ফেনীর ফুলগাজীতে চাঞ্চল্যকর কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রী বিবি কুলসুম কাজল হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোঃ আরিফুল ইসলামকে ঘটনার ৫০ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব-৭ জানায়, গ্রেফতারকৃত আরিফুল ইসলাম (৩১) ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের মোঃ রসুল মিয়ার ছেলে।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফুলগাজী থানার উত্তর ধর্মপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, নিহত বিবি কুলসুম কাজল (৩৬) দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন। তার দুই সন্তান স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে থাকলেও তিনি দুই বছর বয়সী ছেলে নাহিমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুন রাতে প্রতিদিনের মতো নিজ ঘরে ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন কাজল। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে মাথায় ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করে। এ সময় তার ছোট ছেলে নাহিমের কোনো ক্ষতি করা হয়নি।
পরদিন ২৭ জুন ভোরে পাশের বাড়ির ইসমাইল মাস্টার ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে স্থানীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে তারা কাজলকে ঘরের মেঝেতে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রক্তাক্ত মৃত পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি ফুলগাজী থানার মামলা নং-১৩, তারিখ ২৮ জুন ২০২৬; ধারা- ৪৫৭/৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রধান অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
র্যাব-৭ জানায়, গ্রেফতারকৃত আরিফুল ইসলাম (৩১) ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের মোঃ রসুল মিয়ার ছেলে।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফুলগাজী থানার উত্তর ধর্মপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, নিহত বিবি কুলসুম কাজল (৩৬) দক্ষিণ তালবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও কুয়েত প্রবাসী নুরুল আমিনের স্ত্রী। তিনি তিন সন্তানের জননী ছিলেন। তার দুই সন্তান স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে থাকলেও তিনি দুই বছর বয়সী ছেলে নাহিমকে নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুন রাতে প্রতিদিনের মতো নিজ ঘরে ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন কাজল। গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা ঘরের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে মাথায় ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করে। এ সময় তার ছোট ছেলে নাহিমের কোনো ক্ষতি করা হয়নি।
পরদিন ২৭ জুন ভোরে পাশের বাড়ির ইসমাইল মাস্টার ঘর থেকে গোঙানির শব্দ শুনে স্থানীয়দের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। পরে তারা কাজলকে ঘরের মেঝেতে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রক্তাক্ত মৃত পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে ফুলগাজী থানায় অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি ফুলগাজী থানার মামলা নং-১৩, তারিখ ২৮ জুন ২০২৬; ধারা- ৪৫৭/৩০২/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম জানায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রধান অভিযুক্ত আরিফুল ইসলামের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক