নীল সাগরের বুক থেকে ভিজে শরীরে এগিয়ে আসছেন নায়িকা। পরনে বিকিনি, উন্মুক্ত বক্ষ বিভাজিকা। তন্বী উন্মুক্ত চেহারায় স্পষ্ট আবেদন।
হিন্দি থেকে বাংলা— ছবিতে এমন রূপে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন বহু নায়িকাই। কখনও ব্যক্তিগত ভ্রমণে অভিনেত্রীদের বিকিনি পরে জলকেলির ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু বিকিনি পরে সুন্দর দেখাতে হলে, যে শরীরী গড়ন প্রয়োজন, তা রীতিমতো সাধনার ফল। তা ছাড়া নায়িকাদের মতো উন্মুক্ত পোশাকে সকলে স্বচ্ছন্দও নন। তবে আর পাঁচজনে কী পরবেন?
সমুদ্রে স্নান করে কায়দা করে ছবি তুলতে ভালবাসেন অনেকে মহিলাই। রিসর্টে সুইমিং পুলেও জলকেলিতে মাতেন অনেক। বেশি খোলামেলা পোশাক এড়াতে চাইলে কোন পোশাকে সেজে উঠতে পারেন তাঁরা?
শ্রাগ দেওয়া সাঁতারের পোশাক: সাঁতারের পোশাক মানেই বিকিনি নয়। সোনাক্ষী সিংহের মতো এমন পোশাকও পরা যায়, যেখানে ব্রালেট বেশ চওড়া। তা ছাড়া, নিম্নাঙ্গে পরার পোশাকটিও ঢিলেঢালা প্যান্টের মতো। উপরে রয়েছে রঙিন শ্রাগ। জলে নামার আগে চাইলে শ্রাগটি খুলে রাখতে পারেন। না চাইলে শ্রাগের নীচের অংশটি বেঁধে নিতে পারেন, তা হলে উন্মুক্ত পেটের অংশ ঢেকে যাবে।
মনোকিনি: বিকিনি বেশি খোলামেলা ঠেকলে, নির্মেদ চেহারায় পরতে পারেন মনোকিনি। এটিও সাঁতারের পোশাক, তবে ওয়ান পিস্ স্যুইমস্যুট। মনোকিনির কোমরের অংশ কাটা থাকে। তবে মনোকিনির বিভিন্ন ধরন রয়েছে। ভারী পেট এবং কোমর ঢাকার জন্য বিশেষ নকশার মনোকিনি থাকে। হল্টার নেক, দুই দিকে স্ট্র্যাপ দেওয়া, প্যাডেড, প্যাড ছড়া বিভিন্ন ধরনের সাঁতারের পোশাক এখন মেলে।
ফুল ছাপ ফ্রকের মতো পোশাক: রয়েছে ফুলের ছাপ দেওয়া ফ্রকের মতো সাঁতারের পোশাক। হল্টার নেকের এই পোশাকটি সুন্দর, তবে ততটাও খোলামেলা নয়। দেখলে মনে হবে, কোনও সুন্দর জামা। ফুলেল ছাপ, একরঙা, প্যাড দেওয়া নানা কায়াদার সাঁতারের পোশাক এখন বাজারে মিলছে।
কাঁধখোলা মনোকিনি: এক কাঁধ খোলা মনোকিনি ধরনের সাঁতারের পোশাকও বেশ কেতাদুরস্ত দেখাতে পারে। নানা রকম রং এবং ছাপের পোশাক পাওয়া যায়।
টু-পিস সাঁতারের পোশাক: রয়েছে স্কার্ট-টপের মতোও জলে নামার পোশাক। তাতে আবার কুঁচি দিয়ে নকশা করা। ফলে পোশাকটি যখন জলে ভিজবে, কুঁচি থাকার জন্য সামনে থেকে তা গায়ে লেপটে যাবে না। স্কার্টটি ছোট, না হলে সাঁতার কাটতে অসুবিধা হবে।
হাতকাটা ফ্রকের মতো সাঁতারের পোশাক: প্যান্ট এবং ফ্রকের মতো সাঁতারের পোশাকও রয়েছে। যে কোনও চেহারাতেই এই ধরনের পোশাক মানানসই হতে পারে। হাতকাটা ফ্রকের মতো ঊর্ধ্বাঙ্গের পোশাকটি। নীচে থাকে খাটো প্যান্ট।
ফ্রক এবং প্যান্টের সেট: একেবারেই যাঁরা উন্মুক্ত পোশাকে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁদের জন্য তৈরি হাতাওয়ালা এবং হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট দেওয়া সাঁতারের পোশাক। এই ধরনের পোশাকে জামার সঙ্গে প্যান্ট জোড়া থাকে। প্রথমে পা গলিয়ে নিতে হয়, উপরে থাকে জামা। কিছুটা জাম্প স্যুটের কায়দায় এই পোশাক পরতে হয়।
হিন্দি থেকে বাংলা— ছবিতে এমন রূপে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন বহু নায়িকাই। কখনও ব্যক্তিগত ভ্রমণে অভিনেত্রীদের বিকিনি পরে জলকেলির ছবিও প্রকাশ্যে এসেছে। কিন্তু বিকিনি পরে সুন্দর দেখাতে হলে, যে শরীরী গড়ন প্রয়োজন, তা রীতিমতো সাধনার ফল। তা ছাড়া নায়িকাদের মতো উন্মুক্ত পোশাকে সকলে স্বচ্ছন্দও নন। তবে আর পাঁচজনে কী পরবেন?
সমুদ্রে স্নান করে কায়দা করে ছবি তুলতে ভালবাসেন অনেকে মহিলাই। রিসর্টে সুইমিং পুলেও জলকেলিতে মাতেন অনেক। বেশি খোলামেলা পোশাক এড়াতে চাইলে কোন পোশাকে সেজে উঠতে পারেন তাঁরা?
শ্রাগ দেওয়া সাঁতারের পোশাক: সাঁতারের পোশাক মানেই বিকিনি নয়। সোনাক্ষী সিংহের মতো এমন পোশাকও পরা যায়, যেখানে ব্রালেট বেশ চওড়া। তা ছাড়া, নিম্নাঙ্গে পরার পোশাকটিও ঢিলেঢালা প্যান্টের মতো। উপরে রয়েছে রঙিন শ্রাগ। জলে নামার আগে চাইলে শ্রাগটি খুলে রাখতে পারেন। না চাইলে শ্রাগের নীচের অংশটি বেঁধে নিতে পারেন, তা হলে উন্মুক্ত পেটের অংশ ঢেকে যাবে।
মনোকিনি: বিকিনি বেশি খোলামেলা ঠেকলে, নির্মেদ চেহারায় পরতে পারেন মনোকিনি। এটিও সাঁতারের পোশাক, তবে ওয়ান পিস্ স্যুইমস্যুট। মনোকিনির কোমরের অংশ কাটা থাকে। তবে মনোকিনির বিভিন্ন ধরন রয়েছে। ভারী পেট এবং কোমর ঢাকার জন্য বিশেষ নকশার মনোকিনি থাকে। হল্টার নেক, দুই দিকে স্ট্র্যাপ দেওয়া, প্যাডেড, প্যাড ছড়া বিভিন্ন ধরনের সাঁতারের পোশাক এখন মেলে।
ফুল ছাপ ফ্রকের মতো পোশাক: রয়েছে ফুলের ছাপ দেওয়া ফ্রকের মতো সাঁতারের পোশাক। হল্টার নেকের এই পোশাকটি সুন্দর, তবে ততটাও খোলামেলা নয়। দেখলে মনে হবে, কোনও সুন্দর জামা। ফুলেল ছাপ, একরঙা, প্যাড দেওয়া নানা কায়াদার সাঁতারের পোশাক এখন বাজারে মিলছে।
কাঁধখোলা মনোকিনি: এক কাঁধ খোলা মনোকিনি ধরনের সাঁতারের পোশাকও বেশ কেতাদুরস্ত দেখাতে পারে। নানা রকম রং এবং ছাপের পোশাক পাওয়া যায়।
টু-পিস সাঁতারের পোশাক: রয়েছে স্কার্ট-টপের মতোও জলে নামার পোশাক। তাতে আবার কুঁচি দিয়ে নকশা করা। ফলে পোশাকটি যখন জলে ভিজবে, কুঁচি থাকার জন্য সামনে থেকে তা গায়ে লেপটে যাবে না। স্কার্টটি ছোট, না হলে সাঁতার কাটতে অসুবিধা হবে।
হাতকাটা ফ্রকের মতো সাঁতারের পোশাক: প্যান্ট এবং ফ্রকের মতো সাঁতারের পোশাকও রয়েছে। যে কোনও চেহারাতেই এই ধরনের পোশাক মানানসই হতে পারে। হাতকাটা ফ্রকের মতো ঊর্ধ্বাঙ্গের পোশাকটি। নীচে থাকে খাটো প্যান্ট।
ফ্রক এবং প্যান্টের সেট: একেবারেই যাঁরা উন্মুক্ত পোশাকে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁদের জন্য তৈরি হাতাওয়ালা এবং হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট দেওয়া সাঁতারের পোশাক। এই ধরনের পোশাকে জামার সঙ্গে প্যান্ট জোড়া থাকে। প্রথমে পা গলিয়ে নিতে হয়, উপরে থাকে জামা। কিছুটা জাম্প স্যুটের কায়দায় এই পোশাক পরতে হয়।
ফারহানা জেরিন