রাজনীতিতে এসেই ‘জয়’ পেয়েছিলেন। কিন্তু রাজনীতি এখন সেই ভাবে উপভোগ করছেন না কঙ্গনা রনৌত, এ কথা নিজেই জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ফের একবার সেই একই ইঙ্গিত দিলেন তিনি! রাজনীতিক হিসাবে নিজেকে নিয়ে সারা ক্ষণ সংশয়ে থাকেন কঙ্গনা। বার বার মনে নিজেকে নিয়ে প্রশ্ন জাগে তাঁর, হয়তো তিনি ততটা ভাল নন! কিংবা কখনও কখনও তাঁর মনে হয়, তিনি বড্ড বেশি অভিনেত্রীদের মতো।
কয়েক মাস আগে কঙ্গনা দাবি করেছিলেন যে, সৎ পথে রাজনীতি করে যেটুকু উপার্জন করা যায়, তা দিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন। তাই নাকি দরকার হয় একটি চাকরির। অভিনয় থেকে রাজনীতির জগতে এসেছেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, “আমি একটা বিষয় বুঝেছি। একজন সাংসদকে যে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, তাতে রাঁধুনি বা গাড়ির চালককে বেতন দেওয়ার পরে হাতে থাকে মাত্র ৫০-৬০ হাজার টাকা। শুধু তা-ই নয়, মাণ্ডি এলাকার সাংসদ হওয়ার পর কঙ্গনা খানিক বিরক্তি প্রকাশ করেই বলেন, ‘‘নালা পরিষ্কার কেন হচ্ছে না, লোকে সেই সমস্যা নিয়েও আসছেন!’’
কঙ্গনা মনে করেন চারিত্রিক দিক থেকে অভিনয় ও রাজনীতি, এতটাই আলাদা যে একসঙ্গে সামাল দেওয়া মুখের কথা নয়। তার মধ্যেই ঘুরেফিরে নিজেকে নিয়ে কাজ করে সংশয়। তিনি বলেন, ‘‘যদিও এটা কোনও বিশাল ভয়ের বিষয় নয়। বরং ছোট ছোট বিষয় নিয়ে চিন্তা করি। যেমন, আমি কি যথেষ্ট ভাল হতে পারছি? বিশেষ করে মনে হয়, একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে আমার নতুন দায়িত্বে, আমার জন্য সঠিক পথ কোনটা! বা আমি কি একটু বেশিই অভিনেত্রীসুলভ হয়ে যাচ্ছি? আমি কি খুব বেশি সাজগোজ করছি? হাতাকাটা পোশাক পরা কি উচিত? আমাকে নিয়ে কি বেশি কাটাছেঁড়া করা হচ্ছে! এমন নানা জিনিস মাথায় ঘোরে।” কঙ্গনা স্পষ্ট করে জানান, যখন কেউ কোনও নতুন কিছুর সঙ্গে যুক্ত হয় তখন এই ধরনের সংশয় আসাটা স্বাভাবিক। আসলে কঙ্গনা নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, তার পরে উত্তর খোঁজেন নিজেই।
প্রসঙ্গত, রাজনীতির ময়দানে আসার পর থেকে সে ভাবে ছবিতে সাফল্য পাননি কঙ্গনা। তবু হাল ছাড়েননি। একের পর এক ছবিতে অভিনয় ও প্রযোজনা দুই করছেন তিনি। এই মুহূর্তে তিনি ব্যস্ত আসন্ন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ নিয়ে। ২৬/১১-এর ভয়াবহ স্মৃতি নিয়ে ছবি করছেন কঙ্গনা। কঙ্গনা অভিনয় করেছেন একজন নার্সের চরিত্রে।
কয়েক মাস আগে কঙ্গনা দাবি করেছিলেন যে, সৎ পথে রাজনীতি করে যেটুকু উপার্জন করা যায়, তা দিয়ে জীবনযাপন করা কঠিন। তাই নাকি দরকার হয় একটি চাকরির। অভিনয় থেকে রাজনীতির জগতে এসেছেন কঙ্গনা। তিনি বলেন, “আমি একটা বিষয় বুঝেছি। একজন সাংসদকে যে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, তাতে রাঁধুনি বা গাড়ির চালককে বেতন দেওয়ার পরে হাতে থাকে মাত্র ৫০-৬০ হাজার টাকা। শুধু তা-ই নয়, মাণ্ডি এলাকার সাংসদ হওয়ার পর কঙ্গনা খানিক বিরক্তি প্রকাশ করেই বলেন, ‘‘নালা পরিষ্কার কেন হচ্ছে না, লোকে সেই সমস্যা নিয়েও আসছেন!’’
কঙ্গনা মনে করেন চারিত্রিক দিক থেকে অভিনয় ও রাজনীতি, এতটাই আলাদা যে একসঙ্গে সামাল দেওয়া মুখের কথা নয়। তার মধ্যেই ঘুরেফিরে নিজেকে নিয়ে কাজ করে সংশয়। তিনি বলেন, ‘‘যদিও এটা কোনও বিশাল ভয়ের বিষয় নয়। বরং ছোট ছোট বিষয় নিয়ে চিন্তা করি। যেমন, আমি কি যথেষ্ট ভাল হতে পারছি? বিশেষ করে মনে হয়, একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে আমার নতুন দায়িত্বে, আমার জন্য সঠিক পথ কোনটা! বা আমি কি একটু বেশিই অভিনেত্রীসুলভ হয়ে যাচ্ছি? আমি কি খুব বেশি সাজগোজ করছি? হাতাকাটা পোশাক পরা কি উচিত? আমাকে নিয়ে কি বেশি কাটাছেঁড়া করা হচ্ছে! এমন নানা জিনিস মাথায় ঘোরে।” কঙ্গনা স্পষ্ট করে জানান, যখন কেউ কোনও নতুন কিছুর সঙ্গে যুক্ত হয় তখন এই ধরনের সংশয় আসাটা স্বাভাবিক। আসলে কঙ্গনা নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, তার পরে উত্তর খোঁজেন নিজেই।
প্রসঙ্গত, রাজনীতির ময়দানে আসার পর থেকে সে ভাবে ছবিতে সাফল্য পাননি কঙ্গনা। তবু হাল ছাড়েননি। একের পর এক ছবিতে অভিনয় ও প্রযোজনা দুই করছেন তিনি। এই মুহূর্তে তিনি ব্যস্ত আসন্ন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ নিয়ে। ২৬/১১-এর ভয়াবহ স্মৃতি নিয়ে ছবি করছেন কঙ্গনা। কঙ্গনা অভিনয় করেছেন একজন নার্সের চরিত্রে।
তামান্না হাবিব নিশু