খাগড়াছড়ির গুইমারায় বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে বেধড়ক পিটিয়েছেন কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ ধরনের পৃথক দুই ঘটনায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ৬ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং তাদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) রাতে গুইমারার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে গুইমারার বড়পিলাক এলাকায় মো. হাসেম নামে একজনের বাড়িতে গোপন বৈঠক করছিলেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী। খবর পেয়ে সেই বৈঠকে বাধা দিতে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। কিন্তু, বিষয়টি টের পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে বসেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ৫ জন আহত হন এ হামলায়।
আহতরা হলেন হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি এবং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য মামুন ও সদস্য মাহবুব আলম।
অন্যদিকে একই রাতে বাইল্যাছড়ি এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী বাপ্পির নেতৃত্বে গুইমারা ইউনিয়ন ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ওমর ফারুক বাবুর ওপর পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় কয়েকজন। হামলায় বাবুর মাথা গুরুতর জখম হয়।
গুইমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আরিফ বলেন, বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এসব হামলা করেছে মন্তব্য করে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, বড়পিলাক এলাকায় হামলার ঘটনা কানে এসেছে। তবে, বাইল্যাছড়ির ঘটনার বিষয়ে আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (১০ জুন) রাতে গুইমারার বড়পিলাক ও বাইল্যাছড়ি এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে গুইমারার বড়পিলাক এলাকায় মো. হাসেম নামে একজনের বাড়িতে গোপন বৈঠক করছিলেন আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী। খবর পেয়ে সেই বৈঠকে বাধা দিতে যান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। কিন্তু, বিষয়টি টের পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে বসেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। ৫ জন আহত হন এ হামলায়।
আহতরা হলেন হাফছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির, বড়পিলাক ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য জাহাঙ্গীর আলম রনি এবং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য মামুন ও সদস্য মাহবুব আলম।
অন্যদিকে একই রাতে বাইল্যাছড়ি এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কর্মী বাপ্পির নেতৃত্বে গুইমারা ইউনিয়ন ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ওমর ফারুক বাবুর ওপর পেছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় কয়েকজন। হামলায় বাবুর মাথা গুরুতর জখম হয়।
গুইমারা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আরিফ বলেন, বাবুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এসব হামলা করেছে মন্তব্য করে খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার বলেন, পৃথক দুটি হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহরাওয়ার্দী বলেন, বড়পিলাক এলাকায় হামলার ঘটনা কানে এসেছে। তবে, বাইল্যাছড়ির ঘটনার বিষয়ে আমার জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অনলাইন ডেস্ক