অভিনেতা সালমান খানের অনুমতি ছাড়া তাঁর জীবন, ব্যক্তিগত পরিচয় ও জনপ্রিয় ভাবমূর্তি ব্যবহার করে ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ ছবি তৈরি করা হচ্ছে, এই অভিযোগে দায়ের করা মামলার শুনানি পিছিয়ে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট।
ছবিটির শুটিং, প্রচার ও মুক্তি বন্ধের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সালমান খান। শুক্রবার বিচারপতি মধু জৈনের অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। সালমানের হয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সন্দীপ শেঠি। তিনি ছবির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সুরক্ষার আবেদন জানান।
সালমানের আইনজীবীর দাবি, নির্মাতারা তাঁর জীবন, পরিচিতি এবং জনপ্রিয় ভাবমূর্তি অনুমতি ছাড়াই ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করছেন। আদালতে তিনি বলেন, “আমার জীবন নিয়ে ছবি তৈরি করা হচ্ছে। কারও আমার জীবন নিয়ে ছবি বানানোর অধিকার নেই। আমি অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা চাইছি। তিনি আরও জানান, ছবির টিজার ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ছবির নির্মাতাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতের কাছে জবাব দেওয়ার জন্য সময় চান। তাঁর বক্তব্য, বুধবারই সালমানের আবেদনের কপি হাতে পেয়েছেন, তাই বিস্তারিত জবাব প্রস্তুতের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এই কারণে আদালত শুনানি স্থগিত রাখে।
শুনানির সময় নির্মাতাদের পক্ষের আইনজীবী জানান, তাঁকে নাকি মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
সালমান খানের অভিযোগ, ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ তাঁর ব্যক্তিত্ব ও প্রচার অধিকার (personality and publicity rights) লঙ্ঘন করছে। ছবিটি তাঁর ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট ছবির বিষয়ে নোটিস জারি করেছিল। সালমানের দাবি, ছবির গল্প ও প্রচারমূলক বিষয়বস্তু ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি। যদিও ছবিতে তাঁর নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে পোস্টার, প্রচার এবং নির্মাতাদের বক্তব্য দেখে দর্শক তাঁকে সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন বলে তাঁর অভিযোগ।
আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত একটি পোস্টারে এমন একটি চরিত্র দেখানো হয়েছে, যার চেহারা সালমান খানের সঙ্গে মিল রয়েছে। সেখানে তাঁর পরিচিত নীল ব্রেসলেটের মতো একটি ব্রেসলেটও দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সালমানের অভিযোগ, ওই চরিত্রকে বন্দুক হাতে দেখানো হয়েছে, যদিও অস্ত্র আইনের মামলায় তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন। এতে দর্শকদের মধ্যে তাঁর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও দাবি করেছেন, ছবির কিছু বিষয় এখনও বিচারাধীন মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ছবিটি মুক্তি পেলে চলমান আইনি প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে এবং তাঁর ন্যায়বিচারের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানায়, নির্মাতা ও পরিচালকের পক্ষের আইনজীবী সম্প্রতি মামলার নথি পেয়েছেন। তাই আগামী ১ জুলাই মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
ছবিটির শুটিং, প্রচার ও মুক্তি বন্ধের আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সালমান খান। শুক্রবার বিচারপতি মধু জৈনের অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। সালমানের হয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সন্দীপ শেঠি। তিনি ছবির বিষয়ে অন্তর্বর্তী সুরক্ষার আবেদন জানান।
সালমানের আইনজীবীর দাবি, নির্মাতারা তাঁর জীবন, পরিচিতি এবং জনপ্রিয় ভাবমূর্তি অনুমতি ছাড়াই ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করছেন। আদালতে তিনি বলেন, “আমার জীবন নিয়ে ছবি তৈরি করা হচ্ছে। কারও আমার জীবন নিয়ে ছবি বানানোর অধিকার নেই। আমি অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা চাইছি। তিনি আরও জানান, ছবির টিজার ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ছবির নির্মাতাদের পক্ষের আইনজীবী আদালতের কাছে জবাব দেওয়ার জন্য সময় চান। তাঁর বক্তব্য, বুধবারই সালমানের আবেদনের কপি হাতে পেয়েছেন, তাই বিস্তারিত জবাব প্রস্তুতের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এই কারণে আদালত শুনানি স্থগিত রাখে।
শুনানির সময় নির্মাতাদের পক্ষের আইনজীবী জানান, তাঁকে নাকি মৃত্যুর হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
সালমান খানের অভিযোগ, ‘কালা হিরণ: দ্য ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ তাঁর ব্যক্তিত্ব ও প্রচার অধিকার (personality and publicity rights) লঙ্ঘন করছে। ছবিটি তাঁর ভাবমূর্তির ক্ষতি করতে পারে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট ছবির বিষয়ে নোটিস জারি করেছিল। সালমানের দাবি, ছবির গল্প ও প্রচারমূলক বিষয়বস্তু ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি। যদিও ছবিতে তাঁর নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে পোস্টার, প্রচার এবং নির্মাতাদের বক্তব্য দেখে দর্শক তাঁকে সহজেই শনাক্ত করতে পারবেন বলে তাঁর অভিযোগ।
আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত একটি পোস্টারে এমন একটি চরিত্র দেখানো হয়েছে, যার চেহারা সালমান খানের সঙ্গে মিল রয়েছে। সেখানে তাঁর পরিচিত নীল ব্রেসলেটের মতো একটি ব্রেসলেটও দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সালমানের অভিযোগ, ওই চরিত্রকে বন্দুক হাতে দেখানো হয়েছে, যদিও অস্ত্র আইনের মামলায় তিনি আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন। এতে দর্শকদের মধ্যে তাঁর সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ধারণা তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও দাবি করেছেন, ছবির কিছু বিষয় এখনও বিচারাধীন মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত। ছবিটি মুক্তি পেলে চলমান আইনি প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে এবং তাঁর ন্যায়বিচারের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানায়, নির্মাতা ও পরিচালকের পক্ষের আইনজীবী সম্প্রতি মামলার নথি পেয়েছেন। তাই আগামী ১ জুলাই মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
তামান্না হাবিব নিশু