ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার টাঙ্গন নদীর সাগুনী রাবার ড্যামের উজানে প্রায় এক হেক্টর জলাশয়কে ‘সাগুনী রাবার ড্যাম মৎস্য অভয়াশ্রম’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে সাগুনী রাবার ড্যাম এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদার।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, নদী ও জলাশয়ে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত মাছ শিকার, অবৈধ জাল ব্যবহার এবং পরিবেশগত নানা কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মৎস্য অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি অভয়াশ্রম এলাকার পরিবেশ রক্ষা এবং মাছ নিধন থেকে বিরত থাকতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়শা আক্তার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সনাতন চন্দ্র রায়সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মৎস্যজীবী নেতারা।সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়শা আক্তার বলেন, মৎস্য অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মাছের নিরাপদ বিচরণ ও প্রজননের পরিবেশ নিশ্চিত হবে। এতে বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের আয় বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সভায় স্থানীয় মৎস্যচাষী প্রভাত সমীর শাহজাহান, ইব্রাহীম আলী, শহিদুল ইসলাম, বাবুল হোসেনসহ অন্যান্য বক্তারা অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী, সুফলভোগী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, টাঙ্গন নদী একসময় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সমৃদ্ধ আধার ছিল। অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার ফলে নদীতে মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সমৃদ্ধ জলজ পরিবেশ উপহার পাবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ‘সাগুনী রাবার ড্যাম মৎস্য অভয়াশ্রম’ শুধু মাছ সংরক্ষণেই নয়, বরং টাঙ্গন নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বুধবার (১০ জুন) দুপুরে সাগুনী রাবার ড্যাম এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদার।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, নদী ও জলাশয়ে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। অপরিকল্পিত মাছ শিকার, অবৈধ জাল ব্যবহার এবং পরিবেশগত নানা কারণে দেশীয় প্রজাতির মাছের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। এ অবস্থায় মৎস্য অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা দেশীয় মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি অভয়াশ্রম এলাকার পরিবেশ রক্ষা এবং মাছ নিধন থেকে বিরত থাকতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়শা আক্তার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তারিফুল ইসলাম, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সনাতন চন্দ্র রায়সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মৎস্যজীবী নেতারা।সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়শা আক্তার বলেন, মৎস্য অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মাছের নিরাপদ বিচরণ ও প্রজননের পরিবেশ নিশ্চিত হবে। এতে বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের আয় বাড়বে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
সভায় স্থানীয় মৎস্যচাষী প্রভাত সমীর শাহজাহান, ইব্রাহীম আলী, শহিদুল ইসলাম, বাবুল হোসেনসহ অন্যান্য বক্তারা অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে এর সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী, সুফলভোগী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, টাঙ্গন নদী একসময় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সমৃদ্ধ আধার ছিল। অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠার ফলে নদীতে মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সমৃদ্ধ জলজ পরিবেশ উপহার পাবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ‘সাগুনী রাবার ড্যাম মৎস্য অভয়াশ্রম’ শুধু মাছ সংরক্ষণেই নয়, বরং টাঙ্গন নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি