নওগাঁর রাণীনগরে চলন্ত মোটরসাইকেল থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে দেশীয় অস্ত্রসহ তিন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় জনতা ও পুলিশের তাড়া খেয়ে অপর দুটি মোটরসাইকেলে থাকা আরও পাঁচ ডাকাত পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
শনিবার (২০ জুন) সকালে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১০টার দিকে রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়কের ‘গোনা মোড়’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার উত্তর সর্দারপাড়া গ্রামের ফয়সাল হোসেন (২১) এবং বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের সানা মন্ডল (২২) ও রাব্বি হাসান (১৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মাহবুব নামর এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলযোগে রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি গোনা মোড় এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা ৮ জনের একটি ডাকাতদল তাকে ধাওয়া করে। বিপদ টের পেয়ে মাহবুবের পেছনে থাকা আরোহী চিৎকার শুরু করেন। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এবং টহল পুলিশ তাৎক্ষণিক এগিয়ে আসে। অবস্থা বেগতিক দেখে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা ও পুলিশ তাদের পিছু নেয়। পরে উপজেলার খট্টেশ্বর এলাকা থেকে এক মোটরসাইকেলে থাকা তিন ডাকাতকে ধরে ফেলে জনতা। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ধারাল ছুরি উদ্ধার করা হয়। তবে বাকি দুই মোটরসাইকেলে থাকা ৫ ডাকাত পালিয়ে যায়।
ওসি জাকারিয়া মন্ডল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে তারা মূলত মোটরসাইকেলটি ছিনতাই বা ডাকাতি করার উদ্দেশ্যেই ধাওয়া করেছিল। সময়মতো জনতা ও পুলিশ এগিয়ে না এলে তারা চালককে মারধর করে গাড়িটি নিয়ে চম্পট দিত। গ্রেপ্তারদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। একই সাথে পালিয়ে যাওয়া বাকি ৫ ডাকাতকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার (১৯ জুন) রাত ১০টার দিকে রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়কের ‘গোনা মোড়’ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- নওগাঁ সদর উপজেলার উত্তর সর্দারপাড়া গ্রামের ফয়সাল হোসেন (২১) এবং বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের সানা মন্ডল (২২) ও রাব্বি হাসান (১৯)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে মাহবুব নামর এক ব্যক্তি মোটরসাইকেলযোগে রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি গোনা মোড় এলাকায় পৌঁছালে তিনটি মোটরসাইকেলে থাকা ৮ জনের একটি ডাকাতদল তাকে ধাওয়া করে। বিপদ টের পেয়ে মাহবুবের পেছনে থাকা আরোহী চিৎকার শুরু করেন। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এবং টহল পুলিশ তাৎক্ষণিক এগিয়ে আসে। অবস্থা বেগতিক দেখে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা ও পুলিশ তাদের পিছু নেয়। পরে উপজেলার খট্টেশ্বর এলাকা থেকে এক মোটরসাইকেলে থাকা তিন ডাকাতকে ধরে ফেলে জনতা। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ধারাল ছুরি উদ্ধার করা হয়। তবে বাকি দুই মোটরসাইকেলে থাকা ৫ ডাকাত পালিয়ে যায়।
ওসি জাকারিয়া মন্ডল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে তারা মূলত মোটরসাইকেলটি ছিনতাই বা ডাকাতি করার উদ্দেশ্যেই ধাওয়া করেছিল। সময়মতো জনতা ও পুলিশ এগিয়ে না এলে তারা চালককে মারধর করে গাড়িটি নিয়ে চম্পট দিত। গ্রেপ্তারদের অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রক্রিয়া চলছে। একই সাথে পালিয়ে যাওয়া বাকি ৫ ডাকাতকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধি :