রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর গ্রামে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে ট্রলিচাপায় গুরুতর আহত হওয়া সাদিকুল ইসলাম রাকিব (৩) দুই দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে মারা গেছে।
মঙ্গলবার ৯ জুন সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত রাকিব বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরের হরিফলা এলাকার খুরশেদ আলম ও শারমিন বেগমের ছেলে।
জানা গেছে, গত রোববার ৭ জুন সকাল ৯ টার দিকে রাকিব তার মায়ের সঙ্গে দুর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় নানাবাড়িতে অবস্থান করছিল। পরে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাহেরপুর দিক থেকে আসা একটি ইটবোঝাই ট্রলি তাকে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুর্ঘটনায় তার একটি হাত ও একটি পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও দুই দিন পর মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
শিশু রাকিবের মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও এ ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার ৯ জুন সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত রাকিব বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরের হরিফলা এলাকার খুরশেদ আলম ও শারমিন বেগমের ছেলে।
জানা গেছে, গত রোববার ৭ জুন সকাল ৯ টার দিকে রাকিব তার মায়ের সঙ্গে দুর্গাপুর উপজেলার কয়ামাজমপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় নানাবাড়িতে অবস্থান করছিল। পরে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তাহেরপুর দিক থেকে আসা একটি ইটবোঝাই ট্রলি তাকে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুর্ঘটনায় তার একটি হাত ও একটি পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টার পরও দুই দিন পর মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
শিশু রাকিবের মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের মধ্যেও এ ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
প্রতিনিধি :