বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন)-এর কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৭ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে দিনব্যাপী এক আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার রাজশাহী পুলিশ লাইনসের পিওএম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এ কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগ ও রেঞ্জের ৮৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নারী কর্মকর্তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকারবোধ ছাড়া প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা অর্জন সম্ভব নয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানকেও তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ ফয়েজুল কবির। তিনি নারী পুলিশ সদস্যদের পেশাগত উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (অর্থ) আতিয়া হুসনা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৮ হাজার নারী পুলিশ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাদের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সক্ষমতা ও নেতৃত্ব উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিপিডব্লিউএন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
কর্মশালায় বিপিডব্লিউএনের প্রতিনিধিরা কৌশলগত পরিকল্পনার মূল বিষয়সমূহ, কর্ম-জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার উপায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবেলার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিষয়ভিত্তিক অধিবেশন পরিচালনা করেন।
এছাড়া ইউএন উইমেনের প্রতিনিধিরা জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি লায়লা জাসমিন বানু বিপিডব্লিউএনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, সমষ্টিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৭ বাস্তবায়ন আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা যৌন হয়রানির অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা, বিদ্যমান প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা এবং বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়।
উল্লেখ্য, ইউএন উইমেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে আসছে। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত এন্ডিং সেক্সুয়াল অ্যান্ড জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স ইন পাবলিক স্পেসেস, ওয়ার্কপ্লেসেস অ্যান্ড ইন টারশিয়ারি এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনস ইন বাংলাদেশ (ESGBV) প্রকল্পে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএন অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
শনিবার রাজশাহী পুলিশ লাইনসের পিওএম কনফারেন্স হলে আয়োজিত এ কর্মশালায় রাজশাহী বিভাগ ও রেঞ্জের ৮৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালার উদ্বোধন করেন রাজশাহী রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান, পিপিএম (বার), পিএইচডি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, নারী কর্মকর্তাদের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে। পেশার প্রতি দায়বদ্ধতা ও অঙ্গীকারবোধ ছাড়া প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা অর্জন সম্ভব নয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানকেও তাদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোঃ ফয়েজুল কবির। তিনি নারী পুলিশ সদস্যদের পেশাগত উন্নয়ন ও নেতৃত্ব বিকাশে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক (অর্থ) আতিয়া হুসনা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৮ হাজার নারী পুলিশ সদস্য কর্মরত রয়েছেন। তাদের সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সক্ষমতা ও নেতৃত্ব উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিপিডব্লিউএন এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
কর্মশালায় বিপিডব্লিউএনের প্রতিনিধিরা কৌশলগত পরিকল্পনার মূল বিষয়সমূহ, কর্ম-জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখার উপায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা মোকাবেলার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিষয়ভিত্তিক অধিবেশন পরিচালনা করেন।
এছাড়া ইউএন উইমেনের প্রতিনিধিরা জেন্ডার-সংবেদনশীল পুলিশিং, কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি লায়লা জাসমিন বানু বিপিডব্লিউএনের কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, সমষ্টিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কৌশলগত পরিকল্পনা ২০২৪-২০২৭ বাস্তবায়ন আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা যৌন হয়রানির অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা, বিদ্যমান প্রতিরোধ কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা এবং বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সাইবার অপরাধ মোকাবেলায় বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও লজিস্টিক সহায়তা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়।
উল্লেখ্য, ইউএন উইমেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে আসছে। বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত এন্ডিং সেক্সুয়াল অ্যান্ড জেন্ডার-বেসড ভায়োলেন্স ইন পাবলিক স্পেসেস, ওয়ার্কপ্লেসেস অ্যান্ড ইন টারশিয়ারি এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনস ইন বাংলাদেশ (ESGBV) প্রকল্পে বাংলাদেশ পুলিশ ও বিপিডব্লিউএন অন্যতম প্রধান অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :