নওগাঁর মান্দা উপজেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। ‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গতকাল উপজেলার হলরূমে মেলার উদ্বোধন করা হয়। ২০ শে জুন পর্যন্ত এ মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
মেলায় দেশীয় বিভিন্ন মৌসুমি ফলের প্রদর্শনী, ফল চাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ফল সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং কৃষকদের জন্য পরামর্শ সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন, উপজেলা প্রকল্ল বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সীমা কর্মকার, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা রুমেলা খাতুন, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আজিমুদ্দিন, এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ। এছাড়াও উপজেলার সকল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন এবং বাণিজ্যিক ফল চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মেলায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক, ফলচাষি, শিক্ষার্থী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
মেলায় দেশীয় বিভিন্ন মৌসুমি ফলের প্রদর্শনী, ফল চাষে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ফল সংরক্ষণ পদ্ধতি এবং কৃষকদের জন্য পরামর্শ সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন, উপজেলা প্রকল্ল বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা সীমা কর্মকার, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা রুমেলা খাতুন, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আজিমুদ্দিন, এবং উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ। এছাড়াও উপজেলার সকল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ফল চাষে কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধি, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন এবং বাণিজ্যিক ফল চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
মেলায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষক, ফলচাষি, শিক্ষার্থী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
এস. এ সিরাজুল ইসলাম, মান্দা :