মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুনের ছক কষেছে ইরান। আমেরিকার সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইজ়রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসকে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার পরে ট্রাম্পকে খুন করার নতুন পরিকল্পনা করছে তেহরান। আর সে কথাই বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটনকে।
ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার তুরস্কে নেটো শীর্ষবৈঠক শেষে আমেরিকায় ফেরার পরে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তিনি ইরানের ‘হিট লিস্টে’ প্রথম স্থানে রয়েছেন! মার্কিন প্রেসিডেন্টের আশঙ্কা, মাঝ-আকাশে তাঁর বিমানে হামলা হতে পারে। তুরস্কের বৈঠকে যোগ দিতে কাতারের উপহার দেওয়া নতুন ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ ব্যবহার করলেও ট্রাম্প আমেরিকায় ফিরেছিলেন অন্য একটি বিমানে। ট্রাম্পের সফরসঙ্গী যে সাংবাদিকেরা বিমানে ছিলেন, তাঁদের নিজ নিজ আসনের পাশের জানলা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর কারণ বর্ণনা করার সময়ে তিনি বলেন, “আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন। ওরা (ইরানিরা) খুব বাজে লোক… আমাকে সবসময়ই হুমকির মুখে থাকতে হয়। ওদের তালিকায় (হিট লিস্টে) একেবারে প্রথমেই রয়েছি আমি। আমার যদি কিছু হয়, তবে আপনাদেরও একই অবস্থা হবে।”
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, ওয়াশিংটনের ইজরায়েলি দূতাবাস ইরানের চক্রান্ত সম্পর্কে মার্কিন গোয়েন্দাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছিল। সেই কারণেই মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথের পরিকল্পনা মতো অন্য একটি পুরনো বিমানে ব্রিটেন ঘুরে আমেরিকায় ফিরেছেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মার্কিন সেনার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার কাসেম সুলেমানি। সে সময় তেহরান প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল হোয়াইট হাউসকে। এর পরে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পেনসিলভেনিয়ায় ভোটপ্রচারে বক্তৃতা দেওয়ার সময় আক্রান্ত হয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর মঞ্চ থেকে ১৩০ গজ (১১৯ মিটার) দূরে একটি উঁচু ছাদ থেকে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছুড়েছিলেন টমাস ক্রুকস নামে হামলাকারী। ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় সেই গুলি। যদিও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের হুমকি নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দারা অতীতে সতর্কবার্তা দিয়েছিল, পেনসিলভেনিয়ায় টমাস ক্রুকসের হামলার সঙ্গে তেহরানের সরাসরি যোগসূত্র সরকারি তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ঘটনাচক্রে, গত জুনে হোয়াইট হাউসে ইউএফসি কেজ-ফাইটিং অনুষ্ঠানে ড্রোন ও স্নাইপার হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ওই ইভেন্টে ব্যর্থ হামলার ছক আঁকার দায়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ওহাইওতে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও সন্ত্রাসবাদের ষড়যন্ত্রের এই অভিযোগ আনা হয়।
কিন্তু ইজ়রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের তরফে যে তথ্য আমেরিকাকে দেওয়া হয়েছে, তা ইরানের সাম্প্রতিক পরিকল্পনা বলেই দাবি ওই প্রতিবেদনের। বুধবার রাতে ট্রাম্প নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করার পর থেকে এ পর্যন্ত সে দেশের প্রায় দুশোটি জায়গায় হামলা চালিয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। জবাবে পশ্চিম এশিয়ায় ‘আমেরিকার মিত্র’ কুয়েত, বাহরিন, কাতার এবং জর্ডনে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর ফলে গত ১৭ জুন ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানের সই করা অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতির সমঝোতা (মউ) কার্যত নিষ্ফল হয়ে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। তেহরান অভিযোগ করেছে, তাদের বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র মার্কিন যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যেই নিজের জন্মস্থান মাশহাদ শহরে লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে (ভারতীয় সময়) সমাহিত করা হয়েছে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। অষ্টম শিয়া ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে তাঁর শেষকৃত্য হয়।
ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার তুরস্কে নেটো শীর্ষবৈঠক শেষে আমেরিকায় ফেরার পরে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন তিনি ইরানের ‘হিট লিস্টে’ প্রথম স্থানে রয়েছেন! মার্কিন প্রেসিডেন্টের আশঙ্কা, মাঝ-আকাশে তাঁর বিমানে হামলা হতে পারে। তুরস্কের বৈঠকে যোগ দিতে কাতারের উপহার দেওয়া নতুন ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ ব্যবহার করলেও ট্রাম্প আমেরিকায় ফিরেছিলেন অন্য একটি বিমানে। ট্রাম্পের সফরসঙ্গী যে সাংবাদিকেরা বিমানে ছিলেন, তাঁদের নিজ নিজ আসনের পাশের জানলা বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এর কারণ বর্ণনা করার সময়ে তিনি বলেন, “আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন। ওরা (ইরানিরা) খুব বাজে লোক… আমাকে সবসময়ই হুমকির মুখে থাকতে হয়। ওদের তালিকায় (হিট লিস্টে) একেবারে প্রথমেই রয়েছি আমি। আমার যদি কিছু হয়, তবে আপনাদেরও একই অবস্থা হবে।”
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি, ওয়াশিংটনের ইজরায়েলি দূতাবাস ইরানের চক্রান্ত সম্পর্কে মার্কিন গোয়েন্দাদের সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছিল। সেই কারণেই মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথের পরিকল্পনা মতো অন্য একটি পুরনো বিমানে ব্রিটেন ঘুরে আমেরিকায় ফিরেছেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে মার্কিন সেনার ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছিলেন ইরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কোর’ (আইআরজিসি)-এর কমান্ডার কাসেম সুলেমানি। সে সময় তেহরান প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল হোয়াইট হাউসকে। এর পরে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পেনসিলভেনিয়ায় ভোটপ্রচারে বক্তৃতা দেওয়ার সময় আক্রান্ত হয়েছিলেন ট্রাম্প। তাঁর মঞ্চ থেকে ১৩০ গজ (১১৯ মিটার) দূরে একটি উঁচু ছাদ থেকে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছুড়েছিলেন টমাস ক্রুকস নামে হামলাকারী। ট্রাম্পের কান ছুঁয়ে বেরিয়ে যায় সেই গুলি। যদিও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের হুমকি নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দারা অতীতে সতর্কবার্তা দিয়েছিল, পেনসিলভেনিয়ায় টমাস ক্রুকসের হামলার সঙ্গে তেহরানের সরাসরি যোগসূত্র সরকারি তদন্তে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ঘটনাচক্রে, গত জুনে হোয়াইট হাউসে ইউএফসি কেজ-ফাইটিং অনুষ্ঠানে ড্রোন ও স্নাইপার হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ওই ইভেন্টে ব্যর্থ হামলার ছক আঁকার দায়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ওহাইওতে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও সন্ত্রাসবাদের ষড়যন্ত্রের এই অভিযোগ আনা হয়।
কিন্তু ইজ়রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের তরফে যে তথ্য আমেরিকাকে দেওয়া হয়েছে, তা ইরানের সাম্প্রতিক পরিকল্পনা বলেই দাবি ওই প্রতিবেদনের। বুধবার রাতে ট্রাম্প নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘোষণা করার পর থেকে এ পর্যন্ত সে দেশের প্রায় দুশোটি জায়গায় হামলা চালিয়েছে পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। জবাবে পশ্চিম এশিয়ায় ‘আমেরিকার মিত্র’ কুয়েত, বাহরিন, কাতার এবং জর্ডনে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর ফলে গত ১৭ জুন ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানের সই করা অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতির সমঝোতা (মউ) কার্যত নিষ্ফল হয়ে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। তেহরান অভিযোগ করেছে, তাদের বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র মার্কিন যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যেই নিজের জন্মস্থান মাশহাদ শহরে লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে (ভারতীয় সময়) সমাহিত করা হয়েছে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। অষ্টম শিয়া ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে তাঁর শেষকৃত্য হয়।
আন্তজার্তিক ডেস্ক