ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে জুলাই থেকে বাংলা কিউআর ফুটপাতেও ব্যবহার করতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ফুটপাতেও এটি ব্যবহার করতে হবে।
এ সময় মোস্তাকুর রহমান বলেন, যারা টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে, তাদের শান্তিতে থাকতে দেব না। এজন্য ১০টা এজেন্সি কাজ করছে। অনেক দেশে সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে। এটি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। পাচারকারীরা বিভিন্ন দেশে সম্পত্তি ট্রান্সফার করে ফেলছে। কিন্তু আমরা পাচারকারীদের পিছু ছাড়ব না।
গভর্নর বলেন, জ্বালানিতে গত ১৭ বছর সমুদ্র বিজয় দেখেছি। কিন্তু যেসব জায়গায় গ্যাস পাওয়া যেতে সেগুলোতে খুঁজে দেখেনি। পুরো আমদানি নির্ভরতায় ১৭ বছর চলেছে।
বাপেক্স শক্তিশালী করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনে বিদেশি সহায়তা নেয়া হবে। ব্লকগুলো না পাওয়া পর্যন্ত এটির চেষ্টা হবে। এ ছাড়া, রফতানি বাড়াতে সোলারে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওযার কারণে অন্য সোর্সে জ্বালানি ক্রয় করতে হচ্ছে। জ্বালানি নিশ্চয়তায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের তেল ক্রয় করা হয়েছে।
‘বিদ্যুৎ খাত হিসাববিহীনভাবে চলেছে। ব্যয় বেশি, আয় নেই। সেখানে বড় ঘাটতি ছিলে। ৫৬ হাজার কোটি টাকা আইপিবিতে বকেয়া পেমেন্ট এসে পড়েছে সরকারের দায়িত্ব নেয়ার সময়’, যোগ করেন গভর্নর।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেন, আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ফুটপাতেও এটি ব্যবহার করতে হবে।
এ সময় মোস্তাকুর রহমান বলেন, যারা টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে, তাদের শান্তিতে থাকতে দেব না। এজন্য ১০টা এজেন্সি কাজ করছে। অনেক দেশে সম্পদ ফ্রিজ করা হয়েছে। এটি আরও শক্তিশালী হচ্ছে। পাচারকারীরা বিভিন্ন দেশে সম্পত্তি ট্রান্সফার করে ফেলছে। কিন্তু আমরা পাচারকারীদের পিছু ছাড়ব না।
গভর্নর বলেন, জ্বালানিতে গত ১৭ বছর সমুদ্র বিজয় দেখেছি। কিন্তু যেসব জায়গায় গ্যাস পাওয়া যেতে সেগুলোতে খুঁজে দেখেনি। পুরো আমদানি নির্ভরতায় ১৭ বছর চলেছে।
বাপেক্স শক্তিশালী করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনে বিদেশি সহায়তা নেয়া হবে। ব্লকগুলো না পাওয়া পর্যন্ত এটির চেষ্টা হবে। এ ছাড়া, রফতানি বাড়াতে সোলারে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওযার কারণে অন্য সোর্সে জ্বালানি ক্রয় করতে হচ্ছে। জ্বালানি নিশ্চয়তায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের তেল ক্রয় করা হয়েছে।
‘বিদ্যুৎ খাত হিসাববিহীনভাবে চলেছে। ব্যয় বেশি, আয় নেই। সেখানে বড় ঘাটতি ছিলে। ৫৬ হাজার কোটি টাকা আইপিবিতে বকেয়া পেমেন্ট এসে পড়েছে সরকারের দায়িত্ব নেয়ার সময়’, যোগ করেন গভর্নর।
অনলাইন ডেস্ক