বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল ছিটকে যাওয়ার পরই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন নেমার। যে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ২০১১ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছিলেন, সেই স্টেডিয়ামেই খেলেছেন ব্রাজিলের হয়ে শেষ ম্যাচ। কিন্তু নেমারের এই বিদায় মানতে পারছেন না তাঁর বাবা নেমার সিনিয়র। ছেলেকে ফিরে আসার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও আরও কিছু দিন পেশাদার ফুটবল খেলতে চান নেমার। কিন্তু তাঁর বাবা চান, আরও কিছু দিন দেশের হয়ে খেলুন তিনি। সমাজমাধ্যমে ছেলেকে আর্জি জানিয়ে পোস্ট করেছেন নেমার সিনিয়র। স্মৃতিচারণা করে তিনি লিখেছেন, ‘‘বিশাল একটা পথ আমরা একসঙ্গে পাড়ি দিলাম। বাধা-বিপত্তি ছিল। অনেক কষ্ট ছিল। তবে এই পথ চলায় ক্লান্তি ছিল না। এই তো সে দিনের কথা। ছোট্ট ছেলেটা ফুটবল পায়ে স্বপ্ন দেখত। কখনও ভাবিনি ঈশ্বর তাকে এত দূর পৌঁছে দেবেন। যদিও অল্প বয়সেই বুঝতে পেরেছিলাম, তোমার মধ্যে বিশেষ কিছু আছে।’’
ছেলের ফুটবল নিয়ে নেমার সিনিয়র আরও লিখেছেন, ‘‘তোমার এই পুরো পথের সঙ্গী ছিলাম। তোমার প্রথম গোল, সাফল্য, অভিষেক— সব স্মৃতি এখনও টাটকা। বড় বড় সব স্টেডিয়ামে খেলা, ট্রফি জেতা, বিদেশে যাওয়া, ব্রাজিল দলে সুযোগ— সব দেখেছি। চোখের সামনে দেখলাম আমার ছোট্ট ছেলেটা কী ভাবে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হয়ে উঠল। বাবা হিসাবে এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়ার থাকতে পারে।’’
শেষে ছেলেকে অনুরোধের সুরে নেমার সিনিয়র বলেছেন, ‘‘আমরা একসঙ্গে কেঁদেছি, হেসেছি, শিখেছি। উদ্যাপন করেছি। ঈশ্বরের আশীর্বাদ না থাকলে কখনও এই সাফল্য সম্ভব হত না। বাবা হিসাবে একটাই শেষ অনুরোধ, তুমি খেলা চালিয়ে যাও।’’ বাবার অনুরোধ কি নেমার রাখবেন?
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও আরও কিছু দিন পেশাদার ফুটবল খেলতে চান নেমার। কিন্তু তাঁর বাবা চান, আরও কিছু দিন দেশের হয়ে খেলুন তিনি। সমাজমাধ্যমে ছেলেকে আর্জি জানিয়ে পোস্ট করেছেন নেমার সিনিয়র। স্মৃতিচারণা করে তিনি লিখেছেন, ‘‘বিশাল একটা পথ আমরা একসঙ্গে পাড়ি দিলাম। বাধা-বিপত্তি ছিল। অনেক কষ্ট ছিল। তবে এই পথ চলায় ক্লান্তি ছিল না। এই তো সে দিনের কথা। ছোট্ট ছেলেটা ফুটবল পায়ে স্বপ্ন দেখত। কখনও ভাবিনি ঈশ্বর তাকে এত দূর পৌঁছে দেবেন। যদিও অল্প বয়সেই বুঝতে পেরেছিলাম, তোমার মধ্যে বিশেষ কিছু আছে।’’
ছেলের ফুটবল নিয়ে নেমার সিনিয়র আরও লিখেছেন, ‘‘তোমার এই পুরো পথের সঙ্গী ছিলাম। তোমার প্রথম গোল, সাফল্য, অভিষেক— সব স্মৃতি এখনও টাটকা। বড় বড় সব স্টেডিয়ামে খেলা, ট্রফি জেতা, বিদেশে যাওয়া, ব্রাজিল দলে সুযোগ— সব দেখেছি। চোখের সামনে দেখলাম আমার ছোট্ট ছেলেটা কী ভাবে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হয়ে উঠল। বাবা হিসাবে এর চেয়ে বেশি আর কী চাওয়ার থাকতে পারে।’’
শেষে ছেলেকে অনুরোধের সুরে নেমার সিনিয়র বলেছেন, ‘‘আমরা একসঙ্গে কেঁদেছি, হেসেছি, শিখেছি। উদ্যাপন করেছি। ঈশ্বরের আশীর্বাদ না থাকলে কখনও এই সাফল্য সম্ভব হত না। বাবা হিসাবে একটাই শেষ অনুরোধ, তুমি খেলা চালিয়ে যাও।’’ বাবার অনুরোধ কি নেমার রাখবেন?
মিজানুর রহমান টনি