চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বহুল আলোচিত দুবাই প্রবাসী মো. সেলিম (৪৫) হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মাইন উদ্দিনকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত সেলিম সাতকানিয়া উপজেলার চরতী গ্রামের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন দুবাই প্রবাসী ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি দেশে ফেরেন। গত ২৮ মে সন্ধ্যায় সাতকানিয়া থানার বাংলা বাজার এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে একদল লোক তাকে ঘিরে ধরে হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, লাঠি, রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ও পুলিশ তাকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় ৩০ জনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০-এর বিভিন্ন ধারায় রুজু করা হয়।
মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৭ নজরদারি অব্যাহত রাখে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার ১২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মাইন উদ্দিন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ জুন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-৭-এর একটি আভিযানিক দল জোরারগঞ্জ থানার বিএসআরএম ফ্যাক্টরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত মাইন উদ্দিন সাতকানিয়া উপজেলার তালগাঁও এলাকার নসরুল হকের ছেলে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সাতকানিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আলোচিত এ হত্যা মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, নিহত সেলিম সাতকানিয়া উপজেলার চরতী গ্রামের বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন দুবাই প্রবাসী ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি দেশে ফেরেন। গত ২৮ মে সন্ধ্যায় সাতকানিয়া থানার বাংলা বাজার এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে একদল লোক তাকে ঘিরে ধরে হামলা চালায়। অভিযোগ অনুযায়ী, লাঠি, রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ও পুলিশ তাকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সাতকানিয়া থানায় ৩০ জনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি পেনাল কোড ১৮৬০-এর বিভিন্ন ধারায় রুজু করা হয়।
মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৭ নজরদারি অব্যাহত রাখে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার ১২ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি মাইন উদ্দিন চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ এলাকায় অবস্থান করছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ জুন সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে র্যাব-৭-এর একটি আভিযানিক দল জোরারগঞ্জ থানার বিএসআরএম ফ্যাক্টরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত মাইন উদ্দিন সাতকানিয়া উপজেলার তালগাঁও এলাকার নসরুল হকের ছেলে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সাতকানিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আলোচিত এ হত্যা মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক