অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের জেরে কর্ণাটকে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে এইচআইভি (HIV) সংক্রমণ। কর্ণাটক স্টেট এইডস প্রিভেনশন সোসাইটি (KSAPS)-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত তিন অর্থবর্ষে রাজ্যে সক্রিয় এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে যেখানে সক্রিয় এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৪,৫৮১, তা ২০২৪-২৫ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৬২,৬৬৪ জনে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬,৬০০ অতিক্রম করেছে।
স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশ তরুণ প্রজন্মের। বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৫ এবং ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে। ১৮-২৫ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ২০২৩-২৪ সালে ৩,৭৩২ থেকে পরের বছর বেড়ে ৬,৯৬২-এ পৌঁছায়। যদিও শেষ অর্থবর্ষে তা সামান্য কমে ৬,২৮৩ হয়েছে। অন্যদিকে, ২৬-৩৫ বছর বয়সী গোষ্ঠীতে সংক্রমণের হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫-২৬ সালে ১৪,৫৫৫-এ পৌঁছেছে।
KSAPS-এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর পদ্মা বি জানান, কয়েকটি কলেজ হোস্টেলে সংক্রমণের ক্লাস্টার চিহ্নিত হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক যৌন সঙ্গী এবং অনিরাপদ যৌন আচরণের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বেঙ্গালুরুর সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. স্বাতী রাজগোপালের মতে, ডেটিং অ্যাপের সহজলভ্যতা, কন্ডোম ব্যবহারে অনীহা এবং যৌনবাহিত রোগ (STI) সম্পর্কে সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সিফিলিস ও গনোরিয়ার মতো অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্ণাটক সরকার 'ব্রেকফ্রি' (BreakFree) অ্যাপের মাধ্যমে এইচআইভি ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পরামর্শ পরিষেবা চালু করেছে। এছাড়া রাজ্যজুড়ে ৪৪২টি 'রেড রিবন ক্লাব' সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাধারণ মানুষের জন্য ১০৯৭ হেল্পলাইন নম্বর চালু রাখা হয়েছে এবং বিভিন্ন করপোরেট অফিসে বিশেষ এইচআইভি স্ক্রিনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং যৌনবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে যেখানে সক্রিয় এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৪,৫৮১, তা ২০২৪-২৫ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৬২,৬৬৪ জনে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৬৬,৬০০ অতিক্রম করেছে।
স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে বড় একটি অংশ তরুণ প্রজন্মের। বিশেষ করে ১৮ থেকে ২৫ এবং ২৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের মধ্যে সংক্রমণের হার দ্রুত বাড়ছে। ১৮-২৫ বছর বয়সী আক্রান্তের সংখ্যা ২০২৩-২৪ সালে ৩,৭৩২ থেকে পরের বছর বেড়ে ৬,৯৬২-এ পৌঁছায়। যদিও শেষ অর্থবর্ষে তা সামান্য কমে ৬,২৮৩ হয়েছে। অন্যদিকে, ২৬-৩৫ বছর বয়সী গোষ্ঠীতে সংক্রমণের হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫-২৬ সালে ১৪,৫৫৫-এ পৌঁছেছে।
KSAPS-এর প্রজেক্ট ডিরেক্টর পদ্মা বি জানান, কয়েকটি কলেজ হোস্টেলে সংক্রমণের ক্লাস্টার চিহ্নিত হয়েছে। পাশাপাশি একাধিক যৌন সঙ্গী এবং অনিরাপদ যৌন আচরণের কারণে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বেঙ্গালুরুর সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. স্বাতী রাজগোপালের মতে, ডেটিং অ্যাপের সহজলভ্যতা, কন্ডোম ব্যবহারে অনীহা এবং যৌনবাহিত রোগ (STI) সম্পর্কে সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে সিফিলিস ও গনোরিয়ার মতো অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণও বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় কর্ণাটক সরকার 'ব্রেকফ্রি' (BreakFree) অ্যাপের মাধ্যমে এইচআইভি ঝুঁকি মূল্যায়ন ও পরামর্শ পরিষেবা চালু করেছে। এছাড়া রাজ্যজুড়ে ৪৪২টি 'রেড রিবন ক্লাব' সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সাধারণ মানুষের জন্য ১০৯৭ হেল্পলাইন নম্বর চালু রাখা হয়েছে এবং বিভিন্ন করপোরেট অফিসে বিশেষ এইচআইভি স্ক্রিনিং ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং যৌনবাহিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এইচআইভি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
আন্তজার্তিক ডেস্ক