রাজশাহীর মোহনপুর থানার এএসআই বেলাল হোসেন ও এক নারীকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ঐ নারী। শনিবার (৪ জুলাই) বিকাল ৫ টার দিকে মোহনপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাসরিন বেগম। তিনি উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের স্বপন খাঁর স্ত্রী।
লিখিত বক্তব্যে নাসরিন বেগম জানান, তার প্রতিবেশী মৌসুমী বেগমের মেয়ে মীম খাতুনের পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের তদন্ত করছিলেন মোহনপুর থানার এএসআই বেলাল হোসেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় এলাকার কয়েকজন মাদকসেবী মিজানুর রহমান, আশিক, আলাউদ্দিন, সারুফ, জাকির হোসেন, সুজন, হাসান, নাসির একত্রে সংঘবদ্ধভাবে উপস্থিত হয়ে এএসআই বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। পাশাপাশি তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে।
নাসরিন বেগম বলেন, ঘটনার সময় তিনি তার শ্বশুরবাড়ির ভেতরে অবস্থান করছিলেন। এরপরও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে যাচাই-বাছাই ছাড়াই মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার ও পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে এএসআই বেলাল হোসেনকে ফাঁসানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এ ঘটনায় তিনি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যাসহ বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
নাসরিন বেগম আরো বলেন, ধারাবাহিক হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে তিনি বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি প্রচারিত তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রকৃত ঘটনা জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
লিখিত বক্তব্যে নাসরিন বেগম জানান, তার প্রতিবেশী মৌসুমী বেগমের মেয়ে মীম খাতুনের পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের তদন্ত করছিলেন মোহনপুর থানার এএসআই বেলাল হোসেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় এলাকার কয়েকজন মাদকসেবী মিজানুর রহমান, আশিক, আলাউদ্দিন, সারুফ, জাকির হোসেন, সুজন, হাসান, নাসির একত্রে সংঘবদ্ধভাবে উপস্থিত হয়ে এএসআই বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে তার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলে। পাশাপাশি তারা পুলিশ কর্মকর্তাকে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে।
নাসরিন বেগম বলেন, ঘটনার সময় তিনি তার শ্বশুরবাড়ির ভেতরে অবস্থান করছিলেন। এরপরও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে যাচাই-বাছাই ছাড়াই মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা তার ও পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে এএসআই বেলাল হোসেনকে ফাঁসানোর জন্য চাপ সৃষ্টি করছে। এ ঘটনায় তিনি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যাসহ বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
নাসরিন বেগম আরো বলেন, ধারাবাহিক হুমকি ও ভয়ভীতির কারণে তিনি বর্তমানে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি প্রচারিত তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে প্রকৃত ঘটনা জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।
রতন কুমার প্রামাণিক