আবার ইরানে হামলা চালাল আমেরিকার বিমানবাহিনী। শুধু তা-ই নয়, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকায় নতুন করে অবরোধ শুরু করল মার্কিন নৌবাহিনী। একই সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান যদি আলোচনার টেবিলে ফিরে না-আসে তবে আমেরিকা তার সামরিক অভিযান আরও প্রসারিত করবে। তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (মউ) থেকে তারা বেরিয়ে আসছে। দুই পক্ষের এই বিরোধে আবার পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, গত মাসে আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল, সেই শর্ত মানতে তেহরান বাধ্য নয়। কারণ, আমেরিকা শুধু বার বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে তা নয়, বরং পুরোপুরি চুক্তি নস্যাৎ করে দিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের বন্ধরগুলিতে নৌ অবরোধ করে আমেরিকা বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা শান্তিচুক্তি চায় না।
গত কয়েক দিনে হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বেশ কয়েকটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। গত রবিবার সকালে ওমান উপকূলের কাছে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়েছিল। জাহাজটিতে ১১ জন ভারতীয় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। কিন্তু এক জন এখনও নিখোঁজ। মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দু’টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আছড়ে পড়ে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। সেই জাহাজেও ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে হামলার পর আমেরিকাও পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরানে।
বুধবার ভোরে ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পর পর হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। তারা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি হামলার জবাবে এই আক্রমণ। বিশেষত দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনী হামলার তেজ বাড়িয়েছে। সেখানকার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, উপকূলয়ীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে আমেরিকা।
ফক্স নিউজ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আমেরিকার সামরিক অভিযানের পরিকল্পনার কথা জানান। তাঁর কথায়, ‘‘আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। শেষে আক্রমণ হবে তাদের জ্বালানি ভান্ডারে। আমরা সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছোবই যদি না ইরান আলোচনায় বসে।’’
অন্য দিকে, ট্রাম্প সোমবার আমেরিকাকে ‘হরমুজ প্রণালীর অভিভাবক’ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন, ইরানের হামলা থেকে পণ্যবাহী জাহাজের সুরক্ষার জন্য ২০ শতাংশ ফি আদার করা হতে পারে। যদিও মঙ্গলবার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসার কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর মতে, ফি আদায়ের পরিবর্তে বিভিন্ন উপসাগরীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তিগুলি হবে, সেগুলি কার্যকর করা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, গত মাসে আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল, সেই শর্ত মানতে তেহরান বাধ্য নয়। কারণ, আমেরিকা শুধু বার বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে তা নয়, বরং পুরোপুরি চুক্তি নস্যাৎ করে দিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের বন্ধরগুলিতে নৌ অবরোধ করে আমেরিকা বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা শান্তিচুক্তি চায় না।
গত কয়েক দিনে হরমুজ প্রণালীতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বেশ কয়েকটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। গত রবিবার সকালে ওমান উপকূলের কাছে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ আক্রান্ত হয়েছিল। জাহাজটিতে ১১ জন ভারতীয় ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা গিয়েছে। কিন্তু এক জন এখনও নিখোঁজ। মঙ্গলবার সংযুক্ত আরব আমিরশাহির দু’টি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে আছড়ে পড়ে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। সেই জাহাজেও ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে হামলার পর আমেরিকাও পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরানে।
বুধবার ভোরে ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে পর পর হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। তারা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে ইরানি হামলার জবাবে এই আক্রমণ। বিশেষত দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনী হামলার তেজ বাড়িয়েছে। সেখানকার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, উপকূলয়ীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে আমেরিকা।
ফক্স নিউজ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আমেরিকার সামরিক অভিযানের পরিকল্পনার কথা জানান। তাঁর কথায়, ‘‘আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। শেষে আক্রমণ হবে তাদের জ্বালানি ভান্ডারে। আমরা সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছোবই যদি না ইরান আলোচনায় বসে।’’
অন্য দিকে, ট্রাম্প সোমবার আমেরিকাকে ‘হরমুজ প্রণালীর অভিভাবক’ ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন, ইরানের হামলা থেকে পণ্যবাহী জাহাজের সুরক্ষার জন্য ২০ শতাংশ ফি আদার করা হতে পারে। যদিও মঙ্গলবার সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসার কথা জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর মতে, ফি আদায়ের পরিবর্তে বিভিন্ন উপসাগরীয় রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তিগুলি হবে, সেগুলি কার্যকর করা হবে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক