যুদ্ধবিরতি চুক্তি সইয়ের দু’দিন আগে আবার ইরানকে হুঁশিয়ার দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার তিনি বলেন, ‘‘যদি চুক্তির খসড়া গ্রহণযোগ্য না হয়, তা হলে আবার আমেরিকা হামলা শুরু করবে। আমরা ইরানে আবার বোমা ফেলব।’’ জি৭ শীর্ষবৈঠকে যোগ দিতে বর্তমানে ফ্রান্সের এভিয়ঁ-লে-বাঁ শহরে রয়েছেন ট্রাম্প। সেখানে বুধবার সদস্যরাষ্ট্রগুলির নেতারা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে ওয়াশিংটন-তেহরান অন্তর্বর্তী চুক্তিকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি, লেবাননের উপর ইজরায়েলি হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
আমেরিকা-ইরান চুক্তির খসড়া এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশিত হয়নি। চুক্তিতে কী কী বিষয় থাকছে, ইরানকে কতটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশকে উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে দাবি, চুক্তির নথিতে কী কী উল্লেখ থাকছে, তা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, দু’পক্ষের মধ্যে গোপন আলোচনা এবং প্রতিশ্রুতিগুলির তাতে উল্লেখ নেই। যুদ্ধবিরতি কার্যকরে লক্ষ্যে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ইতিমধ্যেই একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি (মউ) ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তাতে কোনও শর্তের উল্লেখ নেই। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে আগামী শুক্রবার।
এরই মধ্যে কট্টরপন্থী মার্কিন রাজনীতিকেরা দাবি তুলেছেন, চুক্তিতে কী কী রয়েছে, সেই রূপরেখা তাঁদের দেখাতে হবে। তাঁরা সন্দেহ করছেন, যুদ্ধ শেষ করার নামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসন তেহরানকে অনেক বেশি ছাড় দিয়ে দিচ্ছে। এই আবহে বুধবার ট্রাম্পের মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসিকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত নয়। এটি একটি সমঝোতা স্মারকলিপি। আর যদি আমি এটি পছন্দ না করি, আমরা আবার তাদের উপর গুলি চালাব, তাদের মাথার উপর বোমা ফেলব!”
ইরান যদি ‘ভালো আচরণ না করে’ তা হলে ইরানের মাথার উপর বোমা ফেলা হলে বলেও জানান ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, আমেরিকা-ইরানের মধ্যে যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও। তাঁরও দাবি, ওটি একটি খুবই সাধারণ নথি। সিএনএন-কে মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ইরান বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আমেরিকাকে। ওই প্রতিশ্রুতিগুলির কারণেই আমেরিকা চুক্তিস্বাক্ষরে আরও বেশি আগ্রহী হয়েছে। তবে ওই গোপন প্রতিশ্রুতিগুলির কথা নথিতে উল্লেখ নেই। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নথিতে মূলত বলা হয়েছে— আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। পরমাণু বিষয় নিয়ে একটি চুক্তি করবে এবং লেনদেন বন্ধ থাকা তহবিলগুলিকে ছাড় দেবে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে যখন আলোচনার অগ্রগতি হবে। ফ্রিজ় থাকা তহবিল কী পদ্ধতিতে ছাড়া হবে, তা নিয়ে ঐকমত্য হওয়ার পরেই তা ছাড়া হবে। এরই মধ্যে বুধবার ফ্রান্সে জি৭ শীর্ষবৈঠকে হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমাতে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প জলপথের সন্ধান করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এভিয়ঁ-লে-বাঁ শহরে হাজির রাষ্ট্রনেতারা এ বিষয়ে আমেরিকাকে তৎপর হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
আমেরিকা-ইরান চুক্তির খসড়া এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রকাশিত হয়নি। চুক্তিতে কী কী বিষয় থাকছে, ইরানকে কতটা ছাড় দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশকে উদ্ধৃত করে প্রকাশিত খবরে দাবি, চুক্তির নথিতে কী কী উল্লেখ থাকছে, তা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ, দু’পক্ষের মধ্যে গোপন আলোচনা এবং প্রতিশ্রুতিগুলির তাতে উল্লেখ নেই। যুদ্ধবিরতি কার্যকরে লক্ষ্যে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ইতিমধ্যেই একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি (মউ) ভার্চুয়াল মাধ্যমে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তাতে কোনও শর্তের উল্লেখ নেই। চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে আগামী শুক্রবার।
এরই মধ্যে কট্টরপন্থী মার্কিন রাজনীতিকেরা দাবি তুলেছেন, চুক্তিতে কী কী রয়েছে, সেই রূপরেখা তাঁদের দেখাতে হবে। তাঁরা সন্দেহ করছেন, যুদ্ধ শেষ করার নামে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাঁর প্রশাসন তেহরানকে অনেক বেশি ছাড় দিয়ে দিচ্ছে। এই আবহে বুধবার ট্রাম্পের মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল-সিসিকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত নয়। এটি একটি সমঝোতা স্মারকলিপি। আর যদি আমি এটি পছন্দ না করি, আমরা আবার তাদের উপর গুলি চালাব, তাদের মাথার উপর বোমা ফেলব!”
ইরান যদি ‘ভালো আচরণ না করে’ তা হলে ইরানের মাথার উপর বোমা ফেলা হলে বলেও জানান ট্রাম্প। প্রসঙ্গত, আমেরিকা-ইরানের মধ্যে যে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্সও। তাঁরও দাবি, ওটি একটি খুবই সাধারণ নথি। সিএনএন-কে মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, ইরান বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আমেরিকাকে। ওই প্রতিশ্রুতিগুলির কারণেই আমেরিকা চুক্তিস্বাক্ষরে আরও বেশি আগ্রহী হয়েছে। তবে ওই গোপন প্রতিশ্রুতিগুলির কথা নথিতে উল্লেখ নেই। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নথিতে মূলত বলা হয়েছে— আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। পরমাণু বিষয় নিয়ে একটি চুক্তি করবে এবং লেনদেন বন্ধ থাকা তহবিলগুলিকে ছাড় দেবে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা তোলা হবে যখন আলোচনার অগ্রগতি হবে। ফ্রিজ় থাকা তহবিল কী পদ্ধতিতে ছাড়া হবে, তা নিয়ে ঐকমত্য হওয়ার পরেই তা ছাড়া হবে। এরই মধ্যে বুধবার ফ্রান্সে জি৭ শীর্ষবৈঠকে হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমাতে জ্বালানি সরবরাহের বিকল্প জলপথের সন্ধান করার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এভিয়ঁ-লে-বাঁ শহরে হাজির রাষ্ট্রনেতারা এ বিষয়ে আমেরিকাকে তৎপর হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
আন্তজার্তিক ডেস্ক