নেত্রকোনায় ভাত দিতে দেরি হওয়ায় ছেলের শাবলের আঘাতে আবুনি রাজভর ওরফে রুকশি (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলেকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
নিহত আবুনি রাজভর ওই এলাকার বাসিন্দা শ্যামলাল রাজভরের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলের নাম শ্যামল রাজভর (২৪)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীত পাশে মগরা নদীর তীরে একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করতেন আবুনি রাজভর। তার ছেলে শ্যামল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হওয়ার পর মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে শ্যামল তার মায়ের কাছে ভাত খেতে চান। এসময় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে শ্যামল ক্ষিপ্ত হয়ে মাকে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি লোহার শাবল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে আবুনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি মারা যান। এসময় অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার, নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নেত্রকোনা সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ছেলেকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।
নিহত আবুনি রাজভর ওই এলাকার বাসিন্দা শ্যামলাল রাজভরের স্ত্রী। অভিযুক্ত ছেলের নাম শ্যামল রাজভর (২৪)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চল্লিশা ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীত পাশে মগরা নদীর তীরে একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করতেন আবুনি রাজভর। তার ছেলে শ্যামল দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত হওয়ার পর মানসিকভাবে কিছুটা বিকারগ্রস্ত ছিলেন। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে শ্যামল তার মায়ের কাছে ভাত খেতে চান। এসময় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বললে শ্যামল ক্ষিপ্ত হয়ে মাকে গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা একটি লোহার শাবল দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। এতে আবুনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তিনি মারা যান। এসময় অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার, নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্ত ছেলেকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
অনলাইন ডেস্ক