যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের ফুটবলারদের শান্তির বার্তা। বেলজিয়ামকে রুখে নজরকাড়ার পর সাজঘরে তাঁরা রেখে গিয়েছেন বিশেষ বার্তা। হাতে লেখা চিঠিতে আবেগঘন এক বার্তায় ইরানের ফুটবলারেরা বিদায় জানিয়েছেন লস অ্যাঞ্জেলেসকে।
বিশ্বকাপ খেলতে এসে নানা বাধার সম্মুখীন হয়েছে ইরান। চিঠিতে সেই প্রতিবন্ধকতা, আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর হামলার কথা লেখা হয়েছে। আবার লস অ্যাঞ্জেলেসের উষ্ণ অভ্যর্থনার কথাও লিখেছেন ইরানের ফুটবলারেরা। বেলজিয়াম ম্যাচের পর ইরানের ফুটবল সংস্থাই চিঠিটি প্রকাশ্যে এনেছে।
আবেগঘন বার্তায় ইরানের ফুটবলারেরা লিখেছেন, ‘‘হাজার বছরের পুরনো পারস্যই আজকের আধুনিক ইরান। আমাদের আত্মা হারিয়ে যায়নি। আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ লস অ্যাঞ্জেলেস। আমরা গর্ব নিয়ে এসেছিলাম। সম্মানের সঙ্গে লড়াই করেছি। মর্যাদা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। এই ১৮০ মিনিট যাঁরা সব কিছু দিয়ে আমাদের সমর্থন করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।’’ চিঠিতে সব শেষে লেখা হয়েছে, ‘‘সমস্ত জাতির মধ্যে শান্তি, সম্মান এবং বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক।’’
নীল কালিতে লেখা চিঠির মাঝে লাল কালিতে হ্যাসট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে ১৬৮ এবং মিনাব। মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার সামরিক হামলায় মিনাবে ১৬৮ জন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর কথা। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সোফি স্টেডিয়ামে ইরানের আর কোনও খেলা নেই। সিয়াটলে গ্রুপের শেষ খেলবে ইরান। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ মিশর। নকআউট পর্বে উঠতে হলে মহম্মদ সালাহদের হারাতে হবে।
আমেরিকার কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য ভিসা পেতে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হয়েছে ইরানের দলকে। দলের নির্ভরযোগ্য ফুটবলার মেহদি তোরাবিকে বিশ্বকাপের মধ্যেই ভিসা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। বিশ্বকাপের আগেই নিরাপত্তার বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় অ্যারিজ়োনা থেকে শিবির সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। প্রথম ম্যাচ খেলার পর দু’ঘণ্টার মধ্যে ইরান দলকে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশও দিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বকাপ খেলতে এসে এমন নানা হেনস্থা নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেছেন ইরানের কোচ আমির ঘালেনই।
বিশ্বকাপ খেলতে এসে নানা বাধার সম্মুখীন হয়েছে ইরান। চিঠিতে সেই প্রতিবন্ধকতা, আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ বাহিনীর হামলার কথা লেখা হয়েছে। আবার লস অ্যাঞ্জেলেসের উষ্ণ অভ্যর্থনার কথাও লিখেছেন ইরানের ফুটবলারেরা। বেলজিয়াম ম্যাচের পর ইরানের ফুটবল সংস্থাই চিঠিটি প্রকাশ্যে এনেছে।
আবেগঘন বার্তায় ইরানের ফুটবলারেরা লিখেছেন, ‘‘হাজার বছরের পুরনো পারস্যই আজকের আধুনিক ইরান। আমাদের আত্মা হারিয়ে যায়নি। আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ লস অ্যাঞ্জেলেস। আমরা গর্ব নিয়ে এসেছিলাম। সম্মানের সঙ্গে লড়াই করেছি। মর্যাদা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। এই ১৮০ মিনিট যাঁরা সব কিছু দিয়ে আমাদের সমর্থন করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।’’ চিঠিতে সব শেষে লেখা হয়েছে, ‘‘সমস্ত জাতির মধ্যে শান্তি, সম্মান এবং বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক।’’
নীল কালিতে লেখা চিঠির মাঝে লাল কালিতে হ্যাসট্যাগ দিয়ে লেখা হয়েছে ১৬৮ এবং মিনাব। মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার সামরিক হামলায় মিনাবে ১৬৮ জন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর কথা। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে সোফি স্টেডিয়ামে ইরানের আর কোনও খেলা নেই। সিয়াটলে গ্রুপের শেষ খেলবে ইরান। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ মিশর। নকআউট পর্বে উঠতে হলে মহম্মদ সালাহদের হারাতে হবে।
আমেরিকার কঠোর অভিবাসন নীতির জন্য ভিসা পেতে অনেক প্রতিকূলতা অতিক্রম করতে হয়েছে ইরানের দলকে। দলের নির্ভরযোগ্য ফুটবলার মেহদি তোরাবিকে বিশ্বকাপের মধ্যেই ভিসা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়েছে। বিশ্বকাপের আগেই নিরাপত্তার বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় অ্যারিজ়োনা থেকে শিবির সরিয়ে নিয়ে যেতে হয়েছিল মেক্সিকোর তিজুয়ানায়। প্রথম ম্যাচ খেলার পর দু’ঘণ্টার মধ্যে ইরান দলকে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশও দিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। বিশ্বকাপ খেলতে এসে এমন নানা হেনস্থা নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেছেন ইরানের কোচ আমির ঘালেনই।
মিজানুর রহমান টনি