চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানার বহুল আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোঃ শামীমসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
নিহত মোঃ রিফাত (২৮) পাহাড়তলী থানার আব্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সীতাকুণ্ড উপজেলার জলিল টেক্সটাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
র্যাব জানায়, গত ২৩ জুন সকালে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. সাজ্জাদ আলম শুভ কৌশলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে দক্ষিণ কাট্টলীর আব্দুল সূফী চৌধুরী গ্যারেজসংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁত পেতে থাকা প্রধান আসামি মোঃ শামীম, মারুফ এবং আরও কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার একপর্যায়ে শামীম ধারালো ছুরি দিয়ে রিফাতের বাম পায়ের হাঁটুর ওপর আঘাত করেন। এতে গুরুতর রক্তক্ষরণ হলে অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রিফাতকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ২৪ জুন দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।
র্যাব-৭ জানায়, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই দুপুরে সীতাকুণ্ড উপজেলার জলিল টেক্সটাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শামীম (৩৫) ও এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ সাজ্জাদ আলম শুভকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযানে বায়েজিদ বোস্তামী থানার বালুছড়া এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মারুফ (২৭) এবং হালিশহরের মাইজপাড়া এলাকা থেকে তদন্তে সম্পৃক্ত অভিযুক্ত সুমনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার চার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানার ম,াধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হরেয়ছে।
নিহত মোঃ রিফাত (২৮) পাহাড়তলী থানার আব্দুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন।
রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে সীতাকুণ্ড উপজেলার জলিল টেক্সটাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
র্যাব জানায়, গত ২৩ জুন সকালে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি মো. সাজ্জাদ আলম শুভ কৌশলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে দক্ষিণ কাট্টলীর আব্দুল সূফী চৌধুরী গ্যারেজসংলগ্ন তিন রাস্তার মোড়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁত পেতে থাকা প্রধান আসামি মোঃ শামীম, মারুফ এবং আরও কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার একপর্যায়ে শামীম ধারালো ছুরি দিয়ে রিফাতের বাম পায়ের হাঁটুর ওপর আঘাত করেন। এতে গুরুতর রক্তক্ষরণ হলে অন্য আসামিরাও তাকে মারধর করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রিফাতকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পাহাড়তলী থানায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ২৪ জুন দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।
র্যাব-৭ জানায়, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ জুলাই দুপুরে সীতাকুণ্ড উপজেলার জলিল টেক্সটাইল বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শামীম (৩৫) ও এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ সাজ্জাদ আলম শুভকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পৃথক অভিযানে বায়েজিদ বোস্তামী থানার বালুছড়া এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মারুফ (২৭) এবং হালিশহরের মাইজপাড়া এলাকা থেকে তদন্তে সম্পৃক্ত অভিযুক্ত সুমনকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার চার আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সংশ্লিষ্ট থানার ম,াধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হরেয়ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক