পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার গৌরীগ্রাম ইউনিয়নের হারিয়াকাহন গ্রামে এক বুদ্ধি ও বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে আপস-মীমাংসার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দুই যুব ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। একই সঙ্গে তারা অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং বেআইনি সালিশে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানায় ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস) এবং ভঙ্গী নৃত্য শিল্পালয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ৮ জুলাই দুপুরে ভুক্তভোগীর মা পাশের বাড়িতে গেলে প্রতিবেশী মহব্বত আলী খাঁ (৪৫) ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার চার দিন পর ১২ জুলাই সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, কয়েকজন ইউপি সদস্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিযুক্তকে ২০টি জুতার আঘাতের শাস্তি দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়। পরে সালিশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
যৌথ বিবৃতিতে ইয়্যাসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. শামীউল আলীম শাওন এবং ভঙ্গী নৃত্য শিল্পালয়ের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিন শেখ বলেন, ধর্ষণচেষ্টা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) অনুযায়ী একটি আমলযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের বিচার কেবল আইনানুগ আদালতেই হওয়া উচিত; গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা আইনের পরিপন্থী।
তারা আরও বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ অনুযায়ী বিশেষ সুরক্ষা প্রাপ্য একজন নারীর ঘটনায় এ ধরনের আপসের উদ্যোগ ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করে এবং অপরাধীদের উৎসাহিত করতে পারে। পাশাপাশি অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।
সংগঠন দুটি চার দফা দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো:
অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার নিশ্চিত করা।
বেআইনি সালিশ আয়োজনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা।
লিখিত অভিযোগের অপেক্ষা না করে ভিডিও ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং জনপ্রতিনিধিদের আইনি সচেতনতা প্রশিক্ষণ চালু করা।
ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আইনি সহায়তা, নিরাপত্তা ও মনোসামাজিক সেবা নিশ্চিত করা।
বিবৃতিতে সংগঠন দুটি জানায়, ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা ঘটনাটির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।
মো. শামীউল আলীম শাওন,
লেখক, উন্নয়ন ও অধিকারকর্মী (শ্রেষ্ঠ যুব সম্মাননাপ্রাপ্ত)
প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি, ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস)
সোমবার (১৩ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানায় ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস) এবং ভঙ্গী নৃত্য শিল্পালয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ৮ জুলাই দুপুরে ভুক্তভোগীর মা পাশের বাড়িতে গেলে প্রতিবেশী মহব্বত আলী খাঁ (৪৫) ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যান।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার চার দিন পর ১২ জুলাই সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, কয়েকজন ইউপি সদস্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অভিযুক্তকে ২০টি জুতার আঘাতের শাস্তি দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হয়। পরে সালিশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
যৌথ বিবৃতিতে ইয়্যাসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মো. শামীউল আলীম শাওন এবং ভঙ্গী নৃত্য শিল্পালয়ের সাধারণ সম্পাদক মো. রবিন শেখ বলেন, ধর্ষণচেষ্টা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) অনুযায়ী একটি আমলযোগ্য ও অ-আপসযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের অপরাধের বিচার কেবল আইনানুগ আদালতেই হওয়া উচিত; গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসা আইনের পরিপন্থী।
তারা আরও বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন, ২০১৩ অনুযায়ী বিশেষ সুরক্ষা প্রাপ্য একজন নারীর ঘটনায় এ ধরনের আপসের উদ্যোগ ন্যায়বিচারকে বাধাগ্রস্ত করে এবং অপরাধীদের উৎসাহিত করতে পারে। পাশাপাশি অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।
সংগঠন দুটি চার দফা দাবি জানিয়েছে। দাবিগুলো হলো:
অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচার নিশ্চিত করা।
বেআইনি সালিশ আয়োজনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা।
লিখিত অভিযোগের অপেক্ষা না করে ভিডিও ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং জনপ্রতিনিধিদের আইনি সচেতনতা প্রশিক্ষণ চালু করা।
ভুক্তভোগী ও তাঁর পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে আইনি সহায়তা, নিরাপত্তা ও মনোসামাজিক সেবা নিশ্চিত করা।
বিবৃতিতে সংগঠন দুটি জানায়, ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা ঘটনাটির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে।
মো. শামীউল আলীম শাওন,
লেখক, উন্নয়ন ও অধিকারকর্মী (শ্রেষ্ঠ যুব সম্মাননাপ্রাপ্ত)
প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি, ইয়ুথ এ্যাকশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (ইয়্যাস)
পাবনা প্রতিনিধি: