত্তি পরীক্ষায় আমাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ১১ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ১১ জনই বৃত্তি পেয়েছিল, যা ছিল শতভাগ সাফল্য। স্কুল প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের প্রতি অত্যন্ত যত্নবান। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত নিবিড় পাঠদান এবং অভিভাবকদের সচেতনতা ও সহযোগিতার সম্মিলিত ফসলই আজকের এই অনন্য অর্জন। আমরা আশাবাদী, সাফল্যের এই ধারা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।"
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ও সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও নিয়মিত মনিটরিং অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন: "উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ সু-শৃঙ্খল পরিবেশে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। পিছিয়ে পড়া বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা পরিচর্যার ব্যবস্থাও রয়েছে। আমরা সবসময়ই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাকার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করছি। এই নিয়মতান্ত্রিকতা ও কঠোর তদারকির কারণেই শিক্ষার্থীরা প্রতি বছর এমন গৌরবময় ফলাফল উপহার দিতে পারছে।"
সৌরভ সোহরাব সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ