রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানায় ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক যুবতীর কাছ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা আদায়ের অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
মামলার আসামীরা হলেন, মোঃ মেহেদী হাসান ওরফে শাসন (৩১) ও মোঃ আতিকুর রহমান (৪৫)।
এজাহারের বরাত দিয়ে জানা যায়, অভিযোগকারী মিন্নি খাতুনের (ছদ্দ নাম) সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে প্রথম অভিযুক্তের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, ওই ব্যক্তি বিবাহিত। এরপর তিনি সম্পর্ক থেকে সরে আসার চেষ্টা করেন।
এরপর ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রথম অভিযুক্ত রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন শালবাগান এলাকার অভিযোগকারীর ভাড়া বাসায় যান। সেখানে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে তার অজান্তে একটি ভিডিও ও কয়েকটি ব্যক্তিগত ছবি ধারণ করা হয়।
এরপর চলতি বছরের ৮ ফেব্রæয়ারি রাতে দ্বিতীয় অভিযুক্তের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে অভিযোগকারীর বড় ভাইয়ের হোয়াটসঅ্যাপে ওই ভিডিও ও ছবিগুলো পাঠানো হয়। পরে অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী দাবি করেছেন, সামাজিক সম্মান রক্ষার কথা বিবেচনা করে তিনি কয়েক দফায় মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। তবে অর্থ দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা ভিডিও ও ছবিগুলো তার আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে পাঠাতে থাকেন। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা, অডিও রেকর্ড, ভিডিও এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ অভিযোগকারীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক ব্যক্তি অবগত রয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী চন্দ্রিমা থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক যুবতীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২-০৭-২০২৬। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।
মামলার আসামীরা হলেন, মোঃ মেহেদী হাসান ওরফে শাসন (৩১) ও মোঃ আতিকুর রহমান (৪৫)।
এজাহারের বরাত দিয়ে জানা যায়, অভিযোগকারী মিন্নি খাতুনের (ছদ্দ নাম) সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে প্রথম অভিযুক্তের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, ওই ব্যক্তি বিবাহিত। এরপর তিনি সম্পর্ক থেকে সরে আসার চেষ্টা করেন।
এরপর ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রথম অভিযুক্ত রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন শালবাগান এলাকার অভিযোগকারীর ভাড়া বাসায় যান। সেখানে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করে তার অজান্তে একটি ভিডিও ও কয়েকটি ব্যক্তিগত ছবি ধারণ করা হয়।
এরপর চলতি বছরের ৮ ফেব্রæয়ারি রাতে দ্বিতীয় অভিযুক্তের ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে অভিযোগকারীর বড় ভাইয়ের হোয়াটসঅ্যাপে ওই ভিডিও ও ছবিগুলো পাঠানো হয়। পরে অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী দাবি করেছেন, সামাজিক সম্মান রক্ষার কথা বিবেচনা করে তিনি কয়েক দফায় মোট ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। তবে অর্থ দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা ভিডিও ও ছবিগুলো তার আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের কাছে পাঠাতে থাকেন। এতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা, অডিও রেকর্ড, ভিডিও এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যপ্রমাণ অভিযোগকারীর কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক ব্যক্তি অবগত রয়েছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী চন্দ্রিমা থানায় লিখিত এজাহার দাখিল করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এক যুবতীর কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করার অভিযোগে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২-০৭-২০২৬। আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান ওসি।
নিজস্ব প্রতিবেদক