বলিউড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে অভিনেত্রী ও সাংসদ কঙ্গনা রানাউতের সংঘাতের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। সম্প্রতি নিজের আসন্ন সিনেমা ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’–র জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। আর এই প্রচারের মাঝেই বলিউডের সঙ্গে তাঁর সেই পুরোনো তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা নতুন করে উগরে দিলেন অভিনেত্রী। কঙ্গনার দাবি, চলচ্চিত্র জগতের সিংহভাগ মানুষই এখন তাঁর সঙ্গে সমস্ত রকমের যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকী তিনি নতুন কোনও প্রজেক্ট বা সিনেমা করলেও তা নিয়ে বলিউডের কেউ কোনও মন্তব্য পর্যন্ত করেন না। সাক্ষাৎকারে নিজের কেরিয়ারের লড়াই এবং জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েও অকপট হয়েছেন তিনি।
আগামী ১২ জুন বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে কঙ্গনার নতুন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’। এই ছবি নিয়ে অভিনেত্রী নিজে অত্যন্ত আশাবাদী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এই নতুন সিনেমার জন্য বলিউড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে তিনি কোনও অভিনন্দন বা শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন কি না। জবাবে কঙ্গনা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানুষজন আমাকে কোনও মেসেজই করেন না।’
বলিউডের একাংশের এই উদাসীনতা অবশ্য কঙ্গনাকে দমাতে পারেনি। তাঁর মতে, কোনও মানুষ সফল হলে তাঁর সমালোচনা হওয়াটা অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। অতীতে অভিনেতা রণবীর সিং এবং ফারহান আখতারকে জড়িয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের উদাহরণ টেনে কঙ্গনা বলেন, ‘সমাজে মানুষের মর্যাদা ও অবস্থান যত বৃদ্ধি পায়, তাঁর শত্রুর সংখ্যাও ঠিক ততটাই বাড়ে। এমনটা কখনই হতে পারে না যে আপনার নাম-যশ ও পরিচিতি বাড়বে, অথচ আপনার শত্রু বাড়বে না।’
সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের মোড় ঘোরানো সেই কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, ‘যখন আমি স্থির করেছিলাম যে আমার বাবা-মা আমার জন্য যে ভবিষ্যৎ বা পথ নির্ধারণ করে রেখেছিলেন, আমি সেই চেনা ছকে হাঁটব না— সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তখন আমার পাশে কেউ ছিল না, কোথাও থেকে কোনও সাহায্য পাওয়ার আশাও ছিল না। আমি বয়সে খুবই ছোট ছিলাম। এমন কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতাও আমার ছিল না, যার জোরে একটা ভালো চাকরি পেতে পারি। ইন্ডাস্ট্রিতে চেনা-পরিচিত কেউ ছিল না। তা সত্ত্বেও আমি সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে নিজের তৈরি পথে বেরিয়ে পড়েছিলাম।’
কঙ্গনা জানান, শূন্য থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে নিজের পরিধি তিনি নিজেই বিস্তার করেছেন। তাঁর কথায়, ‘আমি সব সময় নতুন কিছু সৃষ্টি করার কথা ভেবেছি এবং নতুন ভিশন তৈরি করতে চেয়েছি। অভিনেত্রী, নির্মাতা, লেখক কিংবা রাজনীতিবিদ— জীবনের প্রতিটি ভূমিকাতেই আমি আমার সাধারণ সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছি। আর সেই গুরুদায়িত্বের চাপ সামলানোর জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুতও করেছি।’ নিজের সিনেমাগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছবিগুলো বরাবরই বেশ চাপপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাই স্বভাবতই সবচেয়ে বেশি চাপ যে আমাকেই একা হাতে সামলাতে হয়েছে, তাতে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই।’
বর্তমানে সাংসদ হিসেবে রাজনৈতিক ময়দান এবং অভিনেত্রী হিসেবে রূপোলি পর্দা— দুই ক্ষেত্রই সমানতালে সামলাচ্ছেন কঙ্গনা। তবে ইদানীং রাজনীতিতে আসার পর তাঁর মনে কিছু ছোটখাটো দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, এখন জনসমক্ষে আসার আগে তাঁকে ভাবতে হয় যে তাঁকে অতিরিক্ত ‘হিরোইনসুলভ’ দেখাচ্ছে কি না, কিংবা স্লিভলেস পোশাক পরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ঠিক হবে কি না, অথবা মেকআপ একটু বেশি হয়ে গেল কি না— এই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও এখন তাঁকে বেশ ভাবিয়ে তোলে।
আগামী ১২ জুন বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে কঙ্গনার নতুন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’। এই ছবি নিয়ে অভিনেত্রী নিজে অত্যন্ত আশাবাদী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, এই নতুন সিনেমার জন্য বলিউড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে তিনি কোনও অভিনন্দন বা শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন কি না। জবাবে কঙ্গনা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মানুষজন আমাকে কোনও মেসেজই করেন না।’
বলিউডের একাংশের এই উদাসীনতা অবশ্য কঙ্গনাকে দমাতে পারেনি। তাঁর মতে, কোনও মানুষ সফল হলে তাঁর সমালোচনা হওয়াটা অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। অতীতে অভিনেতা রণবীর সিং এবং ফারহান আখতারকে জড়িয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের উদাহরণ টেনে কঙ্গনা বলেন, ‘সমাজে মানুষের মর্যাদা ও অবস্থান যত বৃদ্ধি পায়, তাঁর শত্রুর সংখ্যাও ঠিক ততটাই বাড়ে। এমনটা কখনই হতে পারে না যে আপনার নাম-যশ ও পরিচিতি বাড়বে, অথচ আপনার শত্রু বাড়বে না।’
সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের মোড় ঘোরানো সেই কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, ‘যখন আমি স্থির করেছিলাম যে আমার বাবা-মা আমার জন্য যে ভবিষ্যৎ বা পথ নির্ধারণ করে রেখেছিলেন, আমি সেই চেনা ছকে হাঁটব না— সেটাই ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। তখন আমার পাশে কেউ ছিল না, কোথাও থেকে কোনও সাহায্য পাওয়ার আশাও ছিল না। আমি বয়সে খুবই ছোট ছিলাম। এমন কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতাও আমার ছিল না, যার জোরে একটা ভালো চাকরি পেতে পারি। ইন্ডাস্ট্রিতে চেনা-পরিচিত কেউ ছিল না। তা সত্ত্বেও আমি সমস্ত বাধা উপেক্ষা করে নিজের তৈরি পথে বেরিয়ে পড়েছিলাম।’
কঙ্গনা জানান, শূন্য থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে নিজের পরিধি তিনি নিজেই বিস্তার করেছেন। তাঁর কথায়, ‘আমি সব সময় নতুন কিছু সৃষ্টি করার কথা ভেবেছি এবং নতুন ভিশন তৈরি করতে চেয়েছি। অভিনেত্রী, নির্মাতা, লেখক কিংবা রাজনীতিবিদ— জীবনের প্রতিটি ভূমিকাতেই আমি আমার সাধারণ সামর্থ্যের চেয়েও অনেক বেশি দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছি। আর সেই গুরুদায়িত্বের চাপ সামলানোর জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুতও করেছি।’ নিজের সিনেমাগুলোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আমার ছবিগুলো বরাবরই বেশ চাপপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাই স্বভাবতই সবচেয়ে বেশি চাপ যে আমাকেই একা হাতে সামলাতে হয়েছে, তাতে অবাক হওয়ার মতো কিছু নেই।’
বর্তমানে সাংসদ হিসেবে রাজনৈতিক ময়দান এবং অভিনেত্রী হিসেবে রূপোলি পর্দা— দুই ক্ষেত্রই সমানতালে সামলাচ্ছেন কঙ্গনা। তবে ইদানীং রাজনীতিতে আসার পর তাঁর মনে কিছু ছোটখাটো দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানান, এখন জনসমক্ষে আসার আগে তাঁকে ভাবতে হয় যে তাঁকে অতিরিক্ত ‘হিরোইনসুলভ’ দেখাচ্ছে কি না, কিংবা স্লিভলেস পোশাক পরা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ঠিক হবে কি না, অথবা মেকআপ একটু বেশি হয়ে গেল কি না— এই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলোও এখন তাঁকে বেশ ভাবিয়ে তোলে।
তামান্না হাবিব নিশু