সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার বহুল আলোচিত ছাদির হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান পলাতক আসামি সুমন মিয়া (২৫)কে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (১৭ জুন) রাতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-৯, সিলেটের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত সুমন মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে , সে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর এলাকার দরবার মার্কেট সংলগ্ন ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় অবস্থান করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে রাত সোয় ৭টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত ছাদির হোসেন (৩৮) শাল্লা উপজেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ঢাকায় হকারি ব্যবসা করতেন এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি দেওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন। স্থানীয় সামাজিক ও গ্রাম্য বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৯ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ২৫ জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাদির হোসেনের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ মে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১ জুন শাল্লা থানায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৩০২, ৩৭৯, ১১৪, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টাও চলমান রয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) রাতে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র্যাব-৯, সিলেটের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত সুমন মিয়া সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে , সে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর এলাকার দরবার মার্কেট সংলগ্ন ১ নম্বর রেলগেট এলাকায় অবস্থান করছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে রাত সোয় ৭টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নিহত ছাদির হোসেন (৩৮) শাল্লা উপজেলার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ঢাকায় হকারি ব্যবসা করতেন এবং ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি দেওয়ার জন্য বাড়িতে এসেছিলেন। স্থানীয় সামাজিক ও গ্রাম্য বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অভিযুক্তদের সঙ্গে তার পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৯ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ২৫ জন এজাহারভুক্ত আসামিসহ আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ছাদির হোসেনের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ মে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ১ জুন শাল্লা থানায় ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোডের ১৪৩, ৪৪৭, ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৩০২, ৩৭৯, ১১৪, ৫০৬(২) ও ৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চট্টগ্রাম মহানগরীর চান্দগাঁও থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টাও চলমান রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক