বলিউডের পরে নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন হলিউডেও। তাই সারা বিশ্ব জুড়ে নানা অভিজ্ঞতা রয়েছে প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার। দেশবিদেশের শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন নামী স্টাইলিস্ট ক্যারি টউবেন। প্রিয়ঙ্কার একটি ‘রুক্ষ’ আচরণের কথাও জানান তিনি। সেই ঘটনা তাঁর মনে বহু বছর ধরে রয়ে গিয়েছে।
‘কোয়ান্টিকো’র শুটিং চলাকালীন প্রিয়ঙ্কার পোশাকের দায়িত্বে ছিলেন ক্যারি। স্টাইলিং করেছিলেন তিনি। ক্যারি জানান, প্রথম থেকেই প্রিয়ঙ্কাকে তাঁর খুব ভাল লেগেছিল। প্রিয়ঙ্কা ছিলেন আন্তরিক, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাঁর কাজের প্রশংসা করতেন। তবে পোশাক নির্বাচনের সময়ে কিছু বিষয় ক্যারিকে অবাক করেছিল।
পোশাক ট্রায়ালের সময়ে প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্র অযত্নের সঙ্গে ব্যবহার করতেন, যা পছন্দ ছিল না ক্যারির। তাঁর কথায়, “ট্রায়ালের সময়ে তিনি একটু রুক্ষ আচরণ করতেন। পোশাকের ঠিক যত্ন করতেন না। বিষয়টি আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছিল।”
তিনি জানান, ট্রায়ালের জন্য নামী ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজাইনার বুটিক থেকে পোশাক, জুতো ইত্যাদি আনা হত। সেগুলির মূল্যও ছিল আকাশছোঁয়া। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা মনে করে ক্যারি বলেন, “তিনি একটি দামি জুতো পায়ে ঠেলে এক পাশে সরিয়ে দিয়েছিলেন।” স্টাইলিস্টের দাবি, ওই জুতোর দাম প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার। তাই ঘটনাটি তাঁর মনে থেকে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু এ সবের পরেও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থেকে গিয়েছে বলেও জানান ক্যারি।
‘কোয়ান্টিকো’র শুটিং চলাকালীন প্রিয়ঙ্কার পোশাকের দায়িত্বে ছিলেন ক্যারি। স্টাইলিং করেছিলেন তিনি। ক্যারি জানান, প্রথম থেকেই প্রিয়ঙ্কাকে তাঁর খুব ভাল লেগেছিল। প্রিয়ঙ্কা ছিলেন আন্তরিক, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাঁর কাজের প্রশংসা করতেন। তবে পোশাক নির্বাচনের সময়ে কিছু বিষয় ক্যারিকে অবাক করেছিল।
পোশাক ট্রায়ালের সময়ে প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্র অযত্নের সঙ্গে ব্যবহার করতেন, যা পছন্দ ছিল না ক্যারির। তাঁর কথায়, “ট্রায়ালের সময়ে তিনি একটু রুক্ষ আচরণ করতেন। পোশাকের ঠিক যত্ন করতেন না। বিষয়টি আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছিল।”
তিনি জানান, ট্রায়ালের জন্য নামী ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজাইনার বুটিক থেকে পোশাক, জুতো ইত্যাদি আনা হত। সেগুলির মূল্যও ছিল আকাশছোঁয়া। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা মনে করে ক্যারি বলেন, “তিনি একটি দামি জুতো পায়ে ঠেলে এক পাশে সরিয়ে দিয়েছিলেন।” স্টাইলিস্টের দাবি, ওই জুতোর দাম প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার। তাই ঘটনাটি তাঁর মনে থেকে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু এ সবের পরেও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক থেকে গিয়েছে বলেও জানান ক্যারি।
তামান্না হাবিব নিশু