ভরপেট খেয়ে তাড়াহুড়োয় কাজে বেরোনো কিংবা বিছানায় আরাম করে গা এলিয়ে দেওয়া, এমন একাধিক অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। কিন্তু জানেন কি, দৈনন্দিন এমন অনেক ছোটখাটো বিষয়ই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত পেট ভরে খাওয়ার পরে বেশ কিছু কাজ করা একেবারেই উচিত নয়।
খেয়ে গা এলিয়ে দেওয়া: খাওয়ার পরেই ঘুম? এমন অভ্যাস থাকে অনেকেরই। যাঁরা সারা সপ্তাহ সময় পান না, তাঁরা ছুটির দিনে খেয়েই বিছানায় গা এলিয়ে দিতে চান। এতে আরাম যত, ক্ষতিও ততটা। বিশেষত নিয়মিত যাঁরা খাওয়ার পরেই ঘুমোন, তাঁদের হজমের সমস্যা হতে পারে। খাওয়ার পরে দিবানিদ্রার অভ্যাসে তৈরি হতে পারে ‘জিইআরডি’ অর্থাৎ, ‘গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ’। এটি হল একটি হজমের অসুখ। খেয়েই শুয়ে পড়লে অ্যাসিড উল্টোপথে খাদ্যনালীতে চলে আসে। পাকস্থলীতে অ্যাসিড থেকে বাঁচার আস্তরণ রয়েছে। কিন্তু তা খাদ্যনালীতে নেই। ফলে অ্যাসিড খাদ্যনালীর সংস্পর্শে এলে বুক জ্বালা, অম্বল শুরু হয়।
খাওয়ার পরেই সিগারেট: খেয়েই ধূমপান না করলে অনেকের স্বস্তি হয় না। ধূমপায়ীদের এই অভ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর। সিগারেটের নিকোটিন এমনিতেই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তা শুধু পরিপাকের কাজে ব্যাঘাত ঘটায় না, সেই সঙ্গে খাদ্যনালীর পেশিগুলি শিথিল করে দেয়, যা পাকস্থলীর অ্যাসিডকে তার নির্দিষ্ট স্থানে ধরে রাখে, ফলে সমস্যা আরও বাড়ে।
খাওয়ার পড়েই দৌড়ঝাঁপ: খাওয়ার পরে পায়চারি বা আস্তে হাঁটা ভাল। তাড়াহুড়ো বা দৌড়ঝাঁপ একেবারেই নয়। অনেকেই ভরপেট খেয়ে অফিসের জন্য বেরিয়ে পড়েন। ব্যস্ততার সময়ে ট্রেন বা বাস ধরার জন্য দৌড়োদৌড়িও করতে হয়। তা ছাড়া খাওয়ার পরে জোরে হাঁটা, শারীরচর্চা কোনওটাই চলে না।
খাওয়ার পরেই চা-কফি: অনেকেই ভরপেট খাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে চা বা কফি খেতে পছন্দ করেন। এই অভ্যাসে হজমে যেমন সমস্যা হতে পারে তেমনই খাওয়ার পরে আয়রন শোষণে অসুবিধা হতে পারে। ফলে ভরপেট খাওয়ার অন্তত ১-২ ঘণ্টা পরে চা খাওয়া যেতে পারে, আগে নয়।
খাওয়ার পরেই স্নান: খেয়ে উঠে স্নান করেন অনেকে। কিন্তু খাওয়ার পরেই স্নান করলে হজমে সমস্যা হতে পারে। পেট ভরে খাওয়ার পর হজম প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বেশি মাত্রায় রক্ত চলাচল শুরু হয়। সেই সময়ে স্নান করলে আচমকা তাপমাত্রার হেরফের হতে পারে। তাতে হজমের ব্যাঘাত ঘটে।
খেয়ে গা এলিয়ে দেওয়া: খাওয়ার পরেই ঘুম? এমন অভ্যাস থাকে অনেকেরই। যাঁরা সারা সপ্তাহ সময় পান না, তাঁরা ছুটির দিনে খেয়েই বিছানায় গা এলিয়ে দিতে চান। এতে আরাম যত, ক্ষতিও ততটা। বিশেষত নিয়মিত যাঁরা খাওয়ার পরেই ঘুমোন, তাঁদের হজমের সমস্যা হতে পারে। খাওয়ার পরে দিবানিদ্রার অভ্যাসে তৈরি হতে পারে ‘জিইআরডি’ অর্থাৎ, ‘গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ’। এটি হল একটি হজমের অসুখ। খেয়েই শুয়ে পড়লে অ্যাসিড উল্টোপথে খাদ্যনালীতে চলে আসে। পাকস্থলীতে অ্যাসিড থেকে বাঁচার আস্তরণ রয়েছে। কিন্তু তা খাদ্যনালীতে নেই। ফলে অ্যাসিড খাদ্যনালীর সংস্পর্শে এলে বুক জ্বালা, অম্বল শুরু হয়।
খাওয়ার পরেই সিগারেট: খেয়েই ধূমপান না করলে অনেকের স্বস্তি হয় না। ধূমপায়ীদের এই অভ্যাস অত্যন্ত ক্ষতিকর। সিগারেটের নিকোটিন এমনিতেই স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। তা শুধু পরিপাকের কাজে ব্যাঘাত ঘটায় না, সেই সঙ্গে খাদ্যনালীর পেশিগুলি শিথিল করে দেয়, যা পাকস্থলীর অ্যাসিডকে তার নির্দিষ্ট স্থানে ধরে রাখে, ফলে সমস্যা আরও বাড়ে।
খাওয়ার পড়েই দৌড়ঝাঁপ: খাওয়ার পরে পায়চারি বা আস্তে হাঁটা ভাল। তাড়াহুড়ো বা দৌড়ঝাঁপ একেবারেই নয়। অনেকেই ভরপেট খেয়ে অফিসের জন্য বেরিয়ে পড়েন। ব্যস্ততার সময়ে ট্রেন বা বাস ধরার জন্য দৌড়োদৌড়িও করতে হয়। তা ছাড়া খাওয়ার পরে জোরে হাঁটা, শারীরচর্চা কোনওটাই চলে না।
খাওয়ার পরেই চা-কফি: অনেকেই ভরপেট খাওয়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে চা বা কফি খেতে পছন্দ করেন। এই অভ্যাসে হজমে যেমন সমস্যা হতে পারে তেমনই খাওয়ার পরে আয়রন শোষণে অসুবিধা হতে পারে। ফলে ভরপেট খাওয়ার অন্তত ১-২ ঘণ্টা পরে চা খাওয়া যেতে পারে, আগে নয়।
খাওয়ার পরেই স্নান: খেয়ে উঠে স্নান করেন অনেকে। কিন্তু খাওয়ার পরেই স্নান করলে হজমে সমস্যা হতে পারে। পেট ভরে খাওয়ার পর হজম প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য বেশি মাত্রায় রক্ত চলাচল শুরু হয়। সেই সময়ে স্নান করলে আচমকা তাপমাত্রার হেরফের হতে পারে। তাতে হজমের ব্যাঘাত ঘটে।
ফারহানা জেরিন