সম্প্রতি বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। সেই বিতর্কে নায়িকার পাশে অভিনেত্রী রিচা চড্ঢা। পরিবেশসচেতনতা নিয়ে ছেলেকে ঘিরে দিয়া যে অভিজ্ঞতার কথা এক পডকাস্টে ভাগ করে নিয়েছিলেন, সেই ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই অভিযোগ করেন, দিয়া ও তাঁর পাঁচ বছরের ছেলের আচরণ ‘অহঙ্কারী’ এবং ‘সুবিধাভোগী মানসিকতা’র পরিচয় দেয়। সেই সমালোচনারই জবাব দিলেন রিচা।
ঘটনার সূত্রপাত একটি পডকাস্টে। অভিনেত্রী সোহা আলি খানের অনুষ্ঠানে দিয়া জানান, এক দিন তাঁদের বাড়িতে প্লাস্টিকের ব্যাগ ও প্লাস্টিকের স্ট্র-সহ ডাবের জল পৌঁছে দিয়েছিলেন এক কর্মী। দরজা খুলে দিয়া-পুত্র নাকি ওই ব্যক্তিকে জানায় যে, তাঁদের বাড়িতে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় না। তাই প্লাস্টিকের ব্যাগ ও স্ট্র-টি ফেরত নিয়ে যেতে অনুরোধ করে সে। দিয়া এই ঘটনাকে পরিবেশসচেতনতার শিক্ষা হিসাবে তুলে ধরলেও, সেই বক্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
এরই মধ্যে এক অনুরাগীর দাবি, পরিবেশরক্ষার কথা বললেও দিয়া নাকি নিজে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করেন। সেই পোস্ট পুনরায় ভাগ করে নিয়ে দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া জানান রিচা চড্ঢা।
রিচা লেখেন, “অভিনেতারা কেন অনেক সময় কোনও বিষয়ে মুখ খুলতে চান না, এই ঘটনা তারই উদাহরণ।” তাঁর কথায়, কিছু মানুষ যে কোনও পরিস্থিতিতেই শিল্পীদের আক্রমণ করেন। এমনকি পাঁচ বছরের একটি শিশুকেও কটাক্ষ করতে পিছপা হন না। তাঁর দাবি, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কোনও নারী যদি প্রচলিত বিনোদনের গণ্ডি ছাড়িয়ে অন্য কোনও বিষয়ে কথা বলেন, তা হলেই তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
দিয়ার পরিবেশ সংক্রান্ত কাজের কথাও তুলে ধরেন রিচা। তাঁর দাবি, বাঁশ থেকে কাগজ তৈরির একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দিয়া, যেখানে গাছ না কেটেই কাগজ তৈরি হয়। পাশাপাশি, প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে সানগ্লাস তৈরি করার একটি সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিও প্রযোজনা করেছেন দিয়া।
রিচার দাবি, তিনি দিয়াকে কেবল বৈদ্যুতিক গাড়িতেই যাতায়াত করতে দেখেছেন। পাশাপাশি জানান, বিয়েতে উপহার হিসাবে রিচাকে ১১০০টি গাছ দিয়েছিলেন দিয়া। পরে নিজের সন্তানের জন্মের সময় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরও গাছ উপহার দেওয়ার অনুপ্রেরণা সেখান থেকেই পেয়েছিলেন তিনি।
ঘটনার সূত্রপাত একটি পডকাস্টে। অভিনেত্রী সোহা আলি খানের অনুষ্ঠানে দিয়া জানান, এক দিন তাঁদের বাড়িতে প্লাস্টিকের ব্যাগ ও প্লাস্টিকের স্ট্র-সহ ডাবের জল পৌঁছে দিয়েছিলেন এক কর্মী। দরজা খুলে দিয়া-পুত্র নাকি ওই ব্যক্তিকে জানায় যে, তাঁদের বাড়িতে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় না। তাই প্লাস্টিকের ব্যাগ ও স্ট্র-টি ফেরত নিয়ে যেতে অনুরোধ করে সে। দিয়া এই ঘটনাকে পরিবেশসচেতনতার শিক্ষা হিসাবে তুলে ধরলেও, সেই বক্তব্যের একটি অংশ সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
এরই মধ্যে এক অনুরাগীর দাবি, পরিবেশরক্ষার কথা বললেও দিয়া নাকি নিজে বিলাসবহুল গাড়ি ব্যবহার করেন। সেই পোস্ট পুনরায় ভাগ করে নিয়ে দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া জানান রিচা চড্ঢা।
রিচা লেখেন, “অভিনেতারা কেন অনেক সময় কোনও বিষয়ে মুখ খুলতে চান না, এই ঘটনা তারই উদাহরণ।” তাঁর কথায়, কিছু মানুষ যে কোনও পরিস্থিতিতেই শিল্পীদের আক্রমণ করেন। এমনকি পাঁচ বছরের একটি শিশুকেও কটাক্ষ করতে পিছপা হন না। তাঁর দাবি, বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কোনও নারী যদি প্রচলিত বিনোদনের গণ্ডি ছাড়িয়ে অন্য কোনও বিষয়ে কথা বলেন, তা হলেই তাঁকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।
দিয়ার পরিবেশ সংক্রান্ত কাজের কথাও তুলে ধরেন রিচা। তাঁর দাবি, বাঁশ থেকে কাগজ তৈরির একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত দিয়া, যেখানে গাছ না কেটেই কাগজ তৈরি হয়। পাশাপাশি, প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে সানগ্লাস তৈরি করার একটি সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিও প্রযোজনা করেছেন দিয়া।
রিচার দাবি, তিনি দিয়াকে কেবল বৈদ্যুতিক গাড়িতেই যাতায়াত করতে দেখেছেন। পাশাপাশি জানান, বিয়েতে উপহার হিসাবে রিচাকে ১১০০টি গাছ দিয়েছিলেন দিয়া। পরে নিজের সন্তানের জন্মের সময় সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরও গাছ উপহার দেওয়ার অনুপ্রেরণা সেখান থেকেই পেয়েছিলেন তিনি।
তামান্না হাবিব নিশু