একটি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা মুহূর্তেই কেড়ে নিল একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, দক্ষ সংগঠক এবং শত শত শিক্ষকের আস্থার প্রতীককে। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন শিক্ষক নেতা ও বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আজিজার রহমান (৪৪)। তাঁর আকস্মিক ও অকাল মৃত্যুতে সমগ্র উপজেলার শিক্ষা অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া, আর শিক্ষক সমাজের হৃদয়ে সৃষ্টি হয়েছে এক বেদনাবিধুর অধ্যায়।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পৌর শহরের টিএন্ডটি এলাকায় নিজ বাসভবনে ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা।
জীবনের প্রতিদিনের মতোই পরিবারের প্রয়োজনীয় একটি কাজ করছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির উঠানে খড়ের পালা দেওয়ার সময় উচু খড়ের পালা থেকে হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যান আজিজার রহমান। এ সময় পাশের সীমানা প্রাচীর থেকে বের হয়ে থাকা রড তাঁর মাথায় বিঁধে গিয়ে গুরুতর আঘাত হানে। নির্মম সেই আঘাতে এবং তীব্র রক্তপাত অবস্থায় রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে তাকে নেওয়ার পথেই তার জীবন প্রদীপ নিভে যায়। শেষ হয়ে যায় একজন শিক্ষকের, একজন সংগঠকের এবং একজন স্বপ্নবাজ মানুষের জীবনযাত্রা।
আজিজার রহমান ছিলেন উপজেলার বলিদ্বারা বাজার সংলগ্ন পূর্ব বলদ্বানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের অধিকার আদায়, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সহকর্মীদের কল্যাণে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয় ও দায়িত্বশীল। তাঁর নেতৃত্ব, সততা এবং মানবিক আচরণ তাঁকে শিক্ষক সমাজে একটি বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তিনি ছিলেন রাণীশংকৈল পৌর শহরের টিএন্ডটি এলাকার বাসিন্দা এবং বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আজগর আলী মাস্টারের সন্তান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রীও একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আজিজার রহমানের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি নয়; এটি রাণীশংকৈলের শিক্ষা পরিবারের জন্যও এক গভীর শূন্যতা। তাঁর চলে যাওয়ার খবরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেমে আসে শোকের আবহ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। অনেকেই বলছেন, একজন শিক্ষক হারানোর চেয়েও বড় কথা—তারা হারিয়েছেন একজন অভিভাবক, পরামর্শদাতা ও মানবিক মানুষকে। যে মানুষটি সারাজীবন শিক্ষার আলো ছড়িয়ে অন্যের জীবন আলোকিত করেছেন, নিয়তির নির্মম পরিহাসে তিনি বিদায় নিলেন এক সাধারণ কাজ করতে গিয়ে। তাঁর এই অকাল প্রস্থান রাণীশংকৈলের শিক্ষক সমাজের হৃদয়ে দীর্ঘদিন রক্তক্ষরণ ঘটাবে। সময় হয়তো এগিয়ে যাবে, কিন্তু শিক্ষক নেতা আজিজার রহমানের শূন্যতা, তাঁর কর্মময় জীবন এবং মানবিক স্মৃতি সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পৌর শহরের টিএন্ডটি এলাকায় নিজ বাসভবনে ঘটে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা।
জীবনের প্রতিদিনের মতোই পরিবারের প্রয়োজনীয় একটি কাজ করছিলেন তিনি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির উঠানে খড়ের পালা দেওয়ার সময় উচু খড়ের পালা থেকে হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যান আজিজার রহমান। এ সময় পাশের সীমানা প্রাচীর থেকে বের হয়ে থাকা রড তাঁর মাথায় বিঁধে গিয়ে গুরুতর আঘাত হানে। নির্মম সেই আঘাতে এবং তীব্র রক্তপাত অবস্থায় রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে তাকে নেওয়ার পথেই তার জীবন প্রদীপ নিভে যায়। শেষ হয়ে যায় একজন শিক্ষকের, একজন সংগঠকের এবং একজন স্বপ্নবাজ মানুষের জীবনযাত্রা।
আজিজার রহমান ছিলেন উপজেলার বলিদ্বারা বাজার সংলগ্ন পূর্ব বলদ্বানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি শিক্ষক সমাজের অধিকার আদায়, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সহকর্মীদের কল্যাণে তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয় ও দায়িত্বশীল। তাঁর নেতৃত্ব, সততা এবং মানবিক আচরণ তাঁকে শিক্ষক সমাজে একটি বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তিনি ছিলেন রাণীশংকৈল পৌর শহরের টিএন্ডটি এলাকার বাসিন্দা এবং বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আজগর আলী মাস্টারের সন্তান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, দুই কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রীও একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। আজিজার রহমানের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতি নয়; এটি রাণীশংকৈলের শিক্ষা পরিবারের জন্যও এক গভীর শূন্যতা। তাঁর চলে যাওয়ার খবরে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেমে আসে শোকের আবহ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহকর্মী, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণ করে গভীর শোক প্রকাশ করছেন। অনেকেই বলছেন, একজন শিক্ষক হারানোর চেয়েও বড় কথা—তারা হারিয়েছেন একজন অভিভাবক, পরামর্শদাতা ও মানবিক মানুষকে। যে মানুষটি সারাজীবন শিক্ষার আলো ছড়িয়ে অন্যের জীবন আলোকিত করেছেন, নিয়তির নির্মম পরিহাসে তিনি বিদায় নিলেন এক সাধারণ কাজ করতে গিয়ে। তাঁর এই অকাল প্রস্থান রাণীশংকৈলের শিক্ষক সমাজের হৃদয়ে দীর্ঘদিন রক্তক্ষরণ ঘটাবে। সময় হয়তো এগিয়ে যাবে, কিন্তু শিক্ষক নেতা আজিজার রহমানের শূন্যতা, তাঁর কর্মময় জীবন এবং মানবিক স্মৃতি সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি