ক্লাব এবং দেশের হয়ে খেলার সময় বহু বার বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের স্বীকার হয়েছেন। মুখ ঢেকে তাঁর উদ্দেশে বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য করার জন্য ফিফা কড়া শাস্তি দিয়েছে এক ফুটবলারকে। আনা হয়েছে নতুন নিয়ম। ব্রাজ়িলের সেই ভিনিসিয়াস নকআউটে নামার আগে বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে আবার মুখ খুললেন। পাশাপাশি তিনি কথা বলেছেন বিশ্বকাপে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়েও।
ব্রাজ়িলের এক টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়াস বলেছেন, “আশা করি এই বিপ্লব জারি থাকবে, যাতে পরের প্রজন্মকে বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণের মুখে পড়তে না হয়। মাঠে আমি এ ভাবেই ভাল খেলতে চাই। তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণাও দিতে চাই। সমস্ত কৃষ্ণাঙ্গের হয়ে মুখ খুলতে চাই, যাঁদের গলার স্বরের সেই জোর নেই যা আমার আছে।”
ফুটবলার হওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপে খেলা স্বপ্ন ছিল ভিনিসিয়াসের। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়াতে তিনি গর্বিত। ভিনিসিয়াস বলেছেন, “আমি বরাবর বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখে এসেছি। এ বার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলছি। দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলার থেকে বড় জিনিস আর কিছুতে নেই। সকলেই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখে। ব্যাপারটা দেখে মনে হয় সহজ। কিন্তু বহু বছরের কষ্ট রয়েছে এই সাফল্যের নেপথ্যে।”
ভিনিসিয়াস জানিয়েছেন, তাঁর ঠাকুমা না থাকলে হয়তো ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন সত্যিই হত না। বড় হয়ে ওঠার নেপথ্যে সব কৃতিত্ব ঠাকুমাকেই দিয়েছেন তিনি। ভিনিসিয়াস বলেছেন, “ঠাকুমা আমার জীবনে একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। ১৬ বছর পর্যন্ত ওঁর সঙ্গেই থেকেছি। আমার বাবা বরাবরই অনেক দূরে থাকতেন। তাই মা, ভাইয়ের দিয়ে আমি থাকতাম ঠাকুমার কাছেই। আমার জন্য সব কাজ করত ঠাকুমা। আমাদের বাড়িটা ছোট ছিল। তাই ঠাকুমার সঙ্গেই শুতাম। আজ ওঁর সম্পর্কে বলতে গিয়ে আর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।”
ব্রাজ়িলের এক টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়াস বলেছেন, “আশা করি এই বিপ্লব জারি থাকবে, যাতে পরের প্রজন্মকে বর্ণবিদ্বেষী আক্রমণের মুখে পড়তে না হয়। মাঠে আমি এ ভাবেই ভাল খেলতে চাই। তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণাও দিতে চাই। সমস্ত কৃষ্ণাঙ্গের হয়ে মুখ খুলতে চাই, যাঁদের গলার স্বরের সেই জোর নেই যা আমার আছে।”
ফুটবলার হওয়ার পর থেকেই বিশ্বকাপে খেলা স্বপ্ন ছিল ভিনিসিয়াসের। সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়াতে তিনি গর্বিত। ভিনিসিয়াস বলেছেন, “আমি বরাবর বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখে এসেছি। এ বার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ খেলছি। দেশের হয়ে বিশ্বকাপে খেলার থেকে বড় জিনিস আর কিছুতে নেই। সকলেই বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন দেখে। ব্যাপারটা দেখে মনে হয় সহজ। কিন্তু বহু বছরের কষ্ট রয়েছে এই সাফল্যের নেপথ্যে।”
ভিনিসিয়াস জানিয়েছেন, তাঁর ঠাকুমা না থাকলে হয়তো ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন সত্যিই হত না। বড় হয়ে ওঠার নেপথ্যে সব কৃতিত্ব ঠাকুমাকেই দিয়েছেন তিনি। ভিনিসিয়াস বলেছেন, “ঠাকুমা আমার জীবনে একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। ১৬ বছর পর্যন্ত ওঁর সঙ্গেই থেকেছি। আমার বাবা বরাবরই অনেক দূরে থাকতেন। তাই মা, ভাইয়ের দিয়ে আমি থাকতাম ঠাকুমার কাছেই। আমার জন্য সব কাজ করত ঠাকুমা। আমাদের বাড়িটা ছোট ছিল। তাই ঠাকুমার সঙ্গেই শুতাম। আজ ওঁর সম্পর্কে বলতে গিয়ে আর ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।”
মিজানুর রহমান টনি