"উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬। বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) আত্রাই উপজেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সোমবার (৬ জুলাই) দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে সমবায়ী, সুফলভোগী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন মীর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু।
উপজেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা পি. এম. কামরুজ্জামান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, আত্রাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল জলিল চকলেট, সাধারণ সম্পাদক মো. তসলিম উদ্দিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান সরদারসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। পল্লী উন্নয়ন, সমবায় কার্যক্রম, কৃষি আধুনিকায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এই চারটি খাত দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সহজ শর্তে ঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, কৃষি সহায়তা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করছে।
তিনি আরও বলেন, "উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ" শুধু একটি প্রতিপাদ্য নয়, এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সফল করতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সমবায়ী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ এবং উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পল্লী উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সকল দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি সরকারি সহায়তার সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শেষে তিনি একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন গ্রামবাংলা গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে সমবায়ী ও সুফলভোগীদের মাঝে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আপ্যায়ন এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গ্রামীণ উদ্যোক্তা ও সমবায়ীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ করা হয়।
একই অনুষ্ঠানে সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের উদ্যোগে ২৭ জন উপকারভোগীর মাঝে ৫৪ বান্ডিল ঢেউটিন, ৩২ জনকে গৃহনির্মাণ সহায়তা হিসেবে নগদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে অর্থ প্রদান এবং ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিশেষ আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, সমবায়ী সদস্য, সুফলভোগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে সমবায়ী, সুফলভোগী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন মীর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু।
উপজেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা পি. এম. কামরুজ্জামান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হান্নান, আত্রাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আব্দুল জলিল চকলেট, সাধারণ সম্পাদক মো. তসলিম উদ্দিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মান্নান সরদারসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। পল্লী উন্নয়ন, সমবায় কার্যক্রম, কৃষি আধুনিকায়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি—এই চারটি খাত দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বাস্তবমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সহজ শর্তে ঋণ, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, কৃষি সহায়তা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করছে।
তিনি আরও বলেন, "উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ" শুধু একটি প্রতিপাদ্য নয়, এটি একটি জাতীয় অঙ্গীকার। সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সফল করতে জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সমবায়ী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণে বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ এবং উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পল্লী উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত প্রক্রিয়া। সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়নে সকল দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি সরকারি সহায়তার সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শেষে তিনি একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন গ্রামবাংলা গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে সমবায়ী ও সুফলভোগীদের মাঝে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। পরে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আপ্যায়ন এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে গ্রামীণ উদ্যোক্তা ও সমবায়ীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সহজ শর্তে ঋণ বিতরণ করা হয়।
একই অনুষ্ঠানে সরকারি সহায়তার অংশ হিসেবে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের উদ্যোগে ২৭ জন উপকারভোগীর মাঝে ৫৪ বান্ডিল ঢেউটিন, ৩২ জনকে গৃহনির্মাণ সহায়তা হিসেবে নগদ ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে অর্থ প্রদান এবং ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বিশেষ আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, সমবায়ী সদস্য, সুফলভোগী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি :