ইংরেজিতে একটি কথা আছে— ‘দ্য স্মলেস্ট অফ কফিন্স আর অলওয়েজ দ্য হেভিয়েস্ট’। বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায়, কফিন যত ছোট, তার ভার যেন তত বেশি! তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সবুজ-সাদা-লাল পতাকায় মোড়া আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিশাল কফিনের পাশে রাখা ছোট্ট কফিন দেখে পূর্বোক্ত কথাটি স্মরণে আসে।
সন্দেহ নেই, আকারে ছোট হলেও বাকিগুলির তুলনায় অনেক ভারী এই ছোট্ট কফিন। তাতে শুয়ে রয়েছে জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানি। ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের ১৪ মাসের নাতনি। কফিনের পাশেই রাখা রয়েছে সাদা ফ্রেমে বাঁধানো ছবি— নীল চোখ মেলে তাকিয়ে রয়েছে সোনালি চুলের সেই খুদে, মুখে চুষি গোঁজা। সে কফিন যে অনেক ভারী, মানছেন তেহরানে প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা লোকজন। বলছেন, ‘‘আমেরিকা নিপাত যাক!’’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে জোট বেঁধে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। তাতে প্রাণ হারান খামেনেই এবং তাঁর পরিবারের বেশ কয়েক জন। সেই হামলায় নিহত হয় ছোট্ট জ়াহরাও। শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় খামেনেই এবং তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের কফিনবন্দি দেহ। তার আগে সেগুলি কোথায় রাখা ছিল, তা ইরানের তরফে জানানো হয়নি। ইসলামিক রিপাবলিকের তিনরঙা পতাকায় মোড়া ছিল কফিনগুলি। খামেনেইয়ের দেহ যে কফিনে, তার উপরে রাখা রয়েছে তাঁর কালো পাগড়ি। সেই কফিনের পাশেই রাখা ছোট্ট জ়াহরার কফিন।
শুক্রবার গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে শেষশ্রদ্ধা জানান সে দেশের মন্ত্রী, বিশিষ্টজন। অনেকের চোখেই ছিল জল। শনিবার সকালে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় গ্র্যান্ড মোসাল্লার দরজা। তার পরেই লাল পতাকা হাতে সেখানে প্রবেশ করতে থাকেন হাজার হাজার মানুষ। তাঁদের কাছে লাল পতাকা প্রতিশোধের প্রতীক। মুখেও ছিল সেই স্লোগান— ‘বদলা, বদলা’, ‘নিপাত যাক আমেরিকা’।
শুক্রবার থেকে ছ’দিন ধরে ইরান এবং ইরাকের বিভিন্ন শহরে খামেনেই এবং তাঁর আত্মীয়দের শেষবিদায় জানাবেন মানুষজন। সোমবার পর্যন্ত তেহরানে রাখা থাকবে দেহ। মঙ্গলবার কুমে নিয়ে যাওয়া হবে কফিনগুলি। বুধবার ইরাকের বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। বৃহস্পতিবার খামেনেইয়ের নিজের শহর, উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশাদে হবে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। সেখানেই সমাধিস্থ করা হবে খামেনেই ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের। গোটা প্রক্রিয়া চলবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে। ইরান আগেই জানিয়ে দিয়েছে, শেষকৃত্যের সময় আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও হামলা হলে ‘চরম প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে।
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ভারত থেকে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। ইরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস থেকে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে খামেনেইয়ের উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়েছে। ওই পোস্টে কয়েক জন ভারতীয় নেতার শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের ছবি রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি, কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদকে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গিয়েছে সেই ছবিতে।
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে পাকিস্তান থেকে বেশ কয়েক জন নেতা-মন্ত্রী গিয়েছেন। রয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তুর্কমেনিস্তান, রাশিয়া, ইরাক, আর্মেনিয়ার প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ, ওমান, উজবেকিস্তান, আজারবাইজান, বেলারুস, কিরঘিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার, নিকারাগুয়া এবং কঙ্গোর বিদেশমন্ত্রী, মিশরের সেনেটের প্রেসিডেন্ট খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে রয়েছেন। তুরস্ক, সৌদি আরব এবং আরও অনেক দেশ প্রতিনিধি পাঠিয়েছে ইরানে। তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, যে সমস্ত দেশ ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের আগ্রাসনকে সমর্থন করেছে, তাদের খামেনেইয়ের বিদায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
সন্দেহ নেই, আকারে ছোট হলেও বাকিগুলির তুলনায় অনেক ভারী এই ছোট্ট কফিন। তাতে শুয়ে রয়েছে জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানি। ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের ১৪ মাসের নাতনি। কফিনের পাশেই রাখা রয়েছে সাদা ফ্রেমে বাঁধানো ছবি— নীল চোখ মেলে তাকিয়ে রয়েছে সোনালি চুলের সেই খুদে, মুখে চুষি গোঁজা। সে কফিন যে অনেক ভারী, মানছেন তেহরানে প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা লোকজন। বলছেন, ‘‘আমেরিকা নিপাত যাক!’’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে জোট বেঁধে হামলা চালায় ইজরায়েল এবং আমেরিকা। তাতে প্রাণ হারান খামেনেই এবং তাঁর পরিবারের বেশ কয়েক জন। সেই হামলায় নিহত হয় ছোট্ট জ়াহরাও। শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় খামেনেই এবং তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের কফিনবন্দি দেহ। তার আগে সেগুলি কোথায় রাখা ছিল, তা ইরানের তরফে জানানো হয়নি। ইসলামিক রিপাবলিকের তিনরঙা পতাকায় মোড়া ছিল কফিনগুলি। খামেনেইয়ের দেহ যে কফিনে, তার উপরে রাখা রয়েছে তাঁর কালো পাগড়ি। সেই কফিনের পাশেই রাখা ছোট্ট জ়াহরার কফিন।
শুক্রবার গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতাকে শেষশ্রদ্ধা জানান সে দেশের মন্ত্রী, বিশিষ্টজন। অনেকের চোখেই ছিল জল। শনিবার সকালে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় গ্র্যান্ড মোসাল্লার দরজা। তার পরেই লাল পতাকা হাতে সেখানে প্রবেশ করতে থাকেন হাজার হাজার মানুষ। তাঁদের কাছে লাল পতাকা প্রতিশোধের প্রতীক। মুখেও ছিল সেই স্লোগান— ‘বদলা, বদলা’, ‘নিপাত যাক আমেরিকা’।
শুক্রবার থেকে ছ’দিন ধরে ইরান এবং ইরাকের বিভিন্ন শহরে খামেনেই এবং তাঁর আত্মীয়দের শেষবিদায় জানাবেন মানুষজন। সোমবার পর্যন্ত তেহরানে রাখা থাকবে দেহ। মঙ্গলবার কুমে নিয়ে যাওয়া হবে কফিনগুলি। বুধবার ইরাকের বিভিন্ন শহরে নিয়ে যাওয়া হবে। বৃহস্পতিবার খামেনেইয়ের নিজের শহর, উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশাদে হবে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া। সেখানেই সমাধিস্থ করা হবে খামেনেই ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের। গোটা প্রক্রিয়া চলবে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে। ইরান আগেই জানিয়ে দিয়েছে, শেষকৃত্যের সময় আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও হামলা হলে ‘চরম প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে।
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ভারত থেকে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেফ্টেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। ইরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস থেকে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে খামেনেইয়ের উদ্দেশে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়েছে। ওই পোস্টে কয়েক জন ভারতীয় নেতার শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের ছবি রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি, কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদকে শ্রদ্ধা জানাতে দেখা গিয়েছে সেই ছবিতে।
খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে পাকিস্তান থেকে বেশ কয়েক জন নেতা-মন্ত্রী গিয়েছেন। রয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, সেনাপ্রধান তথা ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তুর্কমেনিস্তান, রাশিয়া, ইরাক, আর্মেনিয়ার প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। বাংলাদেশ, ওমান, উজবেকিস্তান, আজারবাইজান, বেলারুস, কিরঘিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার, নিকারাগুয়া এবং কঙ্গোর বিদেশমন্ত্রী, মিশরের সেনেটের প্রেসিডেন্ট খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠানে রয়েছেন। তুরস্ক, সৌদি আরব এবং আরও অনেক দেশ প্রতিনিধি পাঠিয়েছে ইরানে। তেহরান জানিয়ে দিয়েছে, যে সমস্ত দেশ ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের আগ্রাসনকে সমর্থন করেছে, তাদের খামেনেইয়ের বিদায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
আন্তজার্তিক ডেস্ক