নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের সিংড়া পৌরশহরের অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা সিংড়া বাসস্ট্যান্ড। প্রতিদিন এ স্থান দিয়ে রাজধানী ঢাকা, বিভাগীয় শহর রাজশাহী, বগুড়া এবং নাটোর জেলা সদরে নিয়মিত যাতায়াত করেন শত শত যাত্রী। তবে গুরুত্বপূর্ণ এই বাসস্ট্যান্ডে কোনো যাত্রীছাউনি না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রখর রোদ আর মুষলধারে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে তাদের আশপাশের দোকানপাট বা হোটেল-স্টলে আশ্রয় নিতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের সময় পূর্বের ছোট যাত্রীছাউনিটি ভেঙে ফেলা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দীর্ঘ আট বছর পার হয়ে গেলেও সেখানে নতুন কোনো যাত্রীছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাসের জন্য অপেক্ষমাণ নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। বসার কোনো জায়গা না থাকায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অনেককে। এ সময় কথা হয় কয়েকজন যাত্রীর সাথে।
নিজাম মন্ডল নামের এক রাজশাহীগামী যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সিংড়া এখন অনেক বড় শহর। প্রতিদিন এখান থেকে শত শত মানুষ বিভিন্ন জায়গায় যায়। কিন্তু একটা বাসস্ট্যান্ডে বসার মতো কোনো জায়গা থাকবে না, এটা ভাবা যায় না! গরমের দিনে রোদে পুড়তে হয়, আর বর্ষায় একটু বৃষ্টি আসলেই দৌড়ে কোনো দোকানের নিচে গিয়ে লুকাতে হয়।
ঢাকাগামী অপর এক নারী যাত্রী মোছা: কুলসুম বেগম তাঁর দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, বাচ্চা সাথে নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করা এখানে যেন এক নরকযন্ত্রণা। কোনো টয়লেটের ব্যবস্থা নেই, বসার জায়গা নেই। আগে একটা ছাউনি ছিল, সেটাও ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমাদের মতো নারী ও শিশুদের কষ্টের কথা চিন্তা করে এখানে দ্রুত একটা আধুনিক যাত্রীছাউনি করা দরকার।" বলে তিনি দাবি করেন।
জামাল উদ্দিন নামের এক ঔষধ ব্যবসায়ি বলেন, আমার বাড়ি কলম বাজার। ঔষুধ কেনার সুবাদে আমি নিয়মিত বগুড়ায় যাতায়াত করি। সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এসে বাসের জন্য আধা ঘন্টা-এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় । বেশিক্ষণ সময় ধরে চা স্টলে বসে থাকতে দিতে চায় না দোকানিরা। যাত্রীছাইনি নির্মাণ সিংড়াবাসীর এখন সময়ের দাবি। তিনি বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপির কাছে দ্রুত যাত্রীছাউনি নির্মাণের দাবি করেন।
নাটোর জেলা ট্রাক,ট্যাংকলরী,কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীছাউনি না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। এ বিষয়ে আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপি মহোদয়কে কয়েকবার অবগত করেছি। এমপি মহোদয় আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।
এ বিষয়ে নাটোর-৩, (সিংড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপি এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ অনেকেই বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। যাত্রীদের এই দুর্ভোগ আমি গভীরভাবে অনুধাবন করেছি।
আমি এখন সিংড়াবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আপনাদের এই কষ্টের দিন এবার শেষ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই এখানে একটি আধুনিক, সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত যাত্রীছাউনি নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। খুব দ্রুতই এর দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে। এটি কেবল একটি ছাউনি হবে না, এখানে যাত্রীদের বসার সুব্যবস্থা ও আধুনিক টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থাকবে, যাতে দূরপাল্লার যাত্রীদের আর কোনো হোটেল বা দোকানে গিয়ে অপেক্ষা করতে না হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের সময় পূর্বের ছোট যাত্রীছাউনিটি ভেঙে ফেলা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দীর্ঘ আট বছর পার হয়ে গেলেও সেখানে নতুন কোনো যাত্রীছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাসের জন্য অপেক্ষমাণ নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। বসার কোনো জায়গা না থাকায় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অনেককে। এ সময় কথা হয় কয়েকজন যাত্রীর সাথে।
নিজাম মন্ডল নামের এক রাজশাহীগামী যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সিংড়া এখন অনেক বড় শহর। প্রতিদিন এখান থেকে শত শত মানুষ বিভিন্ন জায়গায় যায়। কিন্তু একটা বাসস্ট্যান্ডে বসার মতো কোনো জায়গা থাকবে না, এটা ভাবা যায় না! গরমের দিনে রোদে পুড়তে হয়, আর বর্ষায় একটু বৃষ্টি আসলেই দৌড়ে কোনো দোকানের নিচে গিয়ে লুকাতে হয়।
ঢাকাগামী অপর এক নারী যাত্রী মোছা: কুলসুম বেগম তাঁর দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, বাচ্চা সাথে নিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করা এখানে যেন এক নরকযন্ত্রণা। কোনো টয়লেটের ব্যবস্থা নেই, বসার জায়গা নেই। আগে একটা ছাউনি ছিল, সেটাও ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমাদের মতো নারী ও শিশুদের কষ্টের কথা চিন্তা করে এখানে দ্রুত একটা আধুনিক যাত্রীছাউনি করা দরকার।" বলে তিনি দাবি করেন।
জামাল উদ্দিন নামের এক ঔষধ ব্যবসায়ি বলেন, আমার বাড়ি কলম বাজার। ঔষুধ কেনার সুবাদে আমি নিয়মিত বগুড়ায় যাতায়াত করি। সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এসে বাসের জন্য আধা ঘন্টা-এক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয় । বেশিক্ষণ সময় ধরে চা স্টলে বসে থাকতে দিতে চায় না দোকানিরা। যাত্রীছাইনি নির্মাণ সিংড়াবাসীর এখন সময়ের দাবি। তিনি বর্তমান সাংসদ আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপির কাছে দ্রুত যাত্রীছাউনি নির্মাণের দাবি করেন।
নাটোর জেলা ট্রাক,ট্যাংকলরী,কাভার্ডভ্যান ও ট্রাক্টর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীছাউনি না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। এ বিষয়ে আমরা স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপি মহোদয়কে কয়েকবার অবগত করেছি। এমপি মহোদয় আমাদের আশ্বস্ত করেছেন।
এ বিষয়ে নাটোর-৩, (সিংড়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু এমপি এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ অনেকেই বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। যাত্রীদের এই দুর্ভোগ আমি গভীরভাবে অনুধাবন করেছি।
আমি এখন সিংড়াবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, আপনাদের এই কষ্টের দিন এবার শেষ হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই এখানে একটি আধুনিক, সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত যাত্রীছাউনি নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। খুব দ্রুতই এর দৃশ্যমান কাজ শুরু হবে। এটি কেবল একটি ছাউনি হবে না, এখানে যাত্রীদের বসার সুব্যবস্থা ও আধুনিক টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থাকবে, যাতে দূরপাল্লার যাত্রীদের আর কোনো হোটেল বা দোকানে গিয়ে অপেক্ষা করতে না হয়।
সৌরভ সোহরাব সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ