বগুড়ার আদমদীঘিতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ছয় বছর বয়সী এক শিশুকন্যার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
মৃত শিশুর নাম রাকিকা আক্তার রাকা (৬)। সে সান্তাহার পৌরসভার ইয়ার্ড কলোনি নূরানি মাদ্রাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা রায়হান আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাকা প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার দাদি, ফুফু ও বাবা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
রাকাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানান। পরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে রাকার বাবাকে আদমদীঘি থানায় পাঠানো হয়।
এ সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে খবর আসে, সান্তাহার পৌরসভার সাহেবপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের বাড়ির শয়নকক্ষ-সংলগ্ন একটি কক্ষে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর রাকার মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন প্রধান সন্দেহভাজন আমজাদ হোসেনকে আটক করে রাখেন।
খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমজাদ হোসেন (৪০), তার স্ত্রী বন্যা (৩২) এবং অপর সহযোগী বাবুকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেন। এ সময় গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে ভরে ঘরের পাশে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের হেফাজতে নেয়।
তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়া মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
মৃত শিশুর নাম রাকিকা আক্তার রাকা (৬)। সে সান্তাহার পৌরসভার ইয়ার্ড কলোনি নূরানি মাদ্রাসার শিশু শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা রায়হান আলী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রাকা প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বের হয়। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার দাদি, ফুফু ও বাবা এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
রাকাকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানান। পরে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে রাকার বাবাকে আদমদীঘি থানায় পাঠানো হয়।
এ সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে খবর আসে, সান্তাহার পৌরসভার সাহেবপাড়া এলাকার আমজাদ হোসেনের বাড়ির শয়নকক্ষ-সংলগ্ন একটি কক্ষে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর রাকার মরদেহ পাওয়া গেছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন প্রধান সন্দেহভাজন আমজাদ হোসেনকে আটক করে রাখেন।
খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা ও সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমজাদ হোসেন (৪০), তার স্ত্রী বন্যা (৩২) এবং অপর সহযোগী বাবুকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেন। এ সময় গণপিটুনিতে আহত হওয়ায় আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহটি একটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে ভরে ঘরের পাশে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার এবং অভিযুক্তদের হেফাজতে নেয়।
তিনি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়া মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বগুড়া প্রতিনিধি: