রাজশাহীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে মিজানুর রহমান মিনুর অবদানের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৯৪ সালের ২৩ জানুয়ারি রাজশাহী মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনুর পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন এবং বলেন, “রাজশাহীর উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে মিনুর কোনো বিকল্প নেই।”
জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া মিনুকে একজন সৎ, দক্ষ ও উন্নয়নমুখী নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার নেতৃত্বে রাজশাহী নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালিত হয়েছে। তিনি জানান, মিনুর প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই রাজশাহীর জন্য বিপুল পরিমাণ উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা পূর্বে কখনও দেখা যায়নি।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী বাইপাস সড়ক নির্মাণ, পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র এবং পৃথক রেশন ডিপো প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজশাহীর উন্নয়ন ও নগর ব্যবস্থাপনায় মিজানুর রহমান মিনুর ভূমিকা সে সময় জাতীয় পর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।
জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া মিনুকে একজন সৎ, দক্ষ ও উন্নয়নমুখী নেতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার নেতৃত্বে রাজশাহী নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দুর্নীতিমুক্তভাবে পরিচালিত হয়েছে। তিনি জানান, মিনুর প্রচেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যেই রাজশাহীর জন্য বিপুল পরিমাণ উন্নয়ন তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা পূর্বে কখনও দেখা যায়নি।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজশাহী বাইপাস সড়ক নির্মাণ, পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র এবং পৃথক রেশন ডিপো প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজশাহীর উন্নয়ন ও নগর ব্যবস্থাপনায় মিজানুর রহমান মিনুর ভূমিকা সে সময় জাতীয় পর্যায়েও প্রশংসিত হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :