নতুন করে যুদ্ধ শুরুর দ্বিতীয় দিনে কুয়েত, বাহরিন এবং কাতারে হামলা চালাল ইরান। পশ্চিম এশিয়ায় ‘আমেরিকার মিত্র’ ওই তিন দেশে মার্কিন সেনাঘাঁটি নিশানা করে ইরানের ‘ইসলামি রেভলিউশনারি গার্ডস কোর’ (আইআরজিসি) ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। জবাবে ইরানের প্রায় ১০০টি লক্ষ্যে বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টিকম)। তাতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
গত দু’দিনে এই নিয়ে ইরানের প্রায় ২০০টি এলাকায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এর ফলে গত ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানের সই করা অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি সমঝোতা (মউ) কার্যত নিষ্ফল হয়ে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে পশ্চিম এশিয়ায় দেশ জর্ডনের রাজধানী আম্মানে বার বার সাইরেন বেজেছে বলে সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেখানেও ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরান ফৌজের তরফে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে বাহরিনে— মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর নিশানা করে।
বুধবার রাতে সেন্টিকমের তরফে সমাজমাধ্যমের পোস্টে ইরানে হামলার খবর জানানো হয়েছিল। এক্স হ্যান্ডলে তারা লেখে, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে তাদের বাহিনী হরমুজ় প্রণালীতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইরানের এই আস্ফালন অযৌক্তিক, বিপজ্জনক এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল আমেরিকার সেনাবাহিনী।” হামলা-পাল্টা হামলার এই আবহেই বৃহস্পতিবার ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে সমাহিত করা হবে। পেজ়েশকিয়ান সরকার জানিয়েছে, মার্কিন বিমানহানায় তেহরান থেকে মাশহাদে যাওয়ার রেলপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলে বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিয়ারদের বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রুটটি চালুর চেষ্টা করছে তারা। পথে আটকে পড়া যাত্রীদের মাশহাদে পৌঁছানোর জন্য নেওয়া হয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা।
গত দু’দিনে এই নিয়ে ইরানের প্রায় ২০০টি এলাকায় হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। এর ফলে গত ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানের সই করা অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি সমঝোতা (মউ) কার্যত নিষ্ফল হয়ে পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে পশ্চিম এশিয়ায় দেশ জর্ডনের রাজধানী আম্মানে বার বার সাইরেন বেজেছে বলে সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেখানেও ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরান ফৌজের তরফে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে বাহরিনে— মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর নিশানা করে।
বুধবার রাতে সেন্টিকমের তরফে সমাজমাধ্যমের পোস্টে ইরানে হামলার খবর জানানো হয়েছিল। এক্স হ্যান্ডলে তারা লেখে, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নির্দেশে তাদের বাহিনী হরমুজ় প্রণালীতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইরানের এই আস্ফালন অযৌক্তিক, বিপজ্জনক এবং যুদ্ধবিরতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করল আমেরিকার সেনাবাহিনী।” হামলা-পাল্টা হামলার এই আবহেই বৃহস্পতিবার ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে সমাহিত করা হবে। পেজ়েশকিয়ান সরকার জানিয়েছে, মার্কিন বিমানহানায় তেহরান থেকে মাশহাদে যাওয়ার রেলপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল স্থগিত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ঘটনাস্থলে বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিয়ারদের বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রুটটি চালুর চেষ্টা করছে তারা। পথে আটকে পড়া যাত্রীদের মাশহাদে পৌঁছানোর জন্য নেওয়া হয়েছে বিকল্প ব্যবস্থা।
আন্তজার্তিক ডেস্ক