ইসলামে বিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র সম্পর্ক; যা মানুষের জীবনকে পূর্ণতা দেয়। সুখ-শান্তির উৎস তৈরি করে। এটি কেবল পারিবারিক বন্ধন নয়, বরং মানসিক, শারীরিক আর আধ্যাত্মিক স্থিতি এনে দেয়।
বিয়েকে রাসুল সা. দীনের অর্ধেক বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এ বিয়ে জীবনের অনুষঙ্গ বিষয়ও। রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘যে বিয়ে করল, সে তার অর্ধেক দীন-ঈমান পূর্ণ করল। সে যেন বাকি অর্ধেকের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করে।’ (তাবরানি)
নবদম্পতির জন্য দোয়া: নতুন বিয়ে হলে তার জন্য সবচেয়ে বড় উপহার হবে নবীজির শেখানো দোয়া পাঠ করে দোয়া করা। হজরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিবাহিত ব্যক্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলতেন:
بَارَكَ اللهُ لَكَ وَ بَارَكَ عَلَيْكَ وَ جَمَعَ بَيْنَكُمَا فِيْ خَيْرٍ (উচ্চারণ: বারাকাল্লাহু লাকা, ওয়া বারাকা আলাইকা, ওয়া জামাআ বাইনা কুমা ফি খাইরিন।)
অর্থ: আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন, তোমাদের উভয়ের প্রতি বরকত নাজিল করুন। তোমাদের কল্যাণের সঙ্গে একত্রে রাখুন। (তিরমিজি)
সুন্নত তরিকায় বিয়ে সম্পাদন করা হলে সে বিয়ে বরকতময় হয়। রসুলুল্লাহ সা. বলেন,
নিশ্চয় সে বিয়ে বেশি বরকতপূর্ণ হয়, যে বিয়েতে খরচ কম হয়। (মুসনাদে আহমাদ ও মুস্তাদরাকে হাকিম)।
এ ছাড়া বিয়ের সংশ্লিষ্ট আরও কিছু সুন্নত রয়েছে। বিবাহ সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর হওয়া, অপচয়, অপব্যয় ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতিমুক্ত হওয়া, যৌতুকের শর্ত না থাকা। সামর্থ্যের বেশি দেনমোহর ধার্য বা শর্ত না করা। (তাবারানি আওসাত ৩৬১২, আবু দাউদ: ২১০৬)
বিয়েকে রাসুল সা. দীনের অর্ধেক বলে ঘোষণা দিয়েছেন। এ বিয়ে জীবনের অনুষঙ্গ বিষয়ও। রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘যে বিয়ে করল, সে তার অর্ধেক দীন-ঈমান পূর্ণ করল। সে যেন বাকি অর্ধেকের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করে।’ (তাবরানি)
নবদম্পতির জন্য দোয়া: নতুন বিয়ে হলে তার জন্য সবচেয়ে বড় উপহার হবে নবীজির শেখানো দোয়া পাঠ করে দোয়া করা। হজরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিবাহিত ব্যক্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলতেন:
بَارَكَ اللهُ لَكَ وَ بَارَكَ عَلَيْكَ وَ جَمَعَ بَيْنَكُمَا فِيْ خَيْرٍ (উচ্চারণ: বারাকাল্লাহু লাকা, ওয়া বারাকা আলাইকা, ওয়া জামাআ বাইনা কুমা ফি খাইরিন।)
অর্থ: আল্লাহ তোমাকে বরকত দান করুন, তোমাদের উভয়ের প্রতি বরকত নাজিল করুন। তোমাদের কল্যাণের সঙ্গে একত্রে রাখুন। (তিরমিজি)
সুন্নত তরিকায় বিয়ে সম্পাদন করা হলে সে বিয়ে বরকতময় হয়। রসুলুল্লাহ সা. বলেন,
নিশ্চয় সে বিয়ে বেশি বরকতপূর্ণ হয়, যে বিয়েতে খরচ কম হয়। (মুসনাদে আহমাদ ও মুস্তাদরাকে হাকিম)।
এ ছাড়া বিয়ের সংশ্লিষ্ট আরও কিছু সুন্নত রয়েছে। বিবাহ সাদাসিধে ও অনাড়ম্বর হওয়া, অপচয়, অপব্যয় ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতিমুক্ত হওয়া, যৌতুকের শর্ত না থাকা। সামর্থ্যের বেশি দেনমোহর ধার্য বা শর্ত না করা। (তাবারানি আওসাত ৩৬১২, আবু দাউদ: ২১০৬)
ধর্ম ডেস্ক