রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী পবার নওহাটা সরকারি খাদ্য গুদামে (ওসিএলএসডি) মালামাল পরিবহনে অনিয়ম, হয়রানি এবং অর্থ দাবির অভিযোগ উঠেছে। গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী হেলেনর বিরুদ্ধে পরিবহন ঠিকাদার ও ট্রাকচালকদের কাছ থেকে টাকা দাবি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবহন ঠিকাদারদের ফোন করে খাদ্য গুদামে ট্রাক আনতে বলা হয়। কিন্তু ট্রাক আসার পর মালামাল লোড করার আগে শ্রমিকদের নামে দুই হাজার টাকা দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী মালামাল বহন করা ট্রাক ডাইভার ও হেল্পারদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গুদামে মালামাল লোডের জন্য আলাদা কোনো অর্থ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। এরপরও টাকা না দিলে ট্রাকে মালামাল তুলতে নানা অজুহাতে বিলম্ব করা হয় কিংবা লোডিং বন্ধ রাখা হয়।
ট্রাকচালক সজীব আলী,সাগর শেখ ও হেলপার বাদশাহ হোসেন রাজা একই ধরনের অভিযোগ করে বলেন, প্রায়ই তাদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে, ফলে সময়মত মালামাল পরিবহন করা সম্ভব হয় না। এতে পরিবহন মালিক ও চালকদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগেও রোববার (১৭মে) সকালে অনিয়ম করে ৩০কেজি ওজনের ৬৬৭ বস্তা করে মোট পাঁচ ট্রাক চাল গুদামে আনলোড করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় ওএমএস ডিলার ও কয়েকজন ব্যক্তি ট্রাকগুলো আটক করে কাগজপত্র যাচাই শুরু করেন। এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
এদিকে মেসার্স শবনম এন্টারপ্রাইজের পরিবহন ঠিকাদারের প্রতিনিধি সাঈদ লাল অভিযোগ করে বলেন, গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী হেলেন আমার এক ট্রাকচালককে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি ২ হাজার টাকা খরচ করলে সাঈদ লালের ২ লাখ টাকা খরচ করাতে পারি। এ বক্তব্যকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন অভিযোগকারীরা। তিনি আরও বলেন, এখানে দীর্ঘদিন থেকেই অনিয়ম চলে আসছে। আমাদের গাড়ি নিয়ে আসতে বলা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে খাদ্য গুদামে গিয়ে (ওসিএলএসডি), নিরাপত্তা প্রহরীসহ দায়িত্বশীল অন্য কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ওসিএলএসডি মিজানুর রহমানের সরকারি বাসভবনে গেলে তিনি বাইরে এসে সাংবাদিকদের দেখতে পেয়ে পুনরায় ভেতরে চলে যান। এরপর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরে বিষয়টি নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) এহেসানুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, লোডিংয়ের কথা বলে ট্রাক ডেকে এনে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা ওসিএলএসডির উচিত হয়নি। তিনি চাইলে আগেই একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিতে পারতেন, যাতে ট্রাকচালক ও হেলপারদের অযথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয়। এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিবহন ঠিকাদারদের ফোন করে খাদ্য গুদামে ট্রাক আনতে বলা হয়। কিন্তু ট্রাক আসার পর মালামাল লোড করার আগে শ্রমিকদের নামে দুই হাজার টাকা দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী মালামাল বহন করা ট্রাক ডাইভার ও হেল্পারদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী গুদামে মালামাল লোডের জন্য আলাদা কোনো অর্থ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। এরপরও টাকা না দিলে ট্রাকে মালামাল তুলতে নানা অজুহাতে বিলম্ব করা হয় কিংবা লোডিং বন্ধ রাখা হয়।
ট্রাকচালক সজীব আলী,সাগর শেখ ও হেলপার বাদশাহ হোসেন রাজা একই ধরনের অভিযোগ করে বলেন, প্রায়ই তাদের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে, ফলে সময়মত মালামাল পরিবহন করা সম্ভব হয় না। এতে পরিবহন মালিক ও চালকদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
প্রসঙ্গত, এর আগেও রোববার (১৭মে) সকালে অনিয়ম করে ৩০কেজি ওজনের ৬৬৭ বস্তা করে মোট পাঁচ ট্রাক চাল গুদামে আনলোড করা হচ্ছিল। এ সময় স্থানীয় ওএমএস ডিলার ও কয়েকজন ব্যক্তি ট্রাকগুলো আটক করে কাগজপত্র যাচাই শুরু করেন। এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।
এদিকে মেসার্স শবনম এন্টারপ্রাইজের পরিবহন ঠিকাদারের প্রতিনিধি সাঈদ লাল অভিযোগ করে বলেন, গুদামের নিরাপত্তা প্রহরী হেলেন আমার এক ট্রাকচালককে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি ২ হাজার টাকা খরচ করলে সাঈদ লালের ২ লাখ টাকা খরচ করাতে পারি। এ বক্তব্যকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছেন অভিযোগকারীরা। তিনি আরও বলেন, এখানে দীর্ঘদিন থেকেই অনিয়ম চলে আসছে। আমাদের গাড়ি নিয়ে আসতে বলা হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে খাদ্য গুদামে গিয়ে (ওসিএলএসডি), নিরাপত্তা প্রহরীসহ দায়িত্বশীল অন্য কোনো কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। পরে ওসিএলএসডি মিজানুর রহমানের সরকারি বাসভবনে গেলে তিনি বাইরে এসে সাংবাদিকদের দেখতে পেয়ে পুনরায় ভেতরে চলে যান। এরপর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পরে বিষয়টি নিয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) এহেসানুল হকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, লোডিংয়ের কথা বলে ট্রাক ডেকে এনে দীর্ঘ সময় আটকে রাখা ওসিএলএসডির উচিত হয়নি। তিনি চাইলে আগেই একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দিতে পারতেন, যাতে ট্রাকচালক ও হেলপারদের অযথা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে না হয়। এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিষয়টি যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
আলিফ হোসেন