‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারোমাস’ এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ফল মেলা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা ১১টায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
মেলার প্রধান অতিথি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, নওগাঁর আম এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। চাষিরা যাতে আমের সঠিক মূল্য পান এবং ভোক্তারা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কেমিকেলমুক্ত ফল খেতে পারেন, প্রশাসন সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ফল সংরক্ষণের আধুনিক প্রযুক্তি জেলার প্রান্তিক চাষিদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কৃষি বিভাগকে আরও তৎপর হতে হবে।
তিনি মেলায় আগত দর্শনার্থী ও চাষিদের ধন্যবাদ জানিয়ে জেলার ফল উৎপাদন আরও বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) রেজাউল করিম প্রমুখ।
আলোচনায় বক্তারা নওগাঁ জেলায় আম চাষের বর্তমান সমৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ফল দীর্ঘ সময় ভালো রাখার জন্য আধুনিক সংরক্ষণ প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় আম চাষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেলায় মোট ১০টি স্টল অংশ নিয়েছে। এসব স্টলে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের জন্য দেশের ঐতিহ্যবাহী আমসহ বিদেশি জাতের আমের এক বিশাল সমাহার রাখা হয়েছে। মেলায় প্রদর্শিত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, আম্রপালিসহ দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ৭৭ প্রজাতির আম ও বিভিন্ন মৌসুমী ফল।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা ১১টায় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
মেলার প্রধান অতিথি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, নওগাঁর আম এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। চাষিরা যাতে আমের সঠিক মূল্য পান এবং ভোক্তারা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কেমিকেলমুক্ত ফল খেতে পারেন, প্রশাসন সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি ফল সংরক্ষণের আধুনিক প্রযুক্তি জেলার প্রান্তিক চাষিদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কৃষি বিভাগকে আরও তৎপর হতে হবে।
তিনি মেলায় আগত দর্শনার্থী ও চাষিদের ধন্যবাদ জানিয়ে জেলার ফল উৎপাদন আরও বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে অধিদপ্তরের অডিটোরিয়ামে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. মনজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) রেজাউল করিম প্রমুখ।
আলোচনায় বক্তারা নওগাঁ জেলায় আম চাষের বর্তমান সমৃদ্ধি এবং উৎপাদিত ফল দীর্ঘ সময় ভালো রাখার জন্য আধুনিক সংরক্ষণ প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় আম চাষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের মেলায় মোট ১০টি স্টল অংশ নিয়েছে। এসব স্টলে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের জন্য দেশের ঐতিহ্যবাহী আমসহ বিদেশি জাতের আমের এক বিশাল সমাহার রাখা হয়েছে। মেলায় প্রদর্শিত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ল্যাংড়া, গোপালভোগ, আম্রপালিসহ দেশি-বিদেশি মিলিয়ে প্রায় ৭৭ প্রজাতির আম ও বিভিন্ন মৌসুমী ফল।
নিজস্ব প্রতিবেদক