দুই দলের প্রতিনিধিরাই যথাসময়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন কাতারের রাজধানী দোহায়। তবে মঙ্গলবার মুখোমুখি বৈঠকে বসেনি আমেরিকা এবং ইরান। বরং দু’পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করা কাতার এবং পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বার্তা আদানপ্রদান করে ওয়াশিংটন এবং তেহরান। ওই পরোক্ষ বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু বলা না হলেও ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা আইআরএনএ-র প্রতিবেদনে কিছু ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
ওই সংবাদসংস্থা ইরানের উপ বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘারিয়াবাদীকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, সমঝোতাপত্রের শর্তগুলি লঙ্ঘিত হলে তা একে অপরকে জানানোর জন্য যোগাযোগের একটি মাধ্যম (কমিউনিকেশন চ্যানেল) তৈরি করছে আমেরিকা এবং ইরান। ইরানের মন্ত্রী জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যেই এই ‘কমিউনিকেশন চ্যানেল’ তৈরি হয়ে যাবে। বৈঠকে আমেরিকার কাছে বাজেয়াপ্ত থাকা ইরানের ৩০০ কোটি ডলার তেহরানকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে আমেরিকা। যদিও আমেরিকার তরফে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। সংবাদমাধ্যম ‘আল আরবিয়া’-কে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের হাতে কোনও অর্থ বা সম্পদ ফিরিয়ে দেয়নি আমেরিকা। ইরান সমঝোতাপত্রের শর্ত মানলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, হরমুজ় প্রণালী ধরে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে কথা বলেছে আমেরিকা এবং ইরান। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে লেবাননে ইজরায়েলি হামলার বিষয়টি আমেরিকার কাছে উত্থাপন করেছে তেহরান।
পরোক্ষ বৈঠকের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী কাতার জানিয়েছে, দু’পক্ষের বৈঠকে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হয়েছে। তবে এই বিষয়ে সবিস্তার কিছু জানা যায়নি এখনও। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের পর ফের বৈঠকে বসতে পারে আমেরিকা এবং ইরান। সমঝোতাপত্রের শর্ত অনুযায়ী, ৬০ দিনের আলোচনার পর চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করবে দুই পক্ষ।
ওই সংবাদসংস্থা ইরানের উপ বিদেশমন্ত্রী কাজেম ঘারিয়াবাদীকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, সমঝোতাপত্রের শর্তগুলি লঙ্ঘিত হলে তা একে অপরকে জানানোর জন্য যোগাযোগের একটি মাধ্যম (কমিউনিকেশন চ্যানেল) তৈরি করছে আমেরিকা এবং ইরান। ইরানের মন্ত্রী জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যেই এই ‘কমিউনিকেশন চ্যানেল’ তৈরি হয়ে যাবে। বৈঠকে আমেরিকার কাছে বাজেয়াপ্ত থাকা ইরানের ৩০০ কোটি ডলার তেহরানকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে আমেরিকা। যদিও আমেরিকার তরফে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলা হয়নি। সংবাদমাধ্যম ‘আল আরবিয়া’-কে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরানের হাতে কোনও অর্থ বা সম্পদ ফিরিয়ে দেয়নি আমেরিকা। ইরান সমঝোতাপত্রের শর্ত মানলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, হরমুজ় প্রণালী ধরে নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে কথা বলেছে আমেরিকা এবং ইরান। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে লেবাননে ইজরায়েলি হামলার বিষয়টি আমেরিকার কাছে উত্থাপন করেছে তেহরান।
পরোক্ষ বৈঠকের অন্যতম মধ্যস্থতাকারী কাতার জানিয়েছে, দু’পক্ষের বৈঠকে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হয়েছে। তবে এই বিষয়ে সবিস্তার কিছু জানা যায়নি এখনও। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের পর ফের বৈঠকে বসতে পারে আমেরিকা এবং ইরান। সমঝোতাপত্রের শর্ত অনুযায়ী, ৬০ দিনের আলোচনার পর চূড়ান্ত শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করবে দুই পক্ষ।
আন্তজার্তিক ডেস্ক