শিশু পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়ে পুলিশ হরিয়ানার পানিপথ থেকে সানি অরোরা ও রিতু অরোরা দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে। একই ঘটনায় মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র থেকে আরও এক দম্পতিকে আটক করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ওই চক্রের কাছ থেকে শিশু কিনেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, শিশু কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত পরিবারগুলোকেও মামলায় অভিযুক্ত করা হবে।
পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, চক্রটি এক দম্পতিকে প্রতারণা করে একটি ছেলে ও একটি মেয়েশিশুকে ‘যমজ’ বলে ৯ লাখ টাকায় বিক্রি করেছিল। ওই দম্পতি ছেলে সন্তান চেয়েছিলেন। কিন্তু চক্রের কাছে থাকা একটি অতিরিক্ত মেয়েশিশুকে বিক্রি করার জন্য তারা একটি ছেলে শিশুর সঙ্গে সাজিয়ে যমজ হিসেবে উপস্থাপন করে। পরে জানা যায়, শিশু দুটি আসলে যমজ ছিল না এবং তাদের আলাদা আলাদা জায়গা থেকে আনা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া কমলেশ ও প্রতিভা এর আগেও শিশু পাচার মামলায় জড়িত ছিলেন। প্রতিভা হিরার মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালসহ বিভিন্ন ল্যাবে ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। তদন্তকারীদের দাবি, তিনিই চিকিৎসক ও পাচার চক্রের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন।
অন্য অভিযুক্ত অম্বতি গুরুগ্রামে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং শিশু সংগ্রহকারী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ডিসিপি সিং অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিন নারী পুলিশ সদস্য, সাব-ইন্সপেক্টর প্রগতি, যামিনী এবং হেড কনস্টেবল সুষমার প্রশংসা করেছেন। তাদের তদন্ত ও তৎপরতার কারণে চক্রটির সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া পাঁচ শিশুকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির (CWC) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সিডব্লিউসির পালনা কেন্দ্রে রয়েছে।
শিশুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য সিডব্লিউসি আইনগতভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। প্রয়োজন অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া শিশুদের আশ্রয়, বিশেষ দত্তক সংস্থায় পাঠানো, শিশু গৃহে রাখা অথবা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দত্তকের জন্য মুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, চক্রটি এক দম্পতিকে প্রতারণা করে একটি ছেলে ও একটি মেয়েশিশুকে ‘যমজ’ বলে ৯ লাখ টাকায় বিক্রি করেছিল। ওই দম্পতি ছেলে সন্তান চেয়েছিলেন। কিন্তু চক্রের কাছে থাকা একটি অতিরিক্ত মেয়েশিশুকে বিক্রি করার জন্য তারা একটি ছেলে শিশুর সঙ্গে সাজিয়ে যমজ হিসেবে উপস্থাপন করে। পরে জানা যায়, শিশু দুটি আসলে যমজ ছিল না এবং তাদের আলাদা আলাদা জায়গা থেকে আনা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া কমলেশ ও প্রতিভা এর আগেও শিশু পাচার মামলায় জড়িত ছিলেন। প্রতিভা হিরার মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতালসহ বিভিন্ন ল্যাবে ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। তদন্তকারীদের দাবি, তিনিই চিকিৎসক ও পাচার চক্রের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করতেন।
অন্য অভিযুক্ত অম্বতি গুরুগ্রামে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং শিশু সংগ্রহকারী নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ডিসিপি সিং অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তিন নারী পুলিশ সদস্য, সাব-ইন্সপেক্টর প্রগতি, যামিনী এবং হেড কনস্টেবল সুষমার প্রশংসা করেছেন। তাদের তদন্ত ও তৎপরতার কারণে চক্রটির সন্ধান পাওয়া সম্ভব হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অভিযানে উদ্ধার হওয়া পাঁচ শিশুকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির (CWC) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সিডব্লিউসির পালনা কেন্দ্রে রয়েছে।
শিশুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য সিডব্লিউসি আইনগতভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। প্রয়োজন অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া শিশুদের আশ্রয়, বিশেষ দত্তক সংস্থায় পাঠানো, শিশু গৃহে রাখা অথবা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দত্তকের জন্য মুক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি
আন্তজার্তিক ডেস্ক