নতুন করে পশ্চিম এশিয়া জুড়ে হামলা শুরু করেছে ইরান। সেখানকার বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অন্তত ২১টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান বাহিনী। বাহরিন, জর্ডন, কুয়েতের মতো দেশগুলিতে প্রতিনিয়ত সাইরেন বাজছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলির কর্তৃপক্ষ হামলার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তাঁদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশ কিছু ইরানি ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। তবে কিছু ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
ইরাকি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বাহরিনে ১৬টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। হামলা হয়েছে জর্ডনেও। ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের অ্যারোস্পেস বাহিনী জর্ডনের একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে দূরপাল্লার সলিড-ফুয়েল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এফ-৩৫ মার্কিন যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টারকে নিশানা করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো অন্যতম বৃহত্তম প্রতিশোধমূলক হামলা হিসাবে বর্ণনা করেছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, পশ্চিম এশিয়া জুড়ে অন্তত ২১টি মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
কুয়েতের তরফে হামলার কথা জানানো হয়েছে। তবে তাদের দাবি, ইরান থেকে ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাহরিনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, এক ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় বার যুদ্ধ সাইরেন বাজাতে হয়েছে। নাগরিকদের শান্ত থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে। জর্ডনের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, আল আজরাক এলাকার দিকে ইরান থেকে ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপতিত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ জর্ডনের মাটিতে পড়লেও কোনও ক্ষতি হয়নি। ঘটেনি হতাহতের ঘটনাও।
অন্য দিকে, নতুন উত্তেজনা ছড়িয়েছে লেবাননে। ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে জুড়ে ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী, সাঁজোয়া গাড়ি, কমান্ড পোস্ট লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট হামলা চালিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের রিয়াধ, রাশাফ, আল-কাওজাহ এবং কানতারা শহরে ইজরায়েলি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লা।
মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীর কাছে ভেঙে পড়ে মার্কিন সেনার একটি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরান ওই হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। আর তার পরই জবাবি হামলা শুরু করে আমেরিকা। মার্কিন কর্তাদের মতে, হরমুজ প্রণালীর আশপাশে থাকা ইরানের বেশ কয়েকটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা-সহ সামরিক শক্তিতে আঘাত হানা হয়েছে। ইরানে তিন দফা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তার পরই ইরানের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, তারা মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দেবে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরে হামলা চালায় তারা। তার পরে একে একে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করে তেহরান।
ইরাকি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বাহরিনে ১৬টির বেশি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। হামলা হয়েছে জর্ডনেও। ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের অ্যারোস্পেস বাহিনী জর্ডনের একটি ঘাঁটি লক্ষ্য করে দূরপাল্লার সলিড-ফুয়েল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এফ-৩৫ মার্কিন যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টারকে নিশানা করে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো অন্যতম বৃহত্তম প্রতিশোধমূলক হামলা হিসাবে বর্ণনা করেছে আইআরজিসি। তাদের দাবি, পশ্চিম এশিয়া জুড়ে অন্তত ২১টি মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
কুয়েতের তরফে হামলার কথা জানানো হয়েছে। তবে তাদের দাবি, ইরান থেকে ছোড়া অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাহরিনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, এক ঘণ্টার মধ্যে দ্বিতীয় বার যুদ্ধ সাইরেন বাজাতে হয়েছে। নাগরিকদের শান্ত থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে। জর্ডনের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, আল আজরাক এলাকার দিকে ইরান থেকে ছোড়া পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপতিত করা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ জর্ডনের মাটিতে পড়লেও কোনও ক্ষতি হয়নি। ঘটেনি হতাহতের ঘটনাও।
অন্য দিকে, নতুন উত্তেজনা ছড়িয়েছে লেবাননে। ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লা জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে জুড়ে ইজরায়েলের সামরিক বাহিনী, সাঁজোয়া গাড়ি, কমান্ড পোস্ট লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট হামলা চালিয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবাননের রিয়াধ, রাশাফ, আল-কাওজাহ এবং কানতারা শহরে ইজরায়েলি ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লা।
মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীর কাছে ভেঙে পড়ে মার্কিন সেনার একটি অ্যাপাচে হেলিকপ্টার। মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরান ওই হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। আর তার পরই জবাবি হামলা শুরু করে আমেরিকা। মার্কিন কর্তাদের মতে, হরমুজ প্রণালীর আশপাশে থাকা ইরানের বেশ কয়েকটি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা-সহ সামরিক শক্তিতে আঘাত হানা হয়েছে। ইরানে তিন দফা হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। তার পরই ইরানের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, তারা মার্কিন হামলার কঠোর জবাব দেবে। পশ্চিম এশিয়া জুড়ে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। আমেরিকার পঞ্চম নৌবহরে হামলা চালায় তারা। তার পরে একে একে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করে তেহরান।
আন্তজার্তিক ডেস্ক