ভারতের তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলার একটি বেসরকারি সি-ফুড প্রসেসিং ও রফতানি কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯। রাজ্য সরকারের তরফে মঙ্গলবার এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত ২১ জুন ওই কারখানায় সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলার সময় আচমকাই এই বিষাক্ত গ্যাস লিক করার ঘটনা ঘটে। মর্মান্তিক বিষয় হল, মৃতদের সকলেই মহিলা এবং তাঁরা মূলত পরিযায়ী শ্রমিক।
স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃত ৯ জন মহিলা কর্মীর মধ্যে ৭ জন ওড়িশার এবং ২ জন অসমের বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তাঁরা হলেন, শিবানী, জুমানি জুয়াং, গীতা জুয়াং, পূর্ণিমা জুয়াং, চম্পাবতী জুয়াং, পার্বতী জুয়াং, সীতা হাঁসদা এবং অঞ্জিতা সোরেন। বাকি একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ৬৯ জন
তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, বিষাক্ত গ্যাস ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ায় মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কারখানার অন্য কর্মীরা। বর্তমানে ৬৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার ওপর চব্বিশ ঘণ্টা কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
আক্রান্তদের মূলত তীব্র শ্বাসকষ্ট, অনবরত কাশি, বুকে অস্বস্তি এবং চোখ ও শ্বাসনালীতে মারাত্মক জ্বালা ভাব নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন হাসপাতালে, তাঁদের মধ্যে, ২৭ জন ভেলস হাসপাতালে, ১৮ জন ভেঙ্কটেশ্বরা হাসপাতালে, ১১ জন রাজীব গান্ধী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে (RGGGH) এবং ১৩ জন স্ট্যানলি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য দুই রোগীকে ইতিমধ্যেই সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে।
পেরিয়াপালয়ামের কাছে কন্নিগাইপেয়ার/মঞ্জুঙ্গারানাই এলাকার ওই সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুর্ঘটনাস্থল এবং তার চারপাশের এলাকায় টানা পরীক্ষা ও মূল্যায়ন চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় রেখে চিকিৎসা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কাজ চালাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে যাতে উপযুক্ত চিকিৎসার কোনও খামতি না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃত ৯ জন মহিলা কর্মীর মধ্যে ৭ জন ওড়িশার এবং ২ জন অসমের বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তাঁরা হলেন, শিবানী, জুমানি জুয়াং, গীতা জুয়াং, পূর্ণিমা জুয়াং, চম্পাবতী জুয়াং, পার্বতী জুয়াং, সীতা হাঁসদা এবং অঞ্জিতা সোরেন। বাকি একজনের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন ৬৯ জন
তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, বিষাক্ত গ্যাস ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ায় মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন কারখানার অন্য কর্মীরা। বর্তমানে ৬৯ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁদের শারীরিক অবস্থার ওপর চব্বিশ ঘণ্টা কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
আক্রান্তদের মূলত তীব্র শ্বাসকষ্ট, অনবরত কাশি, বুকে অস্বস্তি এবং চোখ ও শ্বাসনালীতে মারাত্মক জ্বালা ভাব নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। বর্তমানে যারা চিকিৎসাধীন রয়েছেন হাসপাতালে, তাঁদের মধ্যে, ২৭ জন ভেলস হাসপাতালে, ১৮ জন ভেঙ্কটেশ্বরা হাসপাতালে, ১১ জন রাজীব গান্ধী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে (RGGGH) এবং ১৩ জন স্ট্যানলি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্য দুই রোগীকে ইতিমধ্যেই সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে।
পেরিয়াপালয়ামের কাছে কন্নিগাইপেয়ার/মঞ্জুঙ্গারানাই এলাকার ওই সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুর্ঘটনাস্থল এবং তার চারপাশের এলাকায় টানা পরীক্ষা ও মূল্যায়ন চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় রেখে চিকিৎসা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কাজ চালাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে যাতে উপযুক্ত চিকিৎসার কোনও খামতি না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক