রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার পর বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কমিটিতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এর প্রতিবাদে রাজশাহীতে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।
গত বুধবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ রামেক ছাত্রদলসহ রাজশাহীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শাখা কমিটি ঘোষণা করে। এর মধ্যে রামেক, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট শাখা রয়েছে।
রামেক ছাত্রদলের কমিটিতে সহসভাপতি পদ পেয়েছেন মিজানুর রহমান। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তিনি আগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনের পদেও ছিলেন। তাদের দাবি, একসময় হোস্টেল কক্ষে মাদক সেবনের অভিযোগে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এছাড়া ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।
এই কমিটির সভাপতি হয়েছেন আমরি মীম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রিমন আলী। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া আবু হানিফা হানিফের বিরুদ্ধেও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেছেন নেতাকর্মীরা।
এদিকে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কমিটির আহ্বায়ক আবু সাঈদ হাসানকে বিবাহিত ও ব্যবসায়ী দাবি করে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে আবু সাঈদ বলেন, বিবাহিত হওয়া দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাধা নয়। অনেক বড় ইউনিটেও বিবাহিতরা দায়িত্বে আছেন।
সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামানুল হক হৃদয়ের বিরুদ্ধেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট ও আচরণের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
একই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান সুইটের বিরুদ্ধেও মাদক ও অন্যান্য মামলার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতেও কয়েকজন নেতাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সভাপতি মাহমুদ হাসান লিমন বিবাহিত বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। এছাড়া কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অতীতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া শেখ নূর মোহাম্মদ ইমনকে নিয়েও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে আপত্তি রয়েছে। তাদের দাবি, তিনি অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের কমিটি নিয়েও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, কয়েকজন পদপ্রাপ্ত নেতার অতীত রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
কমিটি ঘোষণার পর শুক্রবার রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ ও সরকারি সিটি কলেজের সামনে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এ সময় সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালানোর ঘটনাও ঘটে। সরকারি সিটি কলেজে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, কলেজ ইউনিটের এসব কমিটি কীভাবে হয়েছে তা আমরা জানি না। কেন্দ্র আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি। ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীরা বাদ পড়েছেনÑএ কারণে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে।
গত বুধবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ রামেক ছাত্রদলসহ রাজশাহীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শাখা কমিটি ঘোষণা করে। এর মধ্যে রামেক, রাজশাহী কলেজ, রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ, রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইনস্টিটিউট শাখা রয়েছে।
রামেক ছাত্রদলের কমিটিতে সহসভাপতি পদ পেয়েছেন মিজানুর রহমান। স্থানীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তিনি আগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনের পদেও ছিলেন। তাদের দাবি, একসময় হোস্টেল কক্ষে মাদক সেবনের অভিযোগে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। এছাড়া ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তারা।
এই কমিটির সভাপতি হয়েছেন আমরি মীম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন রিমন আলী। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া আবু হানিফা হানিফের বিরুদ্ধেও ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেছেন নেতাকর্মীরা।
এদিকে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কমিটির আহ্বায়ক আবু সাঈদ হাসানকে বিবাহিত ও ব্যবসায়ী দাবি করে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে আবু সাঈদ বলেন, বিবাহিত হওয়া দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাধা নয়। অনেক বড় ইউনিটেও বিবাহিতরা দায়িত্বে আছেন।
সিটি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামানুল হক হৃদয়ের বিরুদ্ধেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট ও আচরণের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
একই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান সুইটের বিরুদ্ধেও মাদক ও অন্যান্য মামলার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটিতেও কয়েকজন নেতাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সভাপতি মাহমুদ হাসান লিমন বিবাহিত বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। এছাড়া কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে অতীতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে।
রাজশাহী কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া শেখ নূর মোহাম্মদ ইমনকে নিয়েও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে আপত্তি রয়েছে। তাদের দাবি, তিনি অতীতে ভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদলের কমিটি নিয়েও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় নেতাদের অভিযোগ, কয়েকজন পদপ্রাপ্ত নেতার অতীত রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
কমিটি ঘোষণার পর শুক্রবার রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ ও সরকারি সিটি কলেজের সামনে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। এ সময় সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালানোর ঘটনাও ঘটে। সরকারি সিটি কলেজে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে।
রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের সদস্যসচিব এমদাদুল হক লিমন বলেন, কলেজ ইউনিটের এসব কমিটি কীভাবে হয়েছে তা আমরা জানি না। কেন্দ্র আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেনি। ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাকর্মীরা বাদ পড়েছেনÑএ কারণে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি কেন্দ্রকে জানানো হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার