জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদের অবক্ষয় বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। এ সংকট মোকাবিলায় সরকার, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, যুবসমাজ ও বেসরকারি খাতকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে দ্য আর্থ সোসাইটির উদ্যোগে গ্রিন ভয়েজ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত হাই লেভেল ডায়লগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এক বছরে আড়াই লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এছাড়া পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বনায়ন ও পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীকে শুধু ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ নয়, বাস্তব অর্থেই একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়কের আইল্যান্ডে বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন, স্ট্রিট লাইট উন্নয়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগ সফল করতে নাগরিকদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে রাজশাহী আরও পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে পরিণত হবে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ভবিষ্যতেও পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশের উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান রাসিক প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে জলবায়ু নীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বিষয়ে নীতিনির্ধারক ও যুব নেতাদের মতবিনিময় বিভাগীয় সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অন্তর্ভূক্তিমূলক নীতি প্রণয়ন, জলবায়ু সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী ও যুবকদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর ও সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রোগ্রামে গ্রিন ভয়েজ প্রকল্পের অর্জন, অভিজ্ঞতা ও নীতিগত সুপারিশ উপস্থাপনের পাশাপাশি জলবায়ু নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও যুবকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সংলাপে দ্যা আর্থ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেনসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে দ্য আর্থ সোসাইটির উদ্যোগে গ্রিন ভয়েজ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত হাই লেভেল ডায়লগ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাসিক প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এক বছরে আড়াই লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বর্তমানে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এছাড়া পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বনায়ন ও পাখির অভয়ারণ্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, রাজশাহীকে শুধু ‘গ্রিন সিটি, ক্লিন সিটি’ নয়, বাস্তব অর্থেই একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সড়কের আইল্যান্ডে বৃক্ষরোপণ, সৌন্দর্যবর্ধন, স্ট্রিট লাইট উন্নয়নসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে এসব উদ্যোগ সফল করতে নাগরিকদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সবাই নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে রাজশাহী আরও পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে পরিণত হবে। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন ভবিষ্যতেও পরিবেশ ও জলবায়ু সুরক্ষায় বিভিন্ন উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দেশের উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান রাসিক প্রশাসক।
অনুষ্ঠানে জলবায়ু নীতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বিষয়ে নীতিনির্ধারক ও যুব নেতাদের মতবিনিময় বিভাগীয় সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় অন্তর্ভূক্তিমূলক নীতি প্রণয়ন, জলবায়ু সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারী ও যুবকদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর ও সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রোগ্রামে গ্রিন ভয়েজ প্রকল্পের অর্জন, অভিজ্ঞতা ও নীতিগত সুপারিশ উপস্থাপনের পাশাপাশি জলবায়ু নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী ও যুবকদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সংলাপে দ্যা আর্থ সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেনসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :