হাত দিয়ে যায় চেনা। কারণ, সবার আগে বার্ধক্যের ছাপ পড়ে হাতেই। তা সে বার্ধক্যে পৌঁছোনোর যত আগেই হোক। হাতকে বয়সের তুলনায় আরও বয়স্ক দেখাতে পারে। সাবান আর বাড়তি ময়েশ্চারাইজার ছাড়া আর কোনও প্রসাধনী জোটে না হাতে। অথচ বাড়ি থেকে অফিস, ট্রেন থেকে মেট্রো, হাতই সবচেয়ে জরুরি অঙ্গ।
মুখের ত্বকের যত্নে যতটা সময় দেন, ততটা গুরুত্ব কি হাত পায়? অথচ বয়সের ছাপ সবচেয়ে আগে ধরা পড়ে হাতেই। রোজের অযত্নে হাতের তালুর উপরের অংশের চামড়া কুঁচকে যেতে থাকে, বলিরেখা পড়তে থাকে, দৃশ্যমান হয়ে ওঠে শিরা। ঘুম, সূর্যালোকের ক্ষতিকর রশ্মি, অ্যালকোহল, ধূমপান, পরিবেশ দূষণ নানা কারণে হাতের বয়স বাড়তে থাকে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস নিয়মিত মেনে চললে হাতের ত্বক দীর্ঘ দিন কোমল ও তরুণ দেখাতে পারে।
১. এসপিএফ: হাতে কালো ছোপ পড়ার মূল কারণ সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি। আর তাই মুখের পাশাপাশি হাতের ত্বককেও সুরক্ষিত রাখতে হবে সানস্ক্রিন দিয়ে। প্রতি দিন বাইরে বেরোনোর সময়ে এবং প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর মুখে ও হাতে মেখে নিতেই হবে সানস্ক্রিন।
২. বার্ধক্যরোধ করার উপাদান: মুখের ত্বকের জন্য যে সমস্ত অ্যান্টি-এজিং উপাদান কাজ করে, সেগুলি আপনার হাতের ত্বকের সুরক্ষাতেও সমান কার্যকর। হাতের তারুণ্য ধরে রাখতে রেটিনয়েড ব্যবহার করতে পারেন, যা ত্বকের গঠন সুন্দর করে এবং কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, পেপটাইড এবং গ্রোথ ফ্যাক্টর হাতের ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
৩. ত্বকের উপরের স্তর: হাতে ক্রিম, লোশন, তেলের ব্যবহার যত কম হয়, ততই বেশি হয় সাবানের ব্যবহার। দিনভর ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। স্বাস্থ্যবিধির জন্য তা উপকারী হলেও হাতের চামড়ার জন্য তা আদপে ভাল নয়। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হতে থাকে। আর তাই আর্দ্রতা ফেরানোর জন্য সেরামাইড এবং হায়ালুরোনিক উপাদান মেশানো ক্রিম মাখা উচিত ঘন ঘন।
৪. সঠিক ক্রিম: অনেকেই এখন হাতের ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট ক্রিম কিনছেন। তবে যে কোনও ময়েশ্চারাইজ়ার নয়, দেখে নিতে হবে তাতে যেন অ্যালকোহল এবং সুগন্ধি না থাকে। এই ধরনের উপাদান উপকারের বদলে অপকার বেশি করবে। এমনকি ত্বকের নানা রকমের রোগের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে হাতের ওই ক্রিম।
৫. হাত ধোয়ার কৌশল: কর্কশ বা প্রচণ্ড ক্ষারযুক্ত সাবানের বদলে মৃদু সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। তা ছাড়া প্রচণ্ড গরম বা প্রচণ্ড ঠান্ডা জলের বদলে ঈষদুষ্ণ জল ব্যবহার করলে ভাল হয়। তা হলে হাতের উপরের চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৬. ট্রিটমেন্ট: মুখের মতো হাতের ত্বকের যত্নেও একই ধরনের আধুনিক ট্রিটমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। হাত এই ধরনের চিকিৎসায় খুব দ্রুত সাড়া দেয় এবং এর ফলাফলও বেশ চোখে পড়ার মতো। ফিলার ব্যবহার করে হাতের ভলিউম বাড়ানো যায় বা টানটান ভাব ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। আবার, ত্বকের পিগমেন্টেশন বা কালো দাগ দূর করে ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে ‘আইপিএল’ (ইন্টেন্স পালস্ড লাইট) এবং ‘লেজার রিসারফেসিং’ দারুণ কাজ করে। এ ছাড়া, হাতের খসখসে ভাব দূর করে কোলাজেন তৈরি করতে এবং ত্বকের মসৃণতা বাড়াতে রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি মাইক্রো নিড্লিং বেশ কার্যকর।
৭. ঘরোয়া কাজ: বাসন মাজা, কাপড় কাচা বা ঘর পরিষ্কার করার সময়ে ব্যবহৃত নানা রাসায়নিক হাতের ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই এ ধরনের কাজের সময়ে দস্তানা ব্যবহার করলে ত্বক অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে।
মুখের ত্বকের যত্নে যতটা সময় দেন, ততটা গুরুত্ব কি হাত পায়? অথচ বয়সের ছাপ সবচেয়ে আগে ধরা পড়ে হাতেই। রোজের অযত্নে হাতের তালুর উপরের অংশের চামড়া কুঁচকে যেতে থাকে, বলিরেখা পড়তে থাকে, দৃশ্যমান হয়ে ওঠে শিরা। ঘুম, সূর্যালোকের ক্ষতিকর রশ্মি, অ্যালকোহল, ধূমপান, পরিবেশ দূষণ নানা কারণে হাতের বয়স বাড়তে থাকে। তবে কিছু সহজ অভ্যাস নিয়মিত মেনে চললে হাতের ত্বক দীর্ঘ দিন কোমল ও তরুণ দেখাতে পারে।
১. এসপিএফ: হাতে কালো ছোপ পড়ার মূল কারণ সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি। আর তাই মুখের পাশাপাশি হাতের ত্বককেও সুরক্ষিত রাখতে হবে সানস্ক্রিন দিয়ে। প্রতি দিন বাইরে বেরোনোর সময়ে এবং প্রতি দু’ঘণ্টা অন্তর মুখে ও হাতে মেখে নিতেই হবে সানস্ক্রিন।
২. বার্ধক্যরোধ করার উপাদান: মুখের ত্বকের জন্য যে সমস্ত অ্যান্টি-এজিং উপাদান কাজ করে, সেগুলি আপনার হাতের ত্বকের সুরক্ষাতেও সমান কার্যকর। হাতের তারুণ্য ধরে রাখতে রেটিনয়েড ব্যবহার করতে পারেন, যা ত্বকের গঠন সুন্দর করে এবং কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, পেপটাইড এবং গ্রোথ ফ্যাক্টর হাতের ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে।
৩. ত্বকের উপরের স্তর: হাতে ক্রিম, লোশন, তেলের ব্যবহার যত কম হয়, ততই বেশি হয় সাবানের ব্যবহার। দিনভর ঘন ঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। স্বাস্থ্যবিধির জন্য তা উপকারী হলেও হাতের চামড়ার জন্য তা আদপে ভাল নয়। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হতে থাকে। আর তাই আর্দ্রতা ফেরানোর জন্য সেরামাইড এবং হায়ালুরোনিক উপাদান মেশানো ক্রিম মাখা উচিত ঘন ঘন।
৪. সঠিক ক্রিম: অনেকেই এখন হাতের ত্বকের জন্য নির্দিষ্ট ক্রিম কিনছেন। তবে যে কোনও ময়েশ্চারাইজ়ার নয়, দেখে নিতে হবে তাতে যেন অ্যালকোহল এবং সুগন্ধি না থাকে। এই ধরনের উপাদান উপকারের বদলে অপকার বেশি করবে। এমনকি ত্বকের নানা রকমের রোগের কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে হাতের ওই ক্রিম।
৫. হাত ধোয়ার কৌশল: কর্কশ বা প্রচণ্ড ক্ষারযুক্ত সাবানের বদলে মৃদু সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। তা ছাড়া প্রচণ্ড গরম বা প্রচণ্ড ঠান্ডা জলের বদলে ঈষদুষ্ণ জল ব্যবহার করলে ভাল হয়। তা হলে হাতের উপরের চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।
৬. ট্রিটমেন্ট: মুখের মতো হাতের ত্বকের যত্নেও একই ধরনের আধুনিক ট্রিটমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। হাত এই ধরনের চিকিৎসায় খুব দ্রুত সাড়া দেয় এবং এর ফলাফলও বেশ চোখে পড়ার মতো। ফিলার ব্যবহার করে হাতের ভলিউম বাড়ানো যায় বা টানটান ভাব ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়। আবার, ত্বকের পিগমেন্টেশন বা কালো দাগ দূর করে ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে ‘আইপিএল’ (ইন্টেন্স পালস্ড লাইট) এবং ‘লেজার রিসারফেসিং’ দারুণ কাজ করে। এ ছাড়া, হাতের খসখসে ভাব দূর করে কোলাজেন তৈরি করতে এবং ত্বকের মসৃণতা বাড়াতে রেডিয়ো ফ্রিকোয়েন্সি মাইক্রো নিড্লিং বেশ কার্যকর।
৭. ঘরোয়া কাজ: বাসন মাজা, কাপড় কাচা বা ঘর পরিষ্কার করার সময়ে ব্যবহৃত নানা রাসায়নিক হাতের ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই এ ধরনের কাজের সময়ে দস্তানা ব্যবহার করলে ত্বক অনেকটাই সুরক্ষিত থাকে।
ফারহানা জেরিন