চাঁদপুরে নিজের ৫ বছরের অবুঝ শিশু সন্তানকে ফেলে প্রবাসী স্বামীর জমানো সব টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে নয়ন মনি নামে এক নারীর বিরুদ্ধে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার মতলব উপজেলার বাসিন্দা প্রবাসী শরীফ মিয়ার সঙ্গে রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের বাসিন্দা নোয়াব আলীর মেয়ে নয়ন মনির বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপরই শরীফ প্রবাসে চলে যান। প্রবাসে থাকা অবস্থায় শরীফ তার উপার্জিত সমস্ত অর্থ স্ত্রী নয়ন মনির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতেন।
সম্প্রতি নয়ন মনি ব্যাংকে থাকা সমস্ত টাকা ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। প্রবাস থেকে স্বামী শরীফ দেশে ফিরে ঘরে স্ত্রীকে পাননি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শূন্য দেখতে পান।
এদিকে, স্ত্রীকে হারিয়ে একদিকে যেমন সর্বস্বান্ত হয়েছেন প্রবাসফেরত শরীফ, অন্যদিকে তার ৫ বছরের একমাত্র সন্তান মুসা তীব্র অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। একমাত্র বাবাই এখন দিনরাত হাসপাতালে থেকে শিশুটির সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালের বেডে শুয়ে অবুঝ শিশুটি মায়ের জন্য কাঁদছে।
স্থানীয়দের ধারণা, নয়ন মনি পরকীয়া সম্পর্কের জেরে টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে গেছেন এবং নতুন করে সংসার শুরু করেছেন। টাকা-পয়সা হারানোর কষ্টের চেয়েও এখন একমাত্র সন্তানের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে প্রবাসীর। অবুঝ শিশুটিকে ফেলে মায়ের এমন নির্মম চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও স্ত্রীর সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী শরীফ মিয়া।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার মতলব উপজেলার বাসিন্দা প্রবাসী শরীফ মিয়ার সঙ্গে রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার মাইনীমুখ ইউনিয়নের বাসিন্দা নোয়াব আলীর মেয়ে নয়ন মনির বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। এরপরই শরীফ প্রবাসে চলে যান। প্রবাসে থাকা অবস্থায় শরীফ তার উপার্জিত সমস্ত অর্থ স্ত্রী নয়ন মনির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতেন।
সম্প্রতি নয়ন মনি ব্যাংকে থাকা সমস্ত টাকা ও ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যান। প্রবাস থেকে স্বামী শরীফ দেশে ফিরে ঘরে স্ত্রীকে পাননি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শূন্য দেখতে পান।
এদিকে, স্ত্রীকে হারিয়ে একদিকে যেমন সর্বস্বান্ত হয়েছেন প্রবাসফেরত শরীফ, অন্যদিকে তার ৫ বছরের একমাত্র সন্তান মুসা তীব্র অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। একমাত্র বাবাই এখন দিনরাত হাসপাতালে থেকে শিশুটির সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালের বেডে শুয়ে অবুঝ শিশুটি মায়ের জন্য কাঁদছে।
স্থানীয়দের ধারণা, নয়ন মনি পরকীয়া সম্পর্কের জেরে টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে গেছেন এবং নতুন করে সংসার শুরু করেছেন। টাকা-পয়সা হারানোর কষ্টের চেয়েও এখন একমাত্র সন্তানের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে প্রবাসীর। অবুঝ শিশুটিকে ফেলে মায়ের এমন নির্মম চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না স্থানীয়রা। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও স্ত্রীর সন্ধান পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী শরীফ মিয়া।
অনলাইন ডেস্ক