রাঙ্গামাটির বরকল উপজেলার সুবলং ইউনিয়নে নিজ বাড়ি থেকে আয়শা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর ঘরে থাকা নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রোববার (২১ জুন) রাতে উপজেলার ১ নম্বর সুবলং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরুনাছড়ি ইসলামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়শা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা মো. মফিজুল হকের স্ত্রী।
নিহতের স্বামী মো. মজিজুল ইসলাম বলেন, আমি ও আমার বড় ছেলে সকালে গাছ চিড়াতে বেরিয়ে যাই। সারাদিন আর বাসায় আসিনি। সন্ধ্যায় বাসায় এসে কাঠ রেখে গোসল সেরে বাড়িতে ফিরে ঘর অন্ধকার দেখতে পাই। পরে ঘরের বাতি জ্বালিয়ে আমার স্ত্রীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে সে ঘুমিয়ে আছেন মনে করেছিলাম, কিন্তু কাছে গিয়ে দেখতে পাই, তার মাথা রক্তাক্ত এবং তিনি মারা গেছেন। এ ছাড়া আলমারি ভাঙা অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি গরু বিক্রির প্রায় ৩ লাখ টাকা আলমারিতে রাখা হয়েছিল, যা আর পাইনি।
তিনি আরও বলেন, সোহাগ ও ওমর নামের দুইজন ব্যাক্তির আমাদের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল। আমরা সন্দেহ করছি ঘটনার সাথে তারা জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের ভাইপো মো. রাজীব ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা সকালে যে যার মত কাজে যাই। সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে আমরা ফুফুর বাড়িতে গিয়ে দেখতে পাই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। তার মরদেহের পাশে একটি রক্তমাখা ভাঙ্গা ইট ও একটি হাতুড়ি ছিল।
সোমবার সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। এসময় নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।
সুবলং পুলিশ ফাড়ির সহকারি সাব ইন্সপেক্টর মো. বাদল দেওয়ান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। নিহতের মাথা ও কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) রাতে উপজেলার ১ নম্বর সুবলং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বরুনাছড়ি ইসলামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়শা বেগম স্থানীয় বাসিন্দা মো. মফিজুল হকের স্ত্রী।
নিহতের স্বামী মো. মজিজুল ইসলাম বলেন, আমি ও আমার বড় ছেলে সকালে গাছ চিড়াতে বেরিয়ে যাই। সারাদিন আর বাসায় আসিনি। সন্ধ্যায় বাসায় এসে কাঠ রেখে গোসল সেরে বাড়িতে ফিরে ঘর অন্ধকার দেখতে পাই। পরে ঘরের বাতি জ্বালিয়ে আমার স্ত্রীকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখি। প্রথমে সে ঘুমিয়ে আছেন মনে করেছিলাম, কিন্তু কাছে গিয়ে দেখতে পাই, তার মাথা রক্তাক্ত এবং তিনি মারা গেছেন। এ ছাড়া আলমারি ভাঙা অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি গরু বিক্রির প্রায় ৩ লাখ টাকা আলমারিতে রাখা হয়েছিল, যা আর পাইনি।
তিনি আরও বলেন, সোহাগ ও ওমর নামের দুইজন ব্যাক্তির আমাদের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিল। আমরা সন্দেহ করছি ঘটনার সাথে তারা জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের ভাইপো মো. রাজীব ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা সকালে যে যার মত কাজে যাই। সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে আমরা ফুফুর বাড়িতে গিয়ে দেখতে পাই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। তার মরদেহের পাশে একটি রক্তমাখা ভাঙ্গা ইট ও একটি হাতুড়ি ছিল।
সোমবার সকালে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। এসময় নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।
সুবলং পুলিশ ফাড়ির সহকারি সাব ইন্সপেক্টর মো. বাদল দেওয়ান বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। নিহতের মাথা ও কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আনা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক