ঠাকুরগাঁও জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও জরাজীর্ণ সড়কের কারণে টহল কার্যক্রম পরিচালনায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জেলার প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক এখনো পাকা না হওয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বিজিবি সদস্যদের।
রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় সীমান্ত ফাঁড়ি (বিওপি) ক্যাম্পে যাতায়াতের প্রায় ৬ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক বর্তমানে খানাখন্দ ও বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে| ফলে সীমান্তে টহল, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং যেকোনো জরুরি অভিযানে দ্রুত পৌঁছাতে বাধার মুখে পড়ছেন বিজিবি সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিপুর উপজেলার বেতনা, বসতপুর ও ডাবরী, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কান্তিভিটা পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা এবং রাণীশংকৈল উপজেলার জগদল ও ধর্মগড় সীমান্ত এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিওপির আওতাধীন সীমান্তে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল দিয়ে থাকেন বিজিবি সদস্যরা। কিন্তু ক্যাম্প থেকে মূল সড়কে সংযোগকারী অধিকাংশ রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
ধর্মগড় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সেখানে বিজিবির টহল যানবাহন বা পিকআপ চলাচল প্রায় অসম্ভব।
বিশেষ করে রাতের বেলা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, বিজিবি দেশের সীমান্ত পাহারা দেয়, আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। অথচ তাদের ক্যাম্পে যাওয়ার রাস্তার এমন দুরবস্থা সত্যিই দুঃখজনক। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা ঠেলে দায়িত্ব পালন করতে হয়| দ্রুত রাস্তা পাকা করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এবং বিজিবির টহল কার্যক্রম সহজ করতে সীমান্ত ফাঁড়িগুলোর সঙ্গে সংযোগকারী কাঁচা সড়ক দ্রুত পাকা করা জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচল ও কৃষিপণ্য পরিবহনেও এসব সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস জানান, সীমান্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জেলার ৩৭০ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক উন্নয়নের প্রস্তাব ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি, চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত এলাকার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ সহজ হবে।
এ বিষয়ে ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আখলাকুর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় অনেক কাঁচা রাস্তা রয়েছে। ফলে দায়িত্ব পালনে বিজিবি সদস্যদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সড়কগুলো পাকা করা হলে সীমান্তে টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
রাণীশংকৈল উপজেলার ধর্মগড় সীমান্ত ফাঁড়ি (বিওপি) ক্যাম্পে যাতায়াতের প্রায় ৬ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক বর্তমানে খানাখন্দ ও বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদাময় ও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে| ফলে সীমান্তে টহল, চোরাচালান প্রতিরোধ এবং যেকোনো জরুরি অভিযানে দ্রুত পৌঁছাতে বাধার মুখে পড়ছেন বিজিবি সদস্যরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হরিপুর উপজেলার বেতনা, বসতপুর ও ডাবরী, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কান্তিভিটা পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা এবং রাণীশংকৈল উপজেলার জগদল ও ধর্মগড় সীমান্ত এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিওপির আওতাধীন সীমান্তে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল দিয়ে থাকেন বিজিবি সদস্যরা। কিন্তু ক্যাম্প থেকে মূল সড়কে সংযোগকারী অধিকাংশ রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
ধর্মগড় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা আশরাফ আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সেখানে বিজিবির টহল যানবাহন বা পিকআপ চলাচল প্রায় অসম্ভব।
বিশেষ করে রাতের বেলা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ, বিজিবি দেশের সীমান্ত পাহারা দেয়, আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। অথচ তাদের ক্যাম্পে যাওয়ার রাস্তার এমন দুরবস্থা সত্যিই দুঃখজনক। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাদা ঠেলে দায়িত্ব পালন করতে হয়| দ্রুত রাস্তা পাকা করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এবং বিজিবির টহল কার্যক্রম সহজ করতে সীমান্ত ফাঁড়িগুলোর সঙ্গে সংযোগকারী কাঁচা সড়ক দ্রুত পাকা করা জরুরি। একই সঙ্গে সীমান্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচল ও কৃষিপণ্য পরিবহনেও এসব সড়ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন বিশ্বাস জানান, সীমান্ত সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জেলার ৩৭০ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক উন্নয়নের প্রস্তাব ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সীমান্ত নিরাপত্তা বৃদ্ধি, চোরাচালান প্রতিরোধ, সীমান্ত এলাকার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ সহজ হবে।
এ বিষয়ে ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আখলাকুর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় অনেক কাঁচা রাস্তা রয়েছে। ফলে দায়িত্ব পালনে বিজিবি সদস্যদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। সড়কগুলো পাকা করা হলে সীমান্তে টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: